ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে লোকপ্রশাসন দিবস উদযাপন

শিক্ষার্থীদের গড়ে তুলতে হবে দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে : ভিসি

Printed Edition
back-1
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকপ্রশাসন বিভাগের দিবস উপলক্ষে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ভিসি অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমেদ খান : নয়া দিগন্ত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যথাযোগ্য মর্যাদায় লোকপ্রশাসন দিবস উদযাপন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে র‌্যালি, আলোচনা সভা, লোকপ্রশাসন বিভাগের শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ ও বিদায় সংবর্ধনা এবং মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

গতকাল মঙ্গলবার দিনব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি) মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন লোকপ্রশাসন বিভাগের চেয়ারপারসন অধ্যাপক ড. সৈয়দা লাসনা কবীর। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মোবাশ্বের মোনেম।

অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. তৈয়েবুর রহমান, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক সাইফুদ্দীন আহমদ, লোকপ্রশাসন বিভাগের সংখ্যাতিরিক্ত অধ্যাপক ড. আকা ফিরোজ আহমদ, বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশনের সদস্য অধ্যাপক ড. ফেরদৌস আরফিনা ওসমান, বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের চেয়ারম্যান মো: জালাল আহমেদ, পাবলিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সেলিম আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক আ স ম হুমায়ুন কবির এবং কোষাধ্যক্ষ আহসান হাবীব। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক শেহরিন আমিন ভূঁইয়া ও মো: রবিউল ইসলাম।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভিসি অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান বলেন, ১৯৭২ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে লোকপ্রশাসন বিভাগ প্রতিষ্ঠিত হয়, যা দেশ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে। বিভাগ প্রতিষ্ঠার সাথে সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে তিনি বলেন, বিশ্বায়নের প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে শিক্ষার্থীদের দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে নিজেদের গড়ে তুলতে হবে।

তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, দক্ষতা উন্নয়নের জন্য নিয়মিত সেমিনার ও কর্মশালায় অংশগ্রহণ, অন্তত একটি বিদেশী ভাষা শেখা, বক্তৃতা দেয়ার অভ্যাস গড়ে তোলা এবং সিভি লেখার কৌশল আয়ত্ত করা অত্যন্ত জরুরি। পাশাপাশি ব্যবহারিক ও প্রায়োগিক শিক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, কাজের মাধ্যমেই বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম বৃদ্ধি করতে হবে।

ভিসি আরো বলেন, সমাজের বিভিন্ন অংশীজন ও প্রতিষ্ঠানের সাথে নেটওয়ার্ক ও সুসম্পর্ক গড়ে তোলার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা নিজেদের পেশাগত দক্ষতা ও সক্ষমতা আরো সুদৃঢ় করতে পারবে।

উল্লেখ্য, লোকপ্রশাসন বিভাগের নবীন ও বিদায়ী শিক্ষার্থীদের মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি এবং পারস্পরিক সৌহার্দ্য জোরদারের লক্ষ্যে প্রতি বছর নিয়মিতভাবে লোকপ্রশাসন দিবস উদযাপন করা হয়।