একটি দেশ ছয় মাসে বদলে দেয়া সম্ভব নয়। কিন্তু একটি সরকারের দিকনির্দেশনা, অগ্রাধিকার, সিদ্ধান্ত গ্রহণের সক্ষমতা এবং রাষ্ট্র পরিচালনার দক্ষতা বোঝার জন্য ছয় মাস কম সময় নয়।
বিএনপি সরকার ইতোমধ্যে ক্ষমতায় ছয় মাস পূর্ণ করেছে। দায়িত্ব নেয়ার সময় সরকার উচ্চ মূল্যস্ফীতি, ব্যাংক খাতের দুর্বলতা, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সঙ্কট, প্রশাসনিক স্থবিরতা, বিনিয়োগের অনিশ্চয়তা এবং আইনশৃঙ্খলা নিয়ে উদ্বেগসহ একটি কঠিন পরিস্থিতি উত্তরাধিকারসূত্রে পেয়েছিল। এ বাস্তবতা অস্বীকার করা ঠিক হবে না। কিন্তু উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া সঙ্কট একটি সরকারের যাত্রার সূচনা ব্যাখ্যা করতে পারে; ছয় মাস পরও প্রত্যাশিত অগ্রগতি না হওয়ার স্থায়ী অজুহাত হতে পারে না।
সরকার প্রথম ১৮০ দিনের জন্য বিভিন্ন মন্ত্রণালয়কে কর্মপরিকল্পনা তৈরির নির্দেশ দিয়েছিল। দ্রব্যমূল্য, আইনশৃঙ্খলা, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সরবরাহ, দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণ এবং প্রশাসনিক কার্যক্রমে গতি আনা ছিল ঘোষিত অগ্রাধিকারের মধ্যে। তাই এখন প্রশ্নটি দেশের সব সমস্যা সমাধান হয়েছে কি না, তা নয়। প্রশ্ন হলোÑ সাধারণ মানুষ কি তাদের দৈনন্দিন জীবনে এমন কোনো পরিবর্তন অনুভব করছেন; যা তাদের বিশ্বাস করায় আগামী দিন আজকের চেয়ে ভালো হবে? এখন পর্যন্ত সেই বিশ্বাস যথেষ্ট শক্তিশালী হয়ে ওঠেনি।
সরকার যে কিছুই করেনি, এমন বলা ন্যায়সঙ্গত হবে না। সামাজিক সুরক্ষা, ফ্যামিলি কার্ড ও ফুয়েল কার্ড, কিছু নিত্যপণ্যে কর হ্রাস, নতুন বাজেট এবং অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের বিভিন্ন উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। কিন্তু রাষ্ট্র পরিচালনায় কর্মকাণ্ড আর অর্জন এক বিষয় নয়। কতটি সভা হয়েছে, কতটি কমিটি হয়েছে কিংবা কতটি সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হয়েছে, এসব প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডের হিসাব; সুশাসনের চূড়ান্ত পরিমাপক নয়। সরকারের প্রকৃত পরীক্ষা নাগরিকের জীবনমানের উন্নয়ন ঘটল কি না তার ওপর।
সাধারণ মানুষের কাছে অর্থনীতির সবচেয়ে বাস্তব সূচক জিডিপি কিংবা বাজেটের আকার নয়, তার রান্নাঘরের বাজার। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য এখনো বহু পরিবারের ক্রয়ক্ষমতার ওপর প্রবল চাপ সৃষ্টি করছে। সমস্যাটি শুধু মূল্যস্ফীতির হার নয়; মূল সমস্যা আয় ও ব্যয়ের ব্যবধান। একজন শ্রমিক, নিম্ন-মধ্যবিত্ত কর্মচারী, অবসরপ্রাপ্ত ব্যক্তি কিংবা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীর আয় যদি দ্রব্যমূল্যের সাথে তাল মিলিয়ে না বাড়ে, তাহলে মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমলেও তার সঙ্কট শেষ হয় না। নাগরিকরা পরিসংখ্যান দিয়ে সংসার চালান না।
