থাইল্যান্ডে দূষণকারীদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে আইন
Printed Edition
এএফপি
দৌড়ানোর সময় ঘন ধোঁয়াশায় শ্বাসকষ্টে পড়া এক অর্থ বিশেষজ্ঞ ও সন্তানের স্বাস্থ্যের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বিগ্ন এক চিকিৎসক রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার মধ্যেও থাইল্যান্ডে বায়ুদূষণবিরোধী ঐতিহাসিক আইন প্রণয়নে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। তাদের মতো করে কর্মীরাও এই আইন প্রণয়নে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
প্রতি শীতে থাইল্যান্ডের বড় একটি অংশ ঘন ধোঁয়াশায় ঢেকে যায়। আবহাওয়ার ধরন, মৌসুমি ফসলের অবশিষ্টাংশ পোড়ানো, যানবাহনের ধোঁয়া ও শিল্পকারখানার নির্গমনের কারণে এ পরিস্থিতি তৈরি হয়। সমস্যা মোকাবেলায় বহু বছরের উদ্যোগ বাড়ি থেকে কাজের নীতি কিংবা খড়কুটো পোড়ানোর ওপর বিধিনিষেধ বাস্তবে খুব একটা ফল দেয়নি। তবে এবার আশার আলো দেখাচ্ছে ‘ক্লিন এয়ার’ বিল। এই আইনে শ্বাস নেয়ার উপযোগী বাতাসের অধিকার নিশ্চিত করা, দূষণকারীদের ওপর কর আরোপ এবং দূষণের উৎস সম্পর্কে জনসাধারণকে তথ্য দেয়ার প্রস্তাব রয়েছে।
থাইল্যান্ড ক্লিন এয়ার নেটওয়ার্কের (ক্যান) পক্ষ থেকে এই উদ্যোগে নেতৃত্ব দেয়া উইরুন লিমসাওয়ার্ট দক্ষিণাঞ্চলীয় নাখোন সি থাম্মারাটে বড় হয়েছেন। তবে এক দশক বিদেশে থাকার পর ২০১৮ সালে দেশে ফিরে এসে তিনি প্রথমবারের মতো দেশের বায়ুদূষণের ভয়াবহতা উপলব্ধি করেন। তখন থেকেই তার তিন সন্তানের ওপর দূষিত বাতাসের প্রভাব নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েন তিনি।