মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন পররাষ্ট্রনীতির মূল স্তম্ভ ছিল ইসরাইলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে বিগত বেশ কয়েক দশক ধরে এটিই ছিল ওয়াশিংটনের পররাষ্ট্রনীতির অলিখিত, অলঙ্ঘনীয় এবং সর্বসম্মত নিয়ম। তবে ২০২৬ সালের মাঝামাঝিতে এসে বিশ্ব ভূরাজনীতি ও কূটনীতির মঞ্চে নজিরবিহীন পরিবর্তনের আভাস ক্রমশ স্পষ্ট হয়ে উঠছে। আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠছে, মার্কিন প্রশাসন কি ইসরাইলকে তাদের শীর্ষ কৌশলগত মিত্রের অবস্থান থেকে অবনমিত বা ‘ডাউনগ্রেড’ করতে যাচ্ছে?
সংক্ষিপ্ত ও এক কথার উত্তর হলো, হ্যাঁ- কিছুটা ‘ডাউনগ্রেড’ হওয়ার ঝুঁকি এখন মার্কিন ও আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে বাস্তব ও দৃশ্যমান। কিন্তু আন্তর্জাতিক সম্পর্কের জটিল হিসাব-নিকাশে এটিকে এখনই সরাসরি মার্কিন-ইসরাইল ঐতিহাসিক জোট ভেঙে যাওয়া কিংবা ইসরাইলকে আনুষ্ঠানিকভাবে একটি কম গুরুত্বপূর্ণ মিত্র হিসেবে ঘোষণা করার পর্যায়ে ফেলা মোটেও বাস্তবসম্মত হবে না।
বরং ২০২৬ সালের মধ্যভাগে এসে যে ভূরাজনৈতিক রূপান্তরটি সবচেয়ে জোরালোভাবে ফুটে উঠছে সেটি হলো, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল সম্পর্ক অতীতের অসঙ্কোচ ও স্বতঃস্ফূর্ত ‘বিশেষ সম্পর্ক’ থেকে একটি ‘শর্তসাপেক্ষ কৌশলগত অংশীদারত্বে’ পরিণত হওয়ার পথে এগোচ্ছে।
কেন তৈরি হচ্ছে এই রূপান্তরের ধারণাপট
সাম্প্রতিক সময়ে হোয়াইট হাউজের নেয়া কিছু কূটনৈতিক পদক্ষেপ মধ্যপ্রাচ্যের পরাশক্তি কাঠামোতে গভীর তরঙ্গাভিঘাত সৃষ্টি করেছে। এই রূপান্তরের মূল উৎস নিহিত গাজাযুদ্ধ এবং ইরানবিষয়ক ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন ভূরাজনৈতিক কৌশলের গভীরে।
ট্রাম্প প্রশাসন বর্তমানে এমন এক বৃহৎ আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক কাঠামো পুনর্গঠন করতে চাইছে, যেখানে দ্রুত যুদ্ধ বন্ধ, ইরানের সাথে একটি টেকসই কৌশলগত সমঝোতা এবং উপসাগরীয় আরব দেশগুলোর শক্তিশালী অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা সহযোগিতা মার্কিন জাতীয় স্বার্থের কেন্দ্রে অবস্থান করছে। এই সামগ্রিক কৌশলে ওয়াশিংটন নিজের বৈশ্বিক অবস্থান অক্ষুণ্ন রাখা এবং মধ্যপ্রাচ্যে চীন ও রাশিয়ার ক্রমবর্ধমান প্রভাব রোধের ওপর সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে।
এই ধারার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সঙ্কেত এসেছে গাজা ও ইরান প্রশ্নে ওয়াশিংটনের সাম্প্রতিক অবস্থান থেকে। ২০২৬ সালের জুন মাসে অনুষ্ঠিত মার্কিন-ইরান পরোক্ষ সমঝোতা সংলাপে ইসরাইলকে আলোচনার অংশ বা মূল পরামর্শক করা হয়নি। এটি ছিল ওয়াশিংটনের ঐতিহ্যগত মধ্যপ্রাচ্য নীতির প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও অভূতপূর্ব এক কৌশলগত বিচ্যুতি। ইতিহাস বলে, ইরানসংক্রান্ত যেকোনো সিদ্ধান্ত বা নীতিনির্ধারণে তেল আবিবের মতামত ছিল ওয়াশিংটনের জন্য অত্যন্ত সংবেদনশীল বিষয়।