তাই সরকারের লক্ষ্য শুধু মূল্যস্ফীতির হার কমানো নয়; নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখা। এ জন্য বাজার গোয়েন্দা ব্যবস্থা শক্তিশালী করা, সরবরাহ শৃঙ্খলের দুর্বলতা দূর করা, বাজার কারসাজি নিয়ন্ত্রণ, পরিবহন ও লজিস্টিক ব্যয় কমানো এবং ঘাটতির আগেই প্রয়োজনীয় আমদানি নিশ্চিত করা দরকার। মাঝে মধ্যে বাজারে অভিযান ও জরিমানা সংবাদের জন্ম দিতে পারে; টেকসই মূল্যস্থিতি তৈরি করতে পারে না।
একইভাবে বিদ্যুৎ, গ্যাস ও জ্বালানি ব্যবস্থাপনা সরকারের সক্ষমতার বড় পরীক্ষা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বাংলাদেশের জ্বালানি সঙ্কট ছয় মাসে তৈরি হয়নি। কিন্তু জনগণ সরকারকে শুধু সঙ্কটের ইতিহাস বলতে দায়িত্ব দেননি, সঙ্কটকে দক্ষতার সাথে মোকাবেলা করার দায়িত্ব দেন।
বাংলাদেশের সমস্যা শুধু বিদ্যুৎ উৎপাদনের নয়। গ্যাস অনুসন্ধান ও উৎপাদন, তা বরাদ্দ, জ্বালানি সংগ্রহ, উৎপাদন দক্ষতা, সঞ্চালন, বিতরণ, সিস্টেম লস এবং চাহিদা ব্যবস্থাপনা, সবকিছু একই ব্যবস্থার অংশ। গ্যাসের ঘাটতিতে বিদ্যুৎ ও শিল্প উৎপাদন ব্যাহত হয়; বিদ্যুতের ঘাটতি কৃষি, ব্যবসায় ও পরিবারকে ক্ষতিগ্রস্ত করে; জ্বালানির উচ্চ ব্যয় পরিবহন ও উৎপাদন খরচ বাড়িয়ে শেষ পর্যন্ত দ্রব্যমূল্যে চাপ সৃষ্টি করে। অর্থাৎ গ্যাস, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও দ্রব্যমূল্য চারটি বিচ্ছিন্ন সমস্যা নয়; এগুলো একই অর্থনৈতিক শৃঙ্খলের অংশ।
দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধান ও উৎপাদন বাড়ানো, সীমিত গ্যাসকে সবচেয়ে দক্ষ বিদ্যুৎকেন্দ্র ও উৎপাদনশীল খাতে অগ্রাধিকার দেয়া, অদক্ষ উৎপাদন কমানো, সঞ্চালন ও বিতরণব্যবস্থা শক্তিশালী করা, সিস্টেম লস হ্রাস এবং নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ ও বিদ্যুৎ সঞ্চয়ব্যবস্থা সম্প্রসারণÑ সবকিছু একটি সমন্বিত জাতীয় জ্বালানি পরিকল্পনার অধীনে আনতে হবে। সঙ্কট মোকাবেলা ও ব্যবস্থাপনা কখনো জ্বালানি নীতির বিকল্প হতে পারে না।
আইনশৃঙ্খলা ও পুলিশের কার্যকারিতাও উদ্বেগের আরেকটি বড় ক্ষেত্র। চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই, চাঁদাবাজি, মাদক, কিশোর গ্যাং, সংঘবদ্ধ অপরাধ কিংবা সহিংসতার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রকে দ্রুত ও আইনের মধ্যে থেকে ব্যবস্থা নিতে হবে। যেখানে রাষ্ট্রকে অপরাধী ভয় পায় না, আর সাধারণ মানুষ অপরাধীকে ভয় পান, সেখানে আইনশৃঙ্খলা সন্তোষজনক বলা যায় না।
গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে পুলিশকে একই সাথে কার্যকর এবং আইনের কাছে জবাবদিহিমূলক হতে হবে। পুলিশকে নিষ্ক্রিয় রেখে জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়; আবার কার্যকর পুলিশের নামে রাজনৈতিক হয়রানি, নির্বিচার গ্রেফতার কিংবা ক্ষমতার অপব্যবহারও গ্রহণযোগ্য নয়। প্রয়োজন আইনের অধীনে শক্তিশালী, পেশাদার, নিরপেক্ষ ও জনবান্ধব পুলিশ। কারণ জননিরাপত্তা শুধু সামাজিক স্থিতিশীলতার নয়; বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারেরও পূর্বশর্ত। কিন্তু সরকারের সামনে আরো বড় একটি প্রশ্ন রয়েছে, আগামী দিনের কর্মসূচি কোথায়?
