নির্বাচনের মনোনয়নপত্র বাতিল
দ্বিতীয় দিনে আরো ১২২ জনের আপিল
Printed Edition
বিশেষ সংবাদদাতা
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র গ্রহণ ও বাতিলসংক্রান্ত রিটার্নিং কর্মকর্তাদের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় দিনে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) ১২২টি আপিল আবেদন জমা পড়েছে বলে ইসি জানিয়েছে। এই নিয়ে দুই দিনে মোট আপিল আবেদনের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৬৪টি। আগারগাঁওস্থ নির্বাচন ভবনে গতকাল দ্বিতীয় দিনে ইসির আপিল আবেদন গ্রহণসংক্রান্ত কেন্দ্রীয় বুথ থেকে এ তথ্য জানানো হয়।
আপিল আবেদন করতে আসা মনোনয়নপত্র দাখিলকারীরা বলেন, এখানেই যে ধরনের হয়রানির শিকার হচ্ছি, নির্বাচনের মাঠে যখন সব প্রার্থীরা ফিরবে তখন লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিয়ে শঙ্কা রয়েছে। কারণ বড় দলগুলোর প্রার্থীরা আচরণবিধি এখনই মানছে না। মাঠ প্রশাসনও বড় দলের প্রতি ঝুঁকেছে।
ইসি জানায়, মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করে ৭২৩ জনের প্রার্থিতা বাতিল করেছেন সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তারা। তাতে বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে এক হাজার ৮৪২ জন। ইসির তথ্যানুযায়ী, মঙ্গলবার ১০ অঞ্চলে জমা পড়া ১২২টি আপিল আবেদনের মধ্যে রয়েছে- রংপুর অঞ্চলে ১০টি, রাজশাহী অঞ্চলে ১৭টি, খুলনা অঞ্চলে ১৬টি, বরিশাল অঞ্চলে পাঁচটি, ময়মনসিংহ অঞ্চলে ১৬টি, ঢাকা অঞ্চলে ২৩টি, ফরিদপুর অঞ্চলে পাঁচটি, সিলেট অঞ্চলে আটটি, কুমিল্লা অঞ্চলে ১৪টি এবং চট্টগ্রাম অঞ্চলে আটটি।
বগুড়া-৬ আসনের বাসদের মনোনীত দিলরুবা আপিল আবেদন জমা দিয়ে জানান, আয়কর দাখিলের কপি না দেয়ার কারণে বাতিল করা হয়েছে। তিনি বলেন, নির্বাচনী পরিবেশ নিয়ে আশঙ্কা শুরু থেকেই রয়েছে। হাদির হত্যাকারীরা কিভাবে দেশ থেকে পালিয়ে যায়? আর এই কারণেই দেশের বাহিনীগুলোর ওপর আস্থা পাই না। হাদির হত্যাকাণ্ডের পর থেকে প্রার্থীরা আতঙ্কে আছে। তিনি বলেন, রিটার্নিং কর্মকর্তারা প্রার্থীদের অযথা হয়রানি করছে।
নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের গণ অধিকার পরিষদের প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার নাহিদ বলেন, হলফনামাতে আয়-ব্যয়ের হিসাব দেয়া হয়নি। এটি আইনজীবীর ভুল। এতদিন পর ভোট দেয়ার সুযোগ পাচ্ছে দেশের মানুষ। কিন্তু এই নির্বাচন নিয়ে কোনো আমজ নেই- উৎসাহ নেই।