শাকসগাম নিয়ে ভারতের দাবি চীনের প্রত্যাখ্যান

Printed Edition

ডন

কাশ্মিরের শাকসগাম উপত্যকার মালিকানা প্রশ্নে ফের কূটনৈতিক উত্তেজনা দেখা দিয়েছে ভারত ও চীনের মধ্যে। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়ালের বক্তব্যের জবাবে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে বেইজিং।

সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাও নিং বলেন, শাকসগাম উপত্যকায় চীনের অবকাঠামো উন্নয়ন নিয়ে ভারতের সমালোচনা ভিত্তিহীন। তার ভাষায়, “শাকসগাম উপত্যকা চীনের ভূখণ্ড, আর সেখানে উন্নয়ন প্রকল্প চালানো আমাদের ন্যায্য অধিকার।” চীনের এ অবস্থান দুই দেশের মধ্যে সীমান্ত ইস্যুতে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে বলে কূটনৈতিক মহল মনে করছে। এর আগে গত ৯ জানুয়ারি ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, ‘শাকসগাম উপত্যকা ভারতের ভূখণ্ড এবং ভারত নিজেদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেয়ার অধিকার রাখে। ১৯৬৩ সালের চীন -পাকিস্তান সীমান্ত চুক্তিকে আমরা কখনোই স্বীকৃতি দেইনি। আমরা বরাবরই বলে আসছি, এই চুক্তি অবৈধ ও বাতিল।’

ভারতীয় মুখপাত্রের ভাষায়, ‘জম্মু ও কাশ্মির এবং লাদাখের পুরো কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল ভারতের অবিচ্ছেদ্য ও অখণ্ড অংশ। এই সিদ্ধান্ত পাকিস্তান ও চীনকে একাধিকবার জানানো হয়েছে।’ তিনি আরো জানান, শাকসগাম উপত্যকায় বাস্তব পরিস্থিতি পরিবর্তনের যেকোনো প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে ভারত ধারাবাহিকভাবে চীনের কাছে প্রতিবাদ জানিয়ে আসছে। এর জবাবে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাও নিং বলেন, ১৯৬০-এর দশকে চীন ও পাকিস্তান একটি সীমান্ত চুক্তির মাধ্যমে দুই দেশের সীমান্ত নির্ধারণ করা হয়েছিল। যাকে তিনি সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে চীন ও পাকিস্তানের অধিকার বলেও মন্তব্য করেন। মাও নিং আরো বলেন, ‘চীন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডোরের (সিপিইসি) লক্ষ্য স্থানীয় সামাজিক-অর্থনৈতিক উন্নয়ন আরো এগিয়ে নেয়া এবং মানুষের জীবনমান উন্নত করা।’