ড. মুহম্মদ দিদারে আলম মুহসিন
চব্বিশের জুলাই এ দেশের চিরসংগ্রামী জনতার মুক্তি সংগ্রামে যুক্ত করেছিল আরেকটি গৌরবময় অধ্যায়। প্রতিবেশী সম্প্রসারণবাদী শক্তিকে যেভাবে ৩৬ দিনের ঝটিকা অভিযানে হার মানতে বাধ্য করেছিল তার তুলনা ইতিহাসে বিরল।

২০১০ সালে তিউনিসিয়া থেকে শুরু হয় আরব বসন্ত। পরে মিসর, লিবিয়া, সিরিয়া, ইয়েমেনসহ বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে যায়। এই গণবিক্ষোভের তোড়ে আরব বিশ্বের এসব দেশে দীর্ঘদিনের ক্ষমতা কাঠামো তছনছ হয়ে যায়। নিকটাতীতে দক্ষিণ এশিয়ার দুটো প্রতিবেশী দেশ শ্রীলঙ্কা ও নেপালেও গণমানুষের শক্তিশালী জাগরণ দেখা গেছে।

দেশে দেশে এভাবে গণমানুষের জাগরণ হচ্ছিল। ধারণা করা হচ্ছিল, বাংলাদেশেও এমন গণবিস্ফোরণ ঘটতে পারে। চব্বিশের জুলাইয়ে সেই সম্ভাবনাই বাস্তবে রূপ নেয়। ওই বিস্ফোরণের মুখে ক্ষমতাসীন দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মীÑ এমনকি তাদের সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও মিডিয়া অঙ্গনের সুহৃদরা পর্যন্ত দেশ ছেড়ে পালিয়ে যায় অথবা আত্মগোপন করতে বাধ্য হয়। এ দেশে ইতোপূর্বে আর কোনো গণ-আন্দোলনে ক্ষমতার পালাবদলের ক্ষেত্রে এ ধরনের দৃশ্যপটের অবতারণা হতে দেখা যায়নি।

আওয়ামী লীগের মতো একটি দলের এমন পরিণতি হলো কেন? কারণ শেখ হাসিনা রেজিম প্রশাসন, পুলিশ, বিচার বিভাগ, মিডিয়া ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ সবখানে একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে। বিরোধী মতকে কঠোর হাতে দমন করে। ক্ষমতা গ্রহণের মাত্র ৪৮ দিনের মাথায় পিলখানায় বিডিআর বিদ্রোহের নামে ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে ৫৭ চৌকশ সেনাকর্মকর্তাকে খুন করে সেনাবাহিনীর মেরুদণ্ড ভেঙে দেয়া হয়। দেশের অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক শক্তি জামায়াতে ইসলামীর প্রথম সারির প্রায় সব নেতাকে ‘জুডিশিয়াল কিলিং’ করা হয়। শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে কওমি আলেম-ওলামাদের কণ্ঠ স্তব্ধ করে দেয়া হয়। পরে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে মোদির আগমনের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়ায় বিপুলসংখ্যক মাদরাসাশিক্ষার্থীকে হত্যা করা হয়। ইসলামপন্থীদের দমনের জন্য একের পর এক জঙ্গি নাটক সাজিয়ে অনেক নিরপরাধ তরুণ-যুবককে হত্যা করা হয়। বিচার বিভাগকে ব্যবহার করে বেগম খালেদা জিয়াকে প্রথমে তার ক্যান্টনমেন্টের বাড়ি থেকে উচ্ছেদ, পরে কারারুদ্ধ করে যথাযথ চিকিৎসার অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়।