এর থেকেও বড় রাজনৈতিক ধাক্কাটি আসে ১০ আগস্ট ২০২৬-এর সর্বশেষ ঘটনার পর। হোয়াইট হাউজ সমর্থিত ১৫ দফার একটি নতুন গাজা শান্তি প্রস্তাব টেবিলে আনা হয়। এই পরিকল্পনায় হামাসের ধাপে ধাপে নিরস্ত্রীকরণের বিনিময়ে গাজা উপত্যকা থেকে ইসরাইলি বাহিনীর ধারাবাহিক ও শর্তসাপেক্ষ প্রত্যাহারের সুনির্দিষ্ট রূপরেখা দেয়া হয়। হামাস যখন এই প্রস্তাবের প্রাথমিক কাঠামোর প্রতি ইতিবাচক সায় দেয়, ঠিক তখনই ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু প্রকাশ্যে এই পরিকল্পনা প্রত্যাখ্যান এবং ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
নেতানিয়াহুর কঠোর বিরোধিতা সত্ত্বেও ট্রাম্প প্রশাসন তাদের প্রস্তাবিত শান্তি পরিকল্পনা থেকে পিছিয়ে আসেনি বা সেটি স্থগিত করেনি। এই ঘটনা স্পষ্ট করে যে, ওয়াশিংটন যখন কোনো পদক্ষেপকে তাদের নিজস্ব বৃহত্তর আঞ্চলিক কৌশল বা মার্কিন স্বার্থের অংশ হিসেবে দেখবে, তখন ইসরাইল সেই নীতির সাথে পুরোপুরি একমত না হলেও ট্রাম্প প্রশাসন ইসরাইলকে পাশ কাটিয়ে বা তাদের ওপর কূটনৈতিক চাপ সৃষ্টি করে নিজেদের পরিকল্পনা বাস্তবায়নে প্রস্তুত; এমন এক অভূতপূর্ব বার্তা এখানে নিহিত রয়েছে।
জোটের স্থায়িত্ব : মুদ্রার অপর পিঠ ও গভীর সামরিক নির্ভরতা
তবে কেবল এই অসন্তোষ থেকে ‘যুক্তরাষ্ট্র ইসরাইলকে ছেড়ে দিচ্ছে’ বা তাদের রাতারাতি কূটনৈতিকভাবে নিঃসঙ্গ করে দিচ্ছে, এমন সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়া হবে ভূরাজনৈতিক অপরিপক্বতা। মার্কিন-ইসরাইল সামরিক, প্রযুক্তিগত ও গোয়েন্দা কাঠামোর শিকড় অনেক গভীরে।
মার্কিন কংগ্রেশনাল রিসার্চ সার্ভিসের (সিআরএস) জুলাই ২০২৬-এর হালনাগাদ মূল্যায়নে সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে, দুই দেশের সামরিক ও নিরাপত্তা সংস্থাগুলো প্রাতিষ্ঠানিক স্তরে অত্যন্ত নিবিড়ভাবে যুক্ত। গত কয়েক দশক ধরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অনুদান ও উন্নত প্রযুক্তি ছিল ইসরাইলের সামরিক শ্রেষ্ঠত্ব বজায় রাখার মূল চাবিকাঠি।
বরং আরো গভীর দৃষ্টি দিলে দেখা যায়, ২০২৬ সালের মে মাসে দুই দেশ ২০২৮ সালে বর্তমান ১০ বছর মেয়াদি প্রতিরক্ষা সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) শেষ হওয়ার পর নতুন নিরাপত্তা কাঠামো নিয়ে আনুষ্ঠানিক দ্বিপক্ষীয় আলোচনা শুরু করেছে। ইসরাইলি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মূল্যায়ন অনুযায়ী, এই নতুন আলোচনার মূল লক্ষ্য হলো কেবল সামরিক অনুদান-নির্ভর সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে যৌথ গবেষণা, প্রযুক্তিগত উন্নয়ন ও যৌথ অস্ত্র উৎপাদনের হার বাড়ানো।
