রংপুরে বিশেষজ্ঞদের অভিমত

শ্যামাসুন্দরী খালকে বাঁচাতে তিস্তা-ঘাঘট সংযোগস্থল খুলে দিতে হবে

Printed Edition

রংপুর ব্যুরো

শ্যামাসুন্দরী খালকে বহমান করা না গেলে রংপুর মহানগর বসবাসের অনুপোযোগী হয়ে পড়বে। আর শ্যামাসুন্দরী খালকে বাঁচাতে হলে তিস্তার সাথে ঘাঘটের সংযোগস্থল খুলে দিতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন পরিবেশ বিশেষজ্ঞরা।

গতকাল রংপুর টাউন হলে গ্রীন ভয়েস আয়োজিত ‘তিস্তা শ্যামাসুন্দরী খাল এবং রংপুর বিভাগের প্রাণ-প্রকৃতি ও পরিবেশ রায়’ বিভাগীয় পরিবেশ সম্মেলনে এ কথা বলেন তারা। গ্রীন ভয়েসের রংপুর বিভাগের সমন্বয়ক রবিউল ইসলামের সভাপতিত্বে সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সিটি প্রশাসক মাহফুজ উন নবী চৌধুরী ডন। এর আগে তিনি জাতীয় পতাকা উড়িয়ে সম্মেলনের উদ্বোধন করেন।

সম্মেলনে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন গ্রীন ভয়েসের প্রধান সমন্বয়ক ও বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন বাপার সাধারণ সম্পাদক আলমগীর কবির, রিভারাইনস পিপলসের পরিচালক ড. তুহিন ওয়াদুদ, উদীচীর সভাপতি ড. শাশ্বত ভট্টাচার্য, বাপার রংপুর জেলা আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট শামীমা আখতার শিরিন, সদস্যসচিব রশিদুস সুলতান বাবলু, রংপুর সাংবাদিক ইউনিয়ন-আরপিইজে সাধারণ সম্পাদক যমুনা টেলিভিশনের রংপুর বিভাগীয় প্রধান সরকার মাজহারুল মান্নান, বাংলাভিশনের ব্যুরো প্রধান জুয়েল আহমেদ, বেলার রাজশাহী ও রংপুর বিভাগীয় সমন্বয়কারী তন্ময় শ্যানাল। বক্তব্য রাখেন গ্রীন ভয়েসের রংপুর বিভাগের বিভিন্ন জেলা, উপজেলা, বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজ কমিটির নেতারা।

রসিক প্রশাসক ডন বলেন, আমরা যদি এই শহরের প্রাকৃতিক পরিবেশকে বাঁচাতে চাই, খাল কেন্দ্রিক যদি কোনো টেকসই মাস্টার পরিকল্পনা যদি করতে চাই, তাহলে শ্যামাসুন্দরী খালের পাশাপাশি কাইদামারী, ইচ্ছামতী, কেডি খাল, চিকলি বিল, কুকরুল বিলকেও আমাদেরকে দৃষ্টিতে আনতে হবে। আমি চাই এ জন্য একটি প্রেসার গ্রুপ থাকুক। এর মাধ্যমে মাস্টারপ্লান করা গেলে রংপুর মহানগরীকে ইতালির ভেনিসের মতো করে গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

ডন আরো বলেন, ‘তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে এই অঞ্চলের প্রাণ, প্রকৃতিকে বাঁচাতে হবে। তা না হলে আমাদের অনেক মূল্য দিতে হবে। সরকার এরই মধ্যে খাল খননের কার্যক্রম শুরু করেছে। বৃরোপণ কর্মসূচি শুরু করেছে। তিস্তা মহাপরিকল্পনা নিয়েও কাজ করছে।