কালজয়ী কণ্ঠশিল্পী আশা ভোসলে পরলোক গমন করেন

Printed Edition
bino-4
কালজয়ী কণ্ঠশিল্পী আশা ভোসলে পরলোক গমন করেন

বিনোদন ডেস্ক

চলে গেলেন আশা ভোসলে। আচমকা অসুস্থ হয়ে পড়ায় শনিবার সঙ্গীতশিল্পীকে ভর্তি করানো হয়েছিল হাসপাতালে। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯২ বছর। শনিবার থেকেই উৎকণ্ঠায় সময় কাটাচ্ছিলেন আশা ভোসলের অনুরাগীরা। শনিবার সন্ধ্যাবেলা হঠাৎই ছড়িয়ে পড়ে তার অসুস্থতার খবর। আচমকাই শরীরে অস্বস্তি শুরু হয় শিল্পীর। নিজের অস্বস্তির কথা এক গৃহকর্মীকে জানিয়েছিলেন তিনি। তখনই হৃদরোগে আক্রান্ত হন তিনি। এমনটাই খবর ছড়ায় হাসপাতাল সূত্রে। যদিও পরে এক্স হ্যান্ডেলে তার নাতনি জানাই ভোসলে লেখেন, ‘আমার ঠাকুরমা খুবই ক্লান্ত। ফুসফুসেও সংক্রমণ হয়েছে। তাই ভর্তি করানো হয়েছে হাসপাতালে। সবাইকে অনুরোধ, দয়া করে আপাতত আমাদের একা ছেড়ে দিন। আমাদের গোপনীয়তাকে সম্মান দিন।’ শিল্পীর পরিবার ও অনুরাগীরা আশা করেছিলেন, খুব তাড়াতাড়ি সব ঠিক হয়ে যাবে। কিন্তু শেষরক্ষা হলো না। আশা ভোসলের মৃত্যুতে সঙ্গীতদুনিয়ার এক অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটল। দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি ভারতের বিভিন্ন ভাষায় অজস্র চলচ্চিত্র ও অ্যালবামের জন্য অসংখ্য গান রেকর্ড করেছেন এবং বহু পুরস্কার অর্জন করেছেন। তিনি দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কারে সম্মানিত হয়েছেন, ২০০৮ সালে পেয়েছেন পদ্মভূষণ। এ ছাড়া, ১৯৯৭ সালে গ্র্যামির জন্য মনোনীত হয়েছিলেন তিনি। তার জনপ্রিয় গানগুলোর মধ্যে অন্যতম- দিল তো পাগল হ্যায়, এক পরদেশী মেরা দিল লে গয়া, তুমসে মিলকে ইত্যাদি।

আশা ভোসলের অসুস্থতায় আরোগ্য কামনা করে একটি পোস্ট করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও। তিনি সামাজিকমাধ্যমে লিখেছিলেন, ‘আশা ভোসলেজি হাসপাতালে শুনে গভীরভাবে চিন্তিত। ওঁর দ্রুত সুস্থতা কামনা করছি।’ শিল্পীর প্রয়াণে শোকের ছায়া ভারতীয় সঙ্গীতজগতে।