বিপিএলে সেরা দেশী ক্রিকেটাররাই
Printed Edition
ক্রীড়া প্রতিবেদক
সর্বোচ্চ রান
নাম - দল - ইনিংস -রান
পারভেজ হোসেন ইমন- সিলেট টাইটান্স- ১২- ৩৯৫
তৌহিদ হৃদয়- রংপুর রাইডার্স -১১ -৩৮২
তানজিদ হাসান তামিম- রাজশাহী ওয়ারিয়র্স -১৩ - ৩৫৬
নাজমুল হোসেন শান্ত- রাজশাহী ওয়ারিয়র্স -১৩ -৩৫৫
ডেভিড মালান- রংপুর রাইডার্স- ৯- ৩০০
সর্বোচ্চ উইকেট
নাম -দল -ম্যাচ- উইকেট
শরীফুল ইসলাম- চট্টগ্রাম রয়্যালস- ১২ -২৬
নাসুম আহমেদ -সিলেট টাইটান্স- ১২ -১৮
বিনুরা ফার্নান্দো- রাজশাহী ওয়ারিয়র্স -১১ -১৮
রিপন মণ্ডল -রাজশাহী ওয়ারিয়র্স- ৮- ১৭
হাসান মাহমুদ-নোয়াখালী এক্সপ্রেস- ১০- ১৬
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) ফাইনালে গত পরশু চট্টগ্রাম রয়্যালসকে ৬৩ রানে হারিয়ে শিরোপা ঘরে তুলেছে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। এর মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে বিপিএলের দ্বাদশ আসর। ২০২৬ সালের বিপিএলে ব্যাট-বলে পারফর্ম করেছেন অনেকেই। ব্যাট হাতে আলো ছড়িয়েছেন পারভেজ হোসেন, তানজিদ হাসান, তৌহিদ হৃদয়রা। বল হাতে উজ্জ্বল ছিলেন শরীফুল ইসলাম, রিপন মণ্ডল, নাসুম আহমেদ, বিনুরা ফার্নান্দোরা। বিপিএলে এক মৌসুমে সবচেয়ে বেশি উইকেট নেয়ার রেকর্ড গড়েছেন শরীফুল ইসলাম। আর ব্যাট হাতে ফাইনালে সেঞ্চুরির মধ্য দিয়ে বিপিএলে সর্বোচ্চ তিন শতকের মালিক এখন তানজিদ হাসান তামিম। আর পুরো আসরে ব্যাট আর বল হাতে টপ পারফর্মারদের মধ্যে এগিয়ে ছিলেন বাংলাদেশী ক্রিকেটাররাই।
বিপিএলের শেষ হওয়া আসরে ফাইনালের আগ পর্যন্ত ১২ ম্যাচে ২৫৬ রান করেছিলেন তানজিদ। এর মধ্যে মাত্র এক ফিফটি আসে তার ব্যাটে। শিরোপা মঞ্চে এসে তার ৬২ বলে ১০০ রানের সুবাদে ১৭৪ রানের বড় সংগ্রহ পায় রাজশাহী। সব মিলে ১৩ ম্যাচে ৩৫৬ রান তানজিদের। তবে ১২ ম্যাচে ৩৯৫ রান করে ব্যাটারদের মধ্যে শীর্ষে রয়েছেন সিলেট টাইটান্সের পারভেজ হোসেন ইমন। বল হাতে এ দিন ৩৩ রানে দু’টি উইকেট নেন শরিফুল। সব মিলে আসরে ১২ ম্যাচে ২৬ উইকেট নিয়ে আসরে সর্বোচ্চ উইকেটের মালিক এই পেসার। সেরা বোলিং ফিগার নোয়াখালী এক্সপ্রেসের বিপক্ষে ৯ রানে পাঁচ উইকেট। জিতেছেন ম্যান অব দ্য টুর্নামেন্টের পুরস্কারও। সব মিলে ব্যাটিং ও বোলিংয়ে শীর্ষ পাঁচে আধিপত্য বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের।