নাটোরে ৪টি আসনে ১৮ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত
Printed Edition
নাটোর প্রতিনিধি
এবারের নির্বাচনে নাটোর জেলার চারটি সংসদীয় আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা ২৭ প্রার্থীর মধ্যে ১৮ জনই প্রয়োজনীয় ভোটের হার অর্জনে ব্যর্থ হওয়ায় জামানত হারিয়েছেন। জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
রিটার্নিং কর্মকর্তার ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, নাটোর-১ (লালপুর-বাগাতিপাড়া) আসনে মোট ভোট পড়েছে ২ লাখ ৭৪ হাজার ৪০৯টি। এ আসনে জামানত রক্ষার জন্য ন্যূনতম প্রয়োজন ছিল ৩৪ হাজার ৩০১ ভোট। তবে জাতীয় পার্টির প্রার্থী সাহেদ আলী জিন্নাহ (লাঙ্গল) পেয়েছেন মাত্র ৫৫২ ভোট। ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী আব্দুল্লাহিল বাকী (হাতপাখা) পেয়েছেন ১ হাজার ২৬৯ ভোট। গণঅধিকার পরিষদের মেহেদী হাসান (ট্রাক) পেয়েছেন ২৯৮ ভোট, বাংলাদেশ বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির আনছার আলী (কোদাল) পেয়েছেন ২৭৬ ভোট এবং গণসংহতি আন্দোলনের সেন্টু আলী (মাথাল) পেয়েছেন ২৮১ ভোট। এছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ ইয়াসির আরশাদ (ঘোড়া) পেয়েছেন ৮০ ভোট এবং মোয়াজ্জেম হোসেন (হরিণ) পেয়েছেন ১১৫ ভোট।
নাটোর-২ (সদর-নলডাঙ্গা) আসনে মোট ভোট পড়েছে ৩ লাখ ৫ হাজার ৩৫০টি। এখানে জামানত রক্ষায় প্রয়োজন ছিল ন্যূনতম ৩৮ হাজার ১৬৯ ভোট। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী দু’জনের বাইরে বাকি চার প্রার্থী এই শর্ত পূরণে ব্যর্থ হন। তাদের মধ্যে জাতীয় পার্টির রকিব উদ্দিন কমল (লাঙ্গল) পেয়েছেন ২ হাজার ৫৮৭ ভোট, ইসলামী আন্দোলনের মোহাম্মদ আলী সিদ্দিকী (হাতপাখা) পেয়েছেন ২ হাজার ৭৫৭ ভোট, গণসংহতি আন্দোলনের তাহামিদা ইসলাম তানিয়া (মাথাল) পেয়েছেন ৪৬৪ ভোট এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী ড. মো. নুরন্নবী মৃধা (ফুটবল) পেয়েছেন ৬২১ ভোট।
নাটোর-৩ (সিংড়া) আসনে প্রদত্ত ভোটের সংখ্যা ২ লাখ ৩৩ হাজার ৫৮১টি। জামানত রক্ষায় প্রয়োজন ছিল ২৯ হাজার ১৯৭ ভোট। এই আসনে চারজন প্রার্থী শর্ত পূরণ করতে না পারায় জামানত হারিয়েছেন। তাদের মধ্যে জাতীয় নাগরিক পার্টির এস এম জার্জিস কাদির (শাপলা কলি) পেয়েছেন ২০ হাজার ৭০৭ ভোট, জাতীয় পার্টির আশীক ইকবাল (লাঙ্গল) পেয়েছেন ২ হাজার ১১৯ ভোট, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের খলিলুর রহমান (হাতপাখা) পেয়েছেন ১৯ হাজার ১০৫ ভোট এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী দেলোয়ার হোসেন (ফুটবল) পেয়েছেন ৩৭২ ভোট।
নাটোর-৪ (বড়াইগ্রাম-গুরুদাসপুর) আসনে মোট ভোট পড়েছে ৩ লাখ ১৯ হাজার ১৪১টি। এ আসনে জামানত রক্ষায় প্রয়োজন ছিল ৩৯ হাজার ৮৯২ ভোট। বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীদের বাইরে তিন প্রার্থী জামানত রক্ষা করতে পারেননি। তারা হলেন- জাতীয় পার্টির ইউসুফ আহমদ (লাঙ্গল), যিনি পেয়েছেন ২ হাজার ৭৯৯ ভোট। ইসলামী আন্দোলনের মো. এমদাদুল্লাহ (হাতপাখা) পেয়েছেন ৩ হাজার ৮৪৫ ভোট এবং আমার বাংলাদেশ পার্টির মো. মোকছেদুল মোমিন (ঈগল) পেয়েছেন ২৫৯ ভোট।