বিএনপি, জামায়াতসহ বিরোধী নেতাকর্মীদের জেল-জুলুম ও গুম-খুনের মাধ্যমে দীর্ঘ দেড় দশক ধরে রীতিমতো দৌড়ের ওপর রাখা হয়। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে সরকারি ছাত্রসংগঠনের মাধ্যমে বিরোধী মতের শিক্ষার্থীদের ওপর নিয়মিত নিগ্রহ চালিয়ে তাদের শিক্ষাজীবন দুর্বিষহ করে তোলা হয়। এভাবে সবক্ষেত্রে দলীয়করণ এবং বিরোধী মত দমনে নির্যাতনের স্টিম রোলার চালিয়ে পতিত ফ্যাসিজম আশা করেছিল, এ দেশের ক্ষমতায় তাদের চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত কায়েম হয়ে গেছে। কিন্তু ফল হয়েছে উল্টো। আমাদের মতো দেশে গণতন্ত্রের প্রাতিষ্ঠানিকতার পথে বিদেশী শক্তির হস্তক্ষেপও বড় বাধা হিসেবে কাজ করে। সাম্রাজ্যবাদী ও সম্প্রসারণবাদী শক্তি নিজ স্বার্থে তুলনামূলক দুর্বল দেশে জনগণের রায় উপেক্ষা করে নিজেদের পছন্দের রাজনৈতিক শক্তি কিংবা সামরিক একনায়কদের ক্ষমতায় আনে।

২০০৭ সালে ওয়ান-ইলেভেনের নামে যে সেনাসমর্থিত সরকার ক্ষমতায় বসে, সেটি তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রশ্নে বিএনপির কিছু ভুল পলিসি এবং তৎকালীন সেনা নেতৃত্বের উচ্চাভিলাষকে পুঁজি করে পশ্চিমা বলয় ঘটিয়েছিল বলে ব্যাপকভাবে ধারণা করা হয়। ওই সময়ের ক্ষমতাসীনদের চাওয়া-পাওয়া প্রশ্নে বেগম খালেদা জিয়া অনমনীয় অবস্থান নেন। ষড়যন্ত্রের হোতারা ভারতের সাথে গাঁটছড়া বেঁধে প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচনের মাধ্যমে আওয়ামী লীগকে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতায় গদিতে বসায়। ক্ষমতায় আসার পর আওয়ামী লীগ তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থার বিলুপ্তিসহ কায়দা-কানুন করে একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করে। স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনা অসম্ভব হয়ে দাঁড়ায়। তাই যখনই সুযোগ এসেছে, ফ্যাসিস্ট সরকার থেকে মুক্তির পথ খুঁজেছে মানুষ। ভারতীয় আধিপত্যবাদের জোয়াল ছুড়ে ফেলতে চেয়েছে।

২০১৩ সালে শাপলা চত্বরে আলেমদেরকে দেশের মানুষ সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছিল। ২০১৮ সালের নিরাপদ সড়ক আন্দোলন, ২০১৮ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলন, ২০১৯ সালে আবরার ফাহাদ হত্যাকাণ্ডের বিরুদ্ধে বুয়েট শিক্ষার্থীদের আন্দোলনসহ সব এ আন্দোলনে মানুষ অকুণ্ঠ সমর্থন দেয়। কিন্তু, কঠোর নিয়ন্ত্রণ ও নির্দয় দমন-পীড়নের কারণে আন্দোলনগুলো চূড়ান্ত পরিণতির দিকে যেতে পারেনি। চব্বিশের জুলাইয়ে সেই মাহেন্দ্রক্ষণ আসে। আন্দোলন দমনে মাত্রাতিরিক্ত শক্তি প্রয়োগ করা হয়। আবু সাঈদ ও মুগ্ধর মতো নিরস্ত্র তরুণরা শাহাদতবরণ করে। এতে আন্দোলন দাবানলের মতো ছড়িয়ে যায়। নির্বিচারে গুলি, ব্লক রেইড ও হেলিকপ্টার থেকে গুলি করে হত্যা করা হয়। কিন্তু এবার আর টিকে থাকতে পারেনি শেখ হাসিনা রেজিম।

জাতিসঙ্ঘের তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই আন্দোলনে এক হাজার চার শতাধিক মানুষ শহীদ হয়েছে, যাদের মধ্যে ১২ থেকে ১৩ শতাংশ তথা ১৫০ জনের বেশি ছিল শিশু। এর বাইরেও প্রায় ২০ হাজার মানুষ আহত হয়েছে, যাদের অনেকেই গুলিবিদ্ধ হয়েছে, প্রায় ৫৮৭ জন বিকলাঙ্গ হয়েছে, চোখ হারিয়েছে। জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের তথ্যানুযায়ী, ৫০৪ জনের বেশি আন্দোলনকারী চোখের দৃষ্টি হারিয়েছে, যার মধ্যে ১১ জন চিরতরে দুই চোখের এবং ৪৯৩ জন এক চোখের দৃষ্টি হারিয়েছে।

এত ত্যাগ ও রক্তক্ষয় মানুষকে কী দিল? কেবল ফ্যাসিস্ট সরকারের পতন আর ভারতীয় আধিপত্যবাদ থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্যই কি মানুষ এত রক্ত দিয়েছে? সন্দেহ নেই। প্রাথমিক লক্ষ্য এগুলোই ছিল। কিন্তু দেড় দশকের নির্যাতন-নিপীড়ন এবং লুটপাটের কারণে মানুষের মনে এই প্রত্যাশা তৈরি হয়, দেশে এমন একটি ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা হবে, যাতে ভবিষ্যতে আর কোনো সরকার এমন ফ্যাসিস্ট হয়ে না উঠতে না পারে। ভারতীয় আধিপত্যবাদ যেন ফের ফিরে না আসতে পারে।

জুলাই আন্দোলনের সফল পরিণতিতে প্রফেসর ইউনূসের নেতৃত্বে যে সরকার হয়, সেই সরকারের ওপর তাৎক্ষণিকভাবে দুটো দায়িত্ব অর্পিত হয় : ১. আন্দোলনে যারা শহীদ হয়েছে, তাদের পরিবার পরিজনকে প্রয়োজনীয় আর্থিক সহযোগিতা দেয়া। যারা আহত হয়েছে, তাদের সুচিকিৎসার ব্যবস্থা ও পুনর্বাসন। ২. আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা। এর বাইরে তাদের আরো কিছু দায়িত্ব ছিল : আন্দোলনে যে নির্মম নিপীড়ন ও হত্যাকাণ্ড হয়েছে এবং এর আগে ফ্যাসিস্ট সরকারের দেড় দশকের শাসনামলে পিলখানা হত্যাকাণ্ড, শাপলা হত্যাকাণ্ডসহ যেসব গুম-খুন হয়েছে, সেগুলোর যথাযথ বিচারের ব্যবস্থা করা, দেশের রাষ্ট্র ব্যবস্থায় প্রয়োজনীয় সংস্কার এনে প্রকৃত অর্থে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে পরিণত করা। একটি গ্রহণযোগ্য ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের মাধ্যমে জনপ্রতিনিধিদের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করা।

প্রফেসর ইউনূসের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার শহীদদের পরিবার-পরিজনকে আর্থিক সাহায্য দিয়েছে। আহতদের চিকিৎসায় উদ্যোগ নিয়েছে। তবে এখনো অনেক আহত জুলাইযোদ্ধা পুরোপুরি সেরে উঠতে পারেনি।

জুলাই আন্দোলনে শহীদ ও আহতদের সাহায্যার্থে জুলাই স্মৃতি ফাউন্ডেশন গঠন করা হয়। তবে বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি অর্থের অভাবে কাজ করতে পারছে না। ইউনূস সরকার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে জুলাই হত্যাকাণ্ডের জন্য দায়ীদের বিচারের উদ্যোগ নিয়েছে। ইতোমধ্যে শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ডসহ কিছু বিচারিক রায়ও এসেছে। গুমের তদন্তের জন্য কমিশন গঠন করে দায়ীদের বিচারের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। তবে এসব বিচারের গতি বাড়ানো দরকার। পিলখানা হত্যাকাণ্ডের অধিকতর তদন্তে একটি কমিশন গঠন করা হয়, দীর্ঘ তদন্তের পর তার রিপোর্ট দেয়া হয়। কিন্তু এখনো কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ডের তদন্তে একটি কমিশন গঠনের দাবি ছিল। সে অনুযায়ী কোনো কমিশন গঠন না করা হলেও আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের (আইসিটি) তদন্ত সংস্থা ২০২৪ সালের ২০ আগস্ট ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ দায়ের করে এ ঘটনার তদন্ত শুরু করে।

বিগত ২৭ জুলাই ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম এ ঘটনাকে সুপরিকল্পিত এবং সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যভিত্তিক ‘জেনোসাইড’ বা ‘গণহত্যা’ হিসেবে অভিহিত করে আনুষ্ঠানিক চার্জশিট দাখিল করেন, যা ট্রাইব্যুনাল আমলে নিয়েছে।

