নিরাপদ সড়ক চাইয়ের কম্বল বিতরণ

Printed Edition
bangla-6
নিরাপদ সড়ক চাইয়ের কম্বল বিতরণ

নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) এবং মোহাম্মদপুর বিআরটিসি বাস ডিপো পরিচালনা কমিটির উদ্যোগে পরিবহন শ্রমিকদের মধ্যে কম্বল বিতরণ করা হয়েছে। নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) মোহাম্মদপুর অঞ্চলের আহ্বায়ক সাংবাদিক আ ফ ম মশিউর রহমানের সভাপতিত্বে ও সদস্যসচিব মো: শাহীনের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত পরিবহন শ্রমিকদের মধ্যে কম্বল বিতরণ কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের উপদেষ্টা রবিউল ইসলাম রুবেল। সার্বিক সহযোগিতা করেছেন বিআরটিসি মোহাম্মদপুর বাস ডিপোর ম্যানেজার দীপন চাকমা ও ট্রাফিক প্রধান আব্দুল ওয়াহাব। আরো উপস্থিত ছিলেন আমাদের মোহাম্মদপুর সামাজিক সংগঠনের সভাপতি ইসমাইল পাটোয়ারী, বিশিষ্ট সমাজসেবক আলী আহমদ মজুমদার, সাইফুর রহমান, শ্রমিক নেতা অহিদুর রহমান, বিআরটিসি বাস ডিপো পরিচালনা কমিটির সদস্য আব্দুল হামিদ, আবুল কালাম আজাদ রিপন, মজনু মোল্লা আরিফ এবং বিআরটিসির ইমরান, মজিবুর রহমান, রুবেল, জাকির হোসেনসহ বিভিন্নপর্যায়ের কর্মচারীরা। বিজ্ঞপ্তি।

কনস্টেবলের হেনস্থার শিকার গাজীপুরের ব্যবসায়ী

ষ গাজীপুর মহানগর প্রতিনিধি

পুলিশের ব্যাজ কি অপরাধের ঢাল হয়ে উঠছে? এমন প্রশ্ন ঘিরে গাজীপুরে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কনস্টেবল শাহিন নূর আলমের বিরুদ্ধে ভয়ভীতি প্রদর্শন, প্রতারণা ও ক্ষমতার অপব্যবহারের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী এক ব্যবসায়ী দাবি করেছেন, প্রভাবশালী পরিচয় কাজে লাগিয়ে তাকে একের পর এক মামলায় জড়িয়ে হয়রানি করা হচ্ছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, কনস্টেবল শাহিন নূর আলম পূর্বে ফ্যাসিবাদ সরকারের সময়ে জিএমপির একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তার বডিগার্ড ছিলেন। সে সময় প্রভাব খাটিয়ে তিনি গাজীপুরে একটি সিন্ডিকেট গড়ে তোলেন। সরকার পতনের পর তাকে এসবিতে বদলি করা হলেও তার ভাইদের মাধ্যমে গাজীপুরে ওই সিন্ডিকেটের কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, গত ১২ অক্টোবর বাসন থানায় তদন্ত কর্মকর্তার উপস্থিতিতে কনস্টেবল শাহিন ও তার ভাই মোহাব্বত আলম তার মোবাইল ফোন ও চেক ফেরত দেয়ার কথা স্বীকার করেন। কিন্তু প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে পরে নেত্রকোনায় চারটি চেক ডিসঅনার মামলা দায়ের করা হয়, যার মোট টাকার পরিমাণ ৪২ লাখ টাকার বেশি। মামলাগুলো অভিযুক্তের নিজ এলাকায় করায় ভুক্তভোগীকে মানসিক ও ভৌগোলিক চাপে ফেলতেই এমন কৌশল নেয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন মামুনের আইনজীবীরা।

এ ছাড়া ১৫ অক্টোবর ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সামনে প্রকাশ্যে হুমকি দেয়ার অভিযোগও রয়েছে। মামুন বলেন, তাকে ‘গায়েব করে দেয়ার’ ভয় দেখানো হয়। এর পরপরই নেত্রকোনায় মামলা হওয়ায় ঘটনাটিকে কাকতালীয় মনে করছেন না স্থানীয়রা।

এ বিষয়ে তদন্তে গাফিলতির অভিযোগও উঠেছে। মামুন দাবি করেন, তদন্ত কর্মকর্তারা তার দেয়া অডিও, কাগজপত্র ও অন্যান্য প্রমাণ গ্রহণ করেননি। স্থানীয় ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, কনস্টেবল শাহিন ও তার ভাইয়েরা মিলেই একটি সংঘবদ্ধ প্রতারণা চক্র পরিচালনা করছেন।

ভুক্তভোগী ও সচেতন মহলের দাবি, অভিযুক্ত কনস্টেবলকে দ্রুত দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করে নিরপেক্ষ ও উচ্চপর্যায়ের তদন্তের মাধ্যমে সত্য উদঘাটন করা হোক। অন্যথায় আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর সাধারণ মানুষের আস্থা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।