শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারতের মাধ্যমে ছাত্রশক্তির গণভোটের ‘হ্যাঁ’ যাত্রা শুরু
Printed Edition
রংপুর ব্যুরো
‘না’ ভোটের পক্ষে যে বা যারা ক্যাম্পেইন করুক না; দিনশেষে না ভোট নয়, বরং বাংলাদেশের জনগণ হ্যাঁ ভোটের পক্ষে, নতুন বাংলাদেশের পক্ষে সংস্কারের পক্ষে তাদের চূড়ান্ত রায় দেবে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) সদস্য সচিব আখতার হেসেন।
গতকাল জুলাইবিপ্লবের প্রথম শহীদ পীরগঞ্জের বাবনপুরে আবু সাঈদের কবর জিয়ারত শেষে জাতীয় ছাত্রশক্তির গণেভোটের হ্যাঁ যাত্রার কার্যক্রম উদ্বোধন করে এ কথা বলেন তিনি। এ সময় ছাত্রশক্তির কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদ আহসান, সাধারণ সম্পাদক আবু বাকের মজুমদারসহ কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন। আখতার বলেন, হ্যাঁ ভোটের মাধ্যমে পুরোনো ফ্যাসিবাদী কাঠামো থেকে উদ্ধার হয়ে নতুন গণতান্ত্রিক কাঠামোতে যাত্রা শুরু করবে। সেজন্য গণভোটে হ্যাঁ-কে বিজয়ী করতে ছাত্রশক্তির এ উদ্যোগ প্রশংসনীয়।
বাংলাদেশে স্বাধীনতার ৫৪ বছরে সাংবিধানিক কাঠামোর কারণেই সরকারে থাকা পক্ষগুলো স্বৈরাচার হওয়ার সুযোগ পেতো। এ সাংবিধানিক কাঠামোতেই বড় ধরনের পরিবতন দরকার। এ কারণে আমরা একটা নতুন সংবিধান চেয়েছিলাম। আমরা নতুন সংবিধান পাইনি। যতদূর আমরা সংস্কার প্রত্যাশা করেছিলাম। নতুন বন্দোবস্ত প্রত্যাশা করেছিলাম, সে লক্ষ্যমাত্রা আমরা অর্জন করতে পারি নাই।
তিনি বলেন, ঐকমত্য কমিশনের আলোচনার মধ্য দিয়ে সংস্কারের পক্ষে যতটুকু অর্জন, সে অর্জনকেও যেন আমরা হাতছাড়া না করি, সে অর্জনকে যেন কেউ নস্যাৎ করতে না পারে- সে কারণেই জাতীয় ছাত্রশক্তি গণভোটের জন্য হ্যাঁ ক্যাম্পেইন শুরু করেছে। আশা করি তারা সারা দেশে যাবেন। সারা দেশের জনগণের একটা সম্পর্কের মধ্য দিয়ে তাদের কাছে হ্যাঁ ভোটের পক্ষে প্রচারণা সারা দেশে ছড়িয়ে দেয়া সম্ভব হবে।
আখতার বলেন, আপামর জনতা, কুলি, ঠেলা মজুর থেকে শুরু করে কৃষক, শিক্ষক, বুদ্ধিজীবী, কবি, সাহিত্যিক, আলেম, পুরোহিত, নারী-পুরুষ, হিন্দু মুসলমান সব ধর্মের মানুষ, সবার কাছে ছাত্রশক্তি হ্যাঁ ভোটের ক্যাম্পেইন করবে।
বিকেলে ছাত্রশক্তির কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদ হাসান ও সাধারণ সম্পাদক আবু বাকের মজুমদারের নেতৃত্বে নগরীতে ‘ চাঁদাবাজকে না বলি, গণভোটকে হ্যাঁ বলো’ স্লোগানে গণভোটের পক্ষে ক্যাম্পেইন হয়। এর আগে রংপুর চেম্বার মিলনায়তনে জেলা ও মহানগর ছাত্রশক্তি আয়োজিত হ্যাঁ যাত্রার মতবিনিময়ে অংশ নেন কেন্দ্রীয় নেতারা।