গোল বেঁধেছে রাষ্ট্রসংস্কার প্রশ্নে অন্তর্বর্তী সরকারের গৃহীত উদ্যোগ নিয়ে। প্রফেসর ইউনূসের সরকার ছাত্র-জনতার জোরালো দাবির মুখে রাষ্ট্র সংস্কারের জন্য ঢাকঢোল পিটিয়ে জুলাই সনদ নামে একটি চার্টার প্রণয়ন করে। এটিকে আইনি ভিত্তি দিতে গণভোট অনুষ্ঠিত হয়। যার ভিত্তিতে একটি সংস্কার পরিষদ গঠন করে জুলাই সনদ বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেয়ার কথা। কিন্তু,বিএনপি সরকার নানা অজুহাত খাড়া করে তা বাস্তবায়নে গড়িমসি করছে। অন্য দিকে অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে জারি করা বেশ কিছু মৌলিক সংস্কারবিষয়ক অধ্যাদেশ বিএনপি সরকার জাতীয় সংসদে অনুমোদন করেনি। যার মধ্যে আছে গুম প্রতিরোধ অধ্যাদেশ, সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ, বিচারক নিয়োগ অধ্যাদেশ, দুর্নীতি দমন কমিশন-দুদক শক্তিশালীকরণ অধ্যাদেশ এবং জাতীয় মানবাধিকার কমিশনসংক্রান্ত অধ্যাদেশ।

অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে সংস্কারবিষয়ক আলোচনায় প্রায়শ বিএনপিকে রক্ষণশীল ভূমিকায় দেখা গেছে। কাজেই আজ বিএনপি সরকার সংস্কার প্রশ্নে গণভোটের রায় বাস্তবায়নের ব্যাপারে যে ভূমিকা নিয়েছে, তেমন কিছু ঘটতে পারে সে আশঙ্কা ছিলই। প্রশ্ন হলো, এ বিষয়টি বিবেচনায় না নিয়ে জামায়াতসহ বেশ কিছু দলের দাবি উপেক্ষা করে অন্তর্বর্তী সরকার কেন একই দিনে গণভোট ও জাতীয় নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নিলো? সংস্কার প্রশ্নে সবচেয়ে বেশি সোচ্চার জাতীয় নাগরিক পার্টিও কেন আগে গণভোট অনুষ্ঠানের গুরুত্ব বুঝতে ব্যর্থ হলো? উপরন্তু জামায়াতসহ যেসব দল আগে গণভোট অনুষ্ঠানের দাবি জানিয়েছিল তারাই বা কেন চাপ অব্যাহত রাখল না? এসব প্রশ্নের উত্তর হয়তো এক দিন পাওয়া যাবে। কিন্তু ক্ষতি যা হওয়ার, হয়ে গেছে।

এখন ১১ দলীয় ঐক্যের ব্যানারে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে আন্দোলন চলছে। যদিও বিএনপি সরকার জুলাই সনদ অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করবে বলেছে। কিন্তু কতটা কী করবে বলা মুশকিল। তার মানে জুলাই আন্দোলন যে দাবি সামনে নিয়ে এসেছিল, অন্তর্বর্তী সরকার আরেকটু সিরিয়াস ও দূরদর্শী হলে তারাই সেটি বাস্তবায়ন করে যেতে পারত। এখন তা আদায়ে নতুন লড়াই শুরু হলো। এটি দেশের জন্য তো বটেই, বিএনপির জন্যও ভালো ফল বয়ে আনবে না।

নব্বইয়ের দশকে এবং পরে ২০০১-২০০৬ সালে ক্ষমতায় থাকাকালে তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রশ্নে ভূমিকা তাদের জন্য কী পরিণতি এনেছিল, সেটি নিশ্চয়ই তারা ভুলে যাননি!

আশা করব, সরকার মানুষের আশা-আকাক্সক্ষার প্রতি শ্রদ্ধা দেখিয়ে গণভোট ও জুলাই সনদের আলোকে দ্রুত রাষ্ট্র সংস্কারের যথাযথ উদ্যোগ গ্রহণ করবে।

লেখক : অধ্যাপক ও সাবেক সভাপতি, ফার্মেসি বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়