সাভারে ৭ বছরের শিশু ও ডিমলায় নবম শ্রেণীর ছাত্রীকে গণধর্ষণ
Printed Edition
নয়া দিগন্ত ডেস্ক
ঢাকার সাভারের বিরুলিয়ায় সাত বছরের শিশু ধর্ষণ ও নীলফামারীর ডিমলায় নবম শ্রেণীর ছাত্রী গণধর্ষণের শিকার হয়েছে। এ ঘটনায় সাভার মডেল থানায় ও ডিমলা থানায় দুই যুবককে আসামি করে পৃথক দু’টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
সাভার (ঢাকা) সংবাদদাতা জানান, সাভারের বিরুলিয়া ইউনিয়নের দত্তপাড়া এলাকায় সাত বছরের শিশুকে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এ অভিযোগে সাভার মডেল থানায় মামলা হওয়ার পর শিশুটিকে গতকাল মঙ্গলবার ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) ভর্তি করা হয়েছে। মামলার আসামি অভিযুক্ত বাড়ির মালিক আব্দুল বারেককে (৬৫) আটকের অভিযান চলছে। এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন সাভার মডেল থানা ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা (এসআই) আল-আমিন। থানা সূত্রে জানা যায়, সোমবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে অভিযুক্ত আব্দুল বারেক শিশুকে ধর্ষণ করলে রাত ১০টার সময় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯ থেকে ফোন দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুটিকে উদ্ধার করেন। পরে সকালে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) তাকে ভর্তি করা হয়। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত পলাতক রয়েছে। সাভার মডেল থানায় ধর্ষণের অভিযোগে বাড়িওয়ালার বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী পরিবার।
নীলফামারী প্রতিনিধি জানান, নীলফামারীর ডিমলায় নবম শ্রেণীর এক ছাত্রীকে ৫ ঘণ্টা আটক রেখে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় দুই যুবককে আসামি করে ডিমলা থানায় মামলা দায়ের করেছেন ওই ছাত্রীর নানী। গত সোমবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ডিমলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শওকত আলী সরকার। অভিযুক্তরা হলেন- উপজেলার খালিশা চাপানী ইউনিয়নের তালতলা সরকারপাড়া গ্রামের গ্রামের রবিউল ইসলাম শুকারুর ছেলে কাজল রানা (২১) ও বরকত আলীর ছেলে মুন্না ইসলাম মান্নান (২৪)।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ অনুযায়ী, ওই নবম শ্রেণীর ছাত্রী দীর্ঘদিন ধরে তালতলা সরকারপাড়া গ্রামের তার নানীর বাড়িতে থেকে পড়াশোনা করছিলেন। ঘটনার দিন রোববার সকালে ওইথছাত্রীকে বাড়িতে রেখে তার নানী ওথমা রংপুরে ডাক্তার দেখাতে যান। বেলা ২টায় ওই দুই যুবক তাকে একা পেয়ে জোর করে পার্শ্ববর্তী ভুট্টা ক্ষেতে নিয়ে মুখে কাপড় বেঁধে আটকে রেখে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত একাধিকবার গণধর্ষণ করে পালিয়ে যায়।
সন্ধ্যা পর্যন্ত বাড়ি না ফেরায় স্থানীয়রা লোকজন খোঁজাখুঁজি শুরু করলে গুরুতর আহত অবস্থায় ভুট্টাক্ষেত থেকে তাকে উদ্ধার করে। রাত ৮টায় তার নানী ও মা বাড়িতে ফিরে বিষয়টি জানতে পারলে রোববার রাতে ওই দুই অভিযুক্তের বিরুদ্ধে গণধর্ষণের মামলা দায়ের করেন। ডিমলা থানার ওসি শওকত আলী সরকার জানান, ওই ছাত্রীর জবানবন্দি গ্রহণ করে এবং ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে।