বিপিএল শিরোপা রাজশাহীর

Printed Edition

ক্রীড়া প্রতিবেদক

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) এবারের আসরের ফাইনালে সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম। বিপিএলের ইতিহাসে প্রথম বাংলাদেশী ব্যাটার হিসেবে সর্বোচ্চ তিনটি সেঞ্চুরির রেকর্ড গড়েছেন এই বাঁ হাতি ব্যাটার। তার শতকের ওপর ভর করেই ২০ ওভারে ৪ উইকেটে ১৭৪ রানের চ্যালেঞ্জিং পুঁজি পায় রাজশাহী। জবাবে তেমন কোনো বড় জুটি গড়তে না পারায় ১৩ বল বাকি থাকতে ৯ উইকেটে ১১১ রানেই গুটিয়ে যায় চট্টগ্রাম। তাতে প্লে অফের প্রতিশোধ নিয়ে ৬৩ রানের জয়ে এক যুগ পর শিরোপা ঘরে তোলে ওয়ারিয়র্সরা।

মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে রাজশাহীকে ব্যাট করার আমন্ত্রণ জানান চট্টগ্রামের অধিনায়ক শেখ মাহেদী হাসান। ব্যাটিংয়ে নেমে উড়ন্ত সূচনা পায় রাজশাহী। তানজিদ হাসান তামিমের ঝড় ও সাহিবজাদার ধৈর্যশীল ব্যাটিংয়ে ওপেনিং জুটিতে আসে ৮৩ রান। ৩০ বলে ৩০ রান করে আউট হন ফারহান। দ্বিতীয় উইকেটে খেলতে নামা কেন উইলিয়ামসনকে নিয়ে ৪৭ রানের জুটি গড়েন তানজিদ। শরিফুল ইসলামের বলে আউট হওয়ার আগে ১৫ বলে ২৪ রান করেন উইলিয়ামসন।

এ দিকে ফিফটি পূরণের পর সেঞ্চুরিও তুলে নেন তানজিদ। এবারের আসরে এটা চতুর্থ সেঞ্চুরি। আর বিপিএলের ফাইনালে তৃতীয় ব্যাটার হিসেবে সেঞ্চুরির স্বাদ পেলেন তানজিদ। এর আগে ফাইনালে সেঞ্চুরি করেছিলেন ক্রিস গেইল ও তামিম ইকবাল।

শেষ পর্যন্ত তানজিদের ইনিংস থামে ১০০ রানে। মাত্র ৬২ বলে খেলা তার এই অনবদ্য ইনিংসটি ছয়টি চার ও সাতটি ছয়ে সাজানো ছিল। আর দলনেতা নাজমুল হোসেন শান্তর ব্যাট থেকে আসে ১১ রান। ৭ রানে অপরাজিত থাকেন জিমি নিশাম। চট্টগ্রাম রয়্যালসের শরিফুল ইসলাম ও মুকিদুল ইসলাম মুগ্ধ দু’টি করে উইকেট পান।

জবাবে ২০ ওভারও খেলতে পারেনি চট্টগ্রাম। শুরু থেকেই জুটির অভাবে ভুগছিল বন্দরনগরীর দলটি। ওপেনার মির্জা বেগ ৩৯, হাসান নাওয়াজ ১১, শহিদুজ্জামান ১১, আসিফ আলির ২১ ছাড়া কেউ দুই অঙ্কের ঘরে যেতে পারেননি। ফলে ১৭.৫ ওভারে ৯ উইকেটে ১১১ রানে গুটিয়ে যায় চট্টগ্রামের সেনারা। রাজশাহী শিরোপা জিতল ৬৩ রানে। বিনুরা ৪টি, হাাসান মুরাদ তিনটি, নিশাম দু’টি ও সাকলাইন একটি উইকেট নেন।