এর মাধ্যমে দুই দেশ তাদের দীর্ঘদিনের সহায়তা-নির্ভর সম্পর্ক আরো পরিণত ‘পারস্পরিক স্বনির্ভর অংশীদারত্বে’ রূপান্তর করতে চাইছে। অতএব, এটি কোনো সরলরৈখিক ‘যুক্তরাষ্ট্র ইসরাইলকে ছুড়ে ফেলছে’ মার্কা সহজ গল্প নয়; বরং একটি প্রাতিষ্ঠানিক রি-অ্যালাইনমেন্ট বা পুনর্বিন্যাস।
ভূরাজনৈতিক রূপান্তরের তিন প্রধান স্তর
আমাদের বিশ্লেষণে, ওয়াশিংটন ও তেল আবিবের বর্তমান সুসম্পর্কের এই গুণগত ও কাঠামোগত পরিবর্তন প্রধানত তিনটি মৌলিক স্তরে ঘটছে :
১. ইসরাইল-কেন্দ্রিক থেকে মার্কিন-কেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি : আগে ওয়াশিংটনের মধ্যপ্রাচ্য নীতিতে ইসরাইলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা ছিল প্রায় স্বয়ংক্রিয় ও সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। কিন্তু বর্তমানে ট্রাম্প প্রশাসন ইসরাইলের নিরাপত্তাকে মার্কিন বৃহত্তর বিশ্বকৌশল ও আঞ্চলিক লক্ষ্য ইরানের সাথে ভারসাম্য রক্ষা, উপসাগরীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা, অর্থনীতি ও বাণিজ্যিক পথ সুগম রাখা এবং যুদ্ধ বন্ধের অধীন অথবা পরিপূরক শর্ত হিসেবে দেখতে চাইছে।
২. ব্ল্যাঙ্ক চেক থেকে শর্তসাপেক্ষ অংশীদারত্ব : ইসরাইলের নিরাপত্তা ও অস্তিত্বের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের ঐতিহাসিক অঙ্গীকার বজায় থাকলেও, সেই সমর্থনের বিনিময়ে ওয়াশিংটন এখন ইসরাইলি সরকারের কাছ থেকে দায়িত্বশীল ও সুনির্দিষ্ট রাজনৈতিক আচরণ প্রত্যাশা করছে। বিশেষ করে গাজায় মানবিক সঙ্কট সামাল দেয়া, লেবানন সীমান্ত স্থিতিশীল রাখা এবং ফিলিস্তিন রাষ্ট্রগঠনের সুদূরপ্রসারী সম্ভাবনা একতরফাভাবে নস্যাৎ করার প্রশ্নে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান এখন আগের চেয়ে কঠোর।
৩. একচ্ছত্র ইসরাইল-নির্ভরতা থেকে নেটওয়ার্কড মধ্যপ্রাচ্য : যুক্তরাষ্ট্র এখন কেবল ইসরাইলকে মধ্যপ্রাচ্যের একমাত্র ভরসা বা আঞ্চলিক পুলিশ হিসেবে না দেখে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই), কাতার, এমনকি তুরস্কের মতো একাধিক প্রভাবশালী আঞ্চলিক শক্তিকে একই নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক কাঠামোর অধীনে আনতে চাইছে। এর ফলে সামগ্রিকভাবে মধ্যপ্রাচ্যে ইসরাইলের আপেক্ষিক ও একক কৌশলগত প্রাধান্য কিছুটা কমতে পারে, যদিও তার নিজস্ব প্রযুক্তিগত ও সামরিক গুরুত্ব হ্রাস পাচ্ছে না।
আসল পরীক্ষা : ২০২৮ সালের নতুন নিরাপত্তা চুক্তি
মার্কিন-ইসরাইল সম্পর্কের ভবিষ্যতের প্রকৃত দিকনির্দেশনা পাওয়া যাবে ২০২৮ সালের নতুন ১০ বছর মেয়াদি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের টেবিলে। বর্তমান সমঝোতা স্মারকের মেয়াদ ২০২৮ সালে শেষ হচ্ছে। নতুন চুক্তি নির্ধারণের ক্ষেত্রে নিম্নলিখিত বিষয়গুলো আসল সূচক হিসেবে কাজ করবে :
যুক্তরাষ্ট্র কি সরাসরি বিলিয়ন ডলারের সামরিক অনুদান কমিয়ে দেবে এবং সেটিকে কেবল যৌথ প্রযুক্তি উন্নয়ন ও বাণিজ্যিক বিক্রয়ে রূপান্তর করবে?
ইসরাইলি প্রতিরক্ষা শিল্পে মার্কিন প্রযুক্তির ব্যবহার ও যৌথ গবেষণার ক্ষেত্রে ওয়াশিংটন নতুন কোনো আইনি বা প্রযুক্তিগত নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে কি না।
মার্কিন সরবরাহকৃত অস্ত্র ব্যবহারের ওপর কোনো রাজনৈতিক বা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার-সংক্রান্ত সুনির্দিষ্ট শর্ত যুক্ত করা হয় কি না।
মার্কিন প্রতিরক্ষা সহায়তা ও কূটনৈতিক ছত্রছায়াকে কি গাজা ও পশ্চিম তীরে ইসরাইলের বসতি স্থাপন ও বেসামরিক নীতি পরিবর্তনের সাথে শর্তযুক্ত করা হবে?
নতুন চুক্তিতে ইসরাইলকে মধ্যপ্রাচ্যের একক প্রধান সামরিক অংশীদার হিসেবে দেখা হবে, নাকি সমান গুরুত্বপূর্ণ একাধিক আঞ্চলিক নিরাপত্তা সহযোগীর একজন হিসেবে গণ্য করা হবে?
অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক চাপ ও কূটনৈতিক সঙ্কেত
এই ভূরাজনৈতিক সমীকরণের পেছনে মার্কিন অভ্যন্তরীণ রাজনীতির চাপও অত্যন্ত স্পষ্ট। ২০২৬ সালের জুলাই মাসে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির জ্যেষ্ঠ ব্যক্তিত্ব ও সাবেক প্রভাবশালী মার্কিন কর্মকর্তা রাহম ইমানুয়েল অত্যন্ত জোরালোভাবে সতর্ক করে দিয়ে বলেন, ইসরাইল যদি তার ফিলিস্তিনসংক্রান্ত চরমপন্থী রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন না করে, তবে ওয়াশিংটনের রাজনৈতিক ক্যাপিটলে তাদের ঐতিহ্যগত দ্বিপক্ষীয় সমর্থনভিত্তি চরম ঝুঁকিতে পড়তে পারে।
অন্যদিকে, ওয়াশিংটনের অনেক বাস্তববাদী পররাষ্ট্রনীতি বিশ্লেষক ও কৌশলবিদ সতর্ক করছেন, ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর মধ্যকার ব্যক্তিত্বের সঙ্ঘাত বা কূটনৈতিক মতদ্বৈধতাকে ‘জোট ভেঙে যাওয়া’ হিসেবে দেখা এক ধরনের অতিরঞ্জন। দুই দেশের সামরিক, সাইবার ও গোয়েন্দা কাঠামোর মধ্যকার প্রাতিষ্ঠানিক বন্ধন এখনো বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী অক্ষ।
ডাউনগ্রেড নয়, এটি ‘রি-ক্লাসিফিকেশন’
সার্বিক বিশ্লেষণ শেষে এই পরিবর্তনের গতিপথকে ‘ডাউনগ্রেড’ না বলে বরং ভূরাজনীতির পরিভাষায় ‘রি-ক্লাসিফিকেশন’ বা পুনর্শ্রেণিবিন্যাস বলাই সঙ্গত হবে।
অতীতের মডেল ছিল : ইসরাইল = মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের অপরিহার্য ও বিকল্পহীন মিত্র; উদীয়মান নতুন মডেল হতে পারে : ইসরাইল = মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম প্রধান কৌশলগত অংশীদার।
শব্দচয়নের এই পার্থক্যটি দেখতে ছোট মনে হলেও ভূরাজনীতি ও বিশ্ব কূটনীতির মানচিত্রে এর প্রভাব সুদূরপ্রসারী। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, ইসরাইলকে সামাজিকভাবে বা সামরিকভাবে দুর্বল করা মার্কিন প্রশাসনের লক্ষ্য নাও হতে পারে; বরং লক্ষ্য হতে পারে ইসরাইলকে এমন একটি বৃহৎ আঞ্চলিক কাঠামোর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করা, যেখানে ওয়াশিংটনের সর্বাধিনায়কের সিদ্ধান্তকে দেশটি একতরফাভাবে নিজের অভ্যন্তরীণ রাজনীতির স্বার্থে প্রভাবিত বা অকার্যকর করতে পারবে না।
এ কারণেই ১০ আগস্ট ২০২৬-এর গাজা শান্তি প্রস্তাব এবং নেতানিয়াহুর প্রত্যাখ্যানকে বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবে না দেখে, মার্কিন-ইসরাইল সম্পর্কের ক্ষমতার ভারসাম্য পুনর্নির্ধারণের গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা হিসেবে দেখাই বেশি যুক্তিযুক্ত।
লেখক : নির্বাহী সম্পাদক, নয়া দিগন্ত