মানুষ শুধু আজকের বাজারদর নিয়ে উদ্বিগ্ন নন; তারা আগামী দিনের আয় নিয়েও চিন্তিত। বিশেষ করে তরুণদের প্রশ্ন, চাকরি কোথায়? নতুন শিল্প কোথায়? বিনিয়োগ কোথায়? উদ্যোক্তাদের নতুন সুযোগ কোথায়?
দেশের প্রয়োজন একটি বিশ্বাসযোগ্য প্রবৃদ্ধি, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান কর্মসূচি, যেখানে বেসরকারি বিনিয়োগ, দেশী-বিদেশী শিল্প, এসএমই, কৃষিভিত্তিক শিল্প, রফতানি বহুমুখীকরণ, প্রযুক্তি ও যুব কর্মসংস্থানে পরিমাপযোগ্য তিন ও পাঁচ বছরের লক্ষ্য থাকবে। শুধু সঙ্কট সামাল দিয়ে একটি সরকার বর্তমানকে পরিচালনা করতে পারে; কিন্তু জাতিকে ভবিষ্যতের আশা দেখাতে হলে প্রবৃদ্ধি, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানের বিশ্বাসযোগ্য পথও দেখাতে হয়। নাগরিকদের জানতে হবে, আজকের কষ্টের পর আগামীকাল বাংলাদেশ কোথায় যাচ্ছে।
প্রথম ছয় মাসের অভিজ্ঞতা থেকে সম্ভবত সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি এখানে সামনে আসে। সরকারের সবচেয়ে বড় সঙ্কট শুধু অর্থ, গ্যাস বা বিদ্যুতের ঘাটতি নয়; সবচেয়ে বড় সঙ্কট হলো রাষ্ট্রের হাতে থাকা সম্পদ, প্রতিষ্ঠান ও জনবল সমন্বিতভাবে কাজে লাগিয়ে দৃশ্যমান ফল দেয়ার সক্ষমতার ঘাটতি। এর কেন্দ্রে আছে মন্ত্রণালয়ের দুর্বল কার্যসম্পাদন, আন্তঃমন্ত্রণালয় সমন্বয়ের অভাব, সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে ধীরগতি এবং আমলাতান্ত্রিক জড়তা। বাংলাদেশের প্রশাসনে দীর্ঘদিন ধরে ফলের চেয়ে প্রক্রিয়া বেশি গুরুত্ব পেয়েছে। ফাইল এক টেবিল থেকে অন্য টেবিলে যায়। সভা হয়। কমিটি হয়। কিন্তু সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে প্রত্যাশিত গতি আসে না। এর সাথে যুক্ত হয়েছে সিদ্ধান্ত নেয়ার ঝুঁকি এড়িয়ে চলা। সেই সাথে দায়িত্ব অন্যের ওপর চাপানোর সংস্কৃতি। তবে আমলাতন্ত্রের অদক্ষতা যদি ছয় মাস পরও অপরিবর্তিত থাকে, সেটি আর শুধু আমলাতন্ত্রের ব্যর্থতা নয়; তাকে কার্যকর করতে না পারা রাজনৈতিক নেতৃত্বেরও ব্যর্থতা। আমলাদের দোষ দিয়ে মন্ত্রী দায় এড়াতে পারেন না; সচিবও পুরনো ব্যবস্থা ও প্রক্রিয়ার অজুহাত দেখাতে পারেন না।
রাষ্ট্র পরিচালনায় দায়িত্বের শৃঙ্খল স্পষ্ট, রাজনৈতিক নেতৃত্ব দিকনির্দেশনা দেবে। মন্ত্রণালয় সিদ্ধান্ত নেবে। আমলাতন্ত্র বাস্তবায়ন করবে। নাগরিকরা ফল পাবেন। এ শৃঙ্খলের যেকোনো অংশ ঠিকমতো কাজ না করলে শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হয় শাসনব্যবস্থা। এ অবস্থায় প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের আগামী ছয় ও ১২ মাসের জন্য সীমিতসংখ্যক, সময়বদ্ধ ও পরিমাপযোগ্য লক্ষ্য নির্ধারণ করা প্রয়োজন। ফলের জন্য রাজনৈতিকভাবে মন্ত্রী, সচিব প্রশাসনিকভাবে এবং সংস্থাপ্রধান বাস্তবায়নে দায়ী থাকবেন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে নিয়মিত কর্মসম্পাদন মূল্যায়ন করে জনগণের সামনে ফল প্রকাশ করা যেতে পারে। মূল প্রশ্ন হবে খুব সহজÑ কাজটি কী, দায়িত্ব কার, সময়সীমা কত, অগ্রগতি কত এবং ফল কী?
