ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের হামলায় বিপাকে পাকিস্তান

Printed Edition

আলজাজিরা

ইরানের বিরুদ্ধে ইসরাইল-যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ গতকাল রোববার পর্যন্ত নবম দিনে গড়েছে। এই যুদ্ধ কবে থামছে- তার লক্ষণ এখন পর্যন্ত পাওয়া যাচ্ছে না। তাদের এই যুদ্ধের প্রভাব ভালোভাবে টের পাচ্ছে পাকিস্তান। মধ্যপ্রাচ্যের এই সঙ্ঘাতপূর্ণ পরিস্থিতি যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘ দিনের মিত্র পাকিস্তানকে কূটনীতিকভাবে কঠিন এক অবস্থায় ফেলেছে।

ইরানের দক্ষিণ-পশ্চিম সীমান্তে পাকিস্তানের প্রায় ৯০০ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্ত রয়েছে। দেশটির লাখ লাখ শ্রমিক সৌদি আরব ও অন্যান্য উপসাগরীয় দেশে কাজ করেন। গত বছর পাকিস্তান আনুষ্ঠানিকভাবে পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তি করে রিয়াদের সাথে দীর্ঘ দিনের সম্পর্ক আরো জোরদার করে। দেশ দুইটির এই চুক্তি অনুযায়ী, এক পক্ষের ওপর আগ্রাসনকে উভয়ের ওপর আগ্রাসন হিসেবে বিবেচনা করার অঙ্গীকার রয়েছে। এই যুদ্ধ শুরুর পর ইরান উপসাগরীয় দেশগুলোকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। তাই পাকিস্তানে একটি প্রশ্ন ক্রমেই জোরালো হয়ে উঠছে- যদি এই যুদ্ধে ইসলামাবাদও জড়িয়ে পড়ে, তাহলে তাদের পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে?

এখন পর্যন্ত পাকিস্তানের প্রতিক্রিয়া মূলত কূটনৈতিক তৎপরতায় সীমিত রয়েছে। দেশটি আঞ্চলিক নেতাদের সাথে, বিশেষ করে ইরান ও সৌদি আরবসহ সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সাথে যোগাযোগ বাড়িয়েছে। ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরাইল-যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলা শুরু হলে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হন। পাকিস্তান এ হামলাকে ‘অযৌক্তিক’ বলে নিন্দা জানায়।