‘আমার ভাই হাসপাতালে টানা ৩ ঘণ্টা পড়েছিল প্রশাসনের সাড়া পাইনি’
Printed Edition
ববি প্রতিনিধি
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী ইয়াসিন আরাফাত সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হয়ে হাসপাতালে টানা তিন ঘণ্টা পড়ে থাকলেও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছ থেকে সময়মতো কোনো সাড়া না পাওয়ার অভিযোগ তুলেছেন তার সহপাঠী ও শিক্ষার্থীরা। গত রাতে সে মারা যান।
সহপাঠী ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, সড়ক দুর্ঘটনার পর ইয়াসিন আরাফাতকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে তার শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি হলে চিকিৎসকরা তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য জরুরি ভিত্তিতে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরের পরামর্শ দেন।
ইয়াসিনের শারীরিক অবস্থার কথা বিবেচনা করে দ্রুত অ্যাম্বুলেন্স ও প্রয়োজনীয় সহযোগিতার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বারবার বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেন। তবে টানা তিন ঘণ্টা পার হয়ে গেলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো কার্যকর সাড়া বা সাহায্য মেলেনি বলে অভিযোগ শিক্ষার্থীদের। বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী মৃত্যুঞ্জয় বলেন, আমার ভাই ইয়াসিন আরাফাত দুর্ঘটনার শিকার হয়ে হাসপাতালে টানা তিন ঘণ্টা পড়ে ছিল। আমরা বারবার বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেছি। ফোন দিয়েছি, সহযোগিতা চেয়েছি। কিন্তু কোনো সাড়া পাইনি।
উল্লেখ্য,বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন দপদপিয়া সেতু এলাকায় বিআরটিসির একটি বাসের সাথে যাত্রীবোঝাই থ্রি-হুইলারের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই একজন নিহত হন এবং পাঁচজন আহত হন। আহতদের মধ্যে শিক্ষার্থী ইয়াসিন আরাফাতও ছিলেন। ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত রাত সাড়ে ১০টায় মারা যান।