কারণ, ব্যর্থতার যদি কোনো পরিণতি না থাকে, তবে জবাবদিহিরও কোনো অর্থ থাকে না।
সরকারের হাতে এখনো সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সম্পদটি আছেÑ সময়। প্রথম ছয় মাসের সীমাবদ্ধতা পুরো মেয়াদকে ব্যর্থ প্রমাণ করে না। কিন্তু দ্বিতীয় ছয় মাস যদি একই ধীরগতি, সমন্বয়হীনতা ও অদক্ষতায় চলে, তাহলে নাগরিকদের হতাশা রাজনৈতিক অনাস্থায় রূপ নিতে পারে। তাই এখন শত শত অগ্রাধিকারের পরিবর্তে কয়েকটি দৃশ্যমান ফলের ওপর সর্বোচ্চ শক্তি কেন্দ্রীভূত করা দরকার। নিত্যপণ্যের মূল্য মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে আনা। গ্যাস-বিদ্যুৎ-জ্বালানি সরবরাহ স্থিতিশীল করা। আইনশৃঙ্খলার দৃশ্যমান উন্নতি ঘটানো। বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানে গতি আনা। একই সাথে মন্ত্রী, সচিব ও সংস্থাপ্রধানদের পরিমাপযোগ্য জবাবদিহির আওতায় আনা।
একই সাথে সরকারের প্রথম ১৮০ দিনের কর্মসূচির প্রকাশ্য মূল্যায়ন হওয়া উচিত। কোন লক্ষ্য অর্জিত হয়েছে। কোনটি হয়নি। কেন হয়নি, দায়ী কে এবং এখন কী সংশোধন করা হচ্ছে। ব্যর্থতা স্বীকার করা সরকারের দুর্বলতা নয়; তা শনাক্ত করেও সংশোধন না করা প্রকৃত দুর্বলতা।
বাংলাদেশের মানুষ বহু সরকারের বহু প্রতিশ্রুতি শুনেছেন। এখন তারা চান সক্ষমতা, শৃঙ্খলা, নিরাপত্তা এবং ফল।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সামনে তাই মূল চ্যালেঞ্জ রাজনৈতিক ম্যান্ডেটকে রাষ্ট্রীয় সক্ষমতা, অর্থনৈতিক সম্ভাবনা এবং দৃশ্যমান জনকল্যাণে রূপান্তর করা। এ কাজে সফলতা চাইলে দুর্বল মন্ত্রণালয় চিহ্নিত করতে হবে। অদক্ষতা সহ্য করার সংস্কৃতি বন্ধ করতে হবে। আন্তঃমন্ত্রণালয় সমন্বয় বাড়াতে হবে। এ ছাড়া প্রশাসনিক স্থবিরতা ভাঙতে হবে। রাষ্ট্রযন্ত্রকে স্পষ্ট বার্তা দিতে হবে, সভা নয়, ফল চাই; ফাইল নয়, বাস্তবায়ন চাই; ব্যাখ্যা নয়, জবাবদিহি চাই। কারণ, একটি সরকারের সবচেয়ে মূল্যবান রাজনৈতিক সম্পদ শুধু সংসদীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা নয়, জনগণের আশা ও বিশ্বাস। অর্থনৈতিক সঙ্কট মোকাবেলা করা যায়। জ্বালানি ঘাটতি সময় নিয়ে সমাধান করা যায়। দুর্বল প্রতিষ্ঠানও সংস্কার করা যায়। কিন্তু মানুষের বিশ্বাস একবার গভীরভাবে ভেঙে গেলে তা পুনর্গঠন করা অনেক কঠিন।
বিএনপি সরকারের সামনে তাই এখন সবচেয়ে বড় পরীক্ষা শুধু ক্ষমতা পরিচালনা করা নয়, জন-আশা ধরে রাখা। সেই আশা ধরে রাখতে হলে আগামী ছয় মাসে মানুষকে শুধু নতুন ঘোষণা শোনালে চলবে না; তাদের জীবনে পরিবর্তনের প্রমাণ দিতে হবে। প্রতিশ্রুতির সময় দ্রুত ফুরিয়ে আসছে। এখন দক্ষতা প্রমাণের সময়। ফল দেখানোর সময়।
লেখক : সাবেক সংসদ সদস্য