জাগলারচরে ৬ জন নিহতের ঘটনায় রাজনৈতিক নেতাকর্মীরাও আসামি
Printed Edition
হাতিয়া (নোয়াখালী) সংবাদদাতা
নোয়াখালীর দ্বীপ হাতিয়ায় সম্প্রতি বিচ্ছিন্ন জাগলারচরের দখল নিয়ে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে ছয়জন নিহতের ঘটনায় দুইটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। এতে এনসিপি, বিএনপি ও নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী রাজনৈতিক দলের পদধারী অনেক নেতাকর্মীর নাম মামলার আসামির তালিকায় রয়েছেন।
সংঘর্ষে ছয় ব্যক্তির নিহতের ঘটনায় দুইটি হত্যা মামলা দায়ের হয়েছে। এর একটি মামলার বাদি আবুল বাসার। সে হলো সামছু গ্রুপের প্রধান কোপা সামছুর ভাই। অপর মামলার বাদি প্রতিপক্ষের নিহত আলাউদ্দিনের বাবা মহিউদ্দিন।
আবুল বাসারের করা মামলায় ১নং আসামি করা হয়েছে চরকিং ইউনিয়নের মনির উদ্দিন মেম্বারকে। পদবি না থাকলেও তিনি বিএনপির একজন সক্রিয় কর্মী। মামলায় ৩০নং আসামি মো: রাসেল সুখচর ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক। ২৮নং আসামি ফিরোজ উদ্দিন সুখচর ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সি: যুগ্ম আহ্বায়ক।
অপর দিকে মহিউদ্দিনের করা মামলায় ১৯নং আসামি হলেন নেয়ামত উল্যাহ নীরব। তিনি এনসিপির হাতিয়া উপজেলা ছাত্রশক্তির আহ্বায়ক। ৩নং আসামি হলেন এনসিপির সুখচর ইউনিয়নের আহ্বায়ক ফরিদ উদ্দিন। এ ছাড়া একই মামলার অন্যান্য আসামির মধ্যে সালাউদ্দিন, মো. ইউসুফ, আবুল কালাম আজাদ, মো: নুরউদ্দিন এনসিপির সক্রিয় সদস্য ছাড়াও ২১জন আসামির মধ্যে অধিকাংশ এনসিপির রাজনীতির সাথে জড়িত। এই মামলার ১৬নং আসামি একরাম উদ্দিন চরকিং ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য। তিনি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সদস্য। ১২নং আসামি সমির উদ্দিন হরণী ইউনিয়ন যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক।
হাতিয়া থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: সাইফুল আলম বলেন, জাগলার চরের সংঘর্ষে নিহত শামছুর ভাই আবুল বাশার বাদি হয়ে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। জেলা সদর হাসপাতালে নেয়ার পর মৃত্যু হয় আলাউদ্দিনের। দুইদিন পরে আলাউদ্দিনের বাবা থানায় এসে মামলা করেছেন। আসামিদের গ্রেফতারে আমাদের অভিযান চলমান আছে।