কালবৈশাখীর তাণ্ডবে কুমিল্লায় ২৭ হাজার গ্রাহক বিদ্যুৎহীন, বিপর্যস্ত জনজীবন

Printed Edition
bangla-4
কুমিল্লায় ঝড়ে একটি তালগাছ বিদ্যুৎ খুঁটির ওপর পড়ে লাইন বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় : নয়া দিগন্ত

কুমিল্লা প্রতিনিধি ও ব্রাহ্মণপাড়া (কুমিল্লা) সংবাদদাতা

দুই দিনের কালবৈশাখী ঝড় ও ভারী বৃষ্টিতে কুমিল্লাজুড়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। জেলার অন্তত ২৭ হাজার গ্রাহক বিদ্যুৎ সংযোগ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছেন। ঝড়ে ৭৩৮ স্থানে বিদ্যুতের তার ছিঁড়েছে, ৭১টি খুঁটি ভেঙে গেছে, নষ্ট হয়েছে ৩৫টি ট্রান্সফরমার ও ৫৫০টি মিটার। একই সাথে টানা বৃষ্টিতে কুমিল্লা মহানগরের বিভিন্ন সড়ক ও প্রতিষ্ঠানে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়ে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে।

পল্লী বিদ্যুৎ সূত্রে জানা গেছে, বৈশাখী ঝড়ে জেলার ১৭টি উপজেলাতেই কমবেশি ক্ষয়ক্ষতি হলেও সবচেয়ে বেশি আঘাত হেনেছে কুমিল্লা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর আওতাধীন আদর্শ সদর, সদর দক্ষিণ, লালমাই, চৌদ্দগ্রাম, বুড়িচং ও ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলায়। ঝড়ো বাতাসে এক হাজার ২৫টি স্থানে বৈদ্যুতিক লাইনের ওপর গাছ পড়ে এবং ৭৩৮টি স্থানে তার ছিঁড়ে যায়।

কুমিল্লা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর সিনিয়র জেনারেল ম্যানেজার দিলীপ চন্দ্র চৌধুরী বুধবার সকালে জানান, ঝড়ে মোট ৭১টি বৈদ্যুতিক খুঁটি ভেঙে গেছে এবং ৩৫টি ট্রান্সফরমার বিকল হওয়ায় অন্তত ২৭ হাজার গ্রাহক বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন রয়েছেন। বৈরী আবহাওয়ার কারণে মেরামত কাজে বিলম্ব হলেও দ্রুত সংযোগ স্বাভাবিক করতে কর্মীরা মাঠে কাজ করছেন।

অন্যদিকে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর চান্দিনা, দেবিদ্বার, মুরাদনগর ও বরুড়াতেও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে। গত মঙ্গলবার সকাল থেকে এসব এলাকার অনেক গ্রাহক প্রায় আট ঘণ্টা বিদ্যুৎহীন ছিলেন। বিকেল ৫টার দিকে জাতীয় গ্রিডের প্রধান সংযোগ সংস্কারের পর আংশিক সরবরাহ চালু হয়। বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে মঙ্গলবার সকালে অনুষ্ঠিত এসএসসি পরীক্ষার্থীরাও চরম ভোগান্তিতে পড়ে। জেলার কয়েকটি কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীদের চার্জার লাইট, মোমবাতি কিংবা স্বল্প আলোতে পরীক্ষা দিতে হয়েছে বলে জানা গেছে। এদিকে ঝড়-বৃষ্টিতে বরুড়াসহ জেলার বিভিন্ন উপজেলায় গাছ ভেঙে সড়ক ও বসতবাড়ির ওপর পড়েছে। সংশ্লিষ্ট উপজেলা প্রশাসন দ্রুত গাছ অপসারণের নির্দেশ দিয়েছে।

কালবৈশাখীর তাণ্ডবে কুমিল্লায় ২৭ হাজার গ্রাহক বিদ্যুৎহীন

দুই দিনের কালবৈশাখী ঝড়ে কুমিল্লার ১৭ উপজেলায় ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থা। অন্তত ৩৫টি ট্রান্সফরমার ও ৫৫০টি মিটার বিকল হয়ে প্রায় ২৭ হাজার গ্রাহক বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন রয়েছেন। ঝড়ে ৭১টি বৈদ্যুতিক খুঁটি ভেঙে গেছে এবং ৭৩৮ স্থানে তার ছিঁড়ে পড়েছে।

সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে কুমিল্লা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর আওতাধীন আদর্শ সদর, সদর দক্ষিণ, লালমাই, চৌদ্দগ্রাম, বুড়িচং ও ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলায়। সমিতির সিনিয়র জেনারেল ম্যানেজার দিলীপ চন্দ্র চৌধুরী জানান, এক হাজার ২৫টি স্থানে বৈদ্যুতিক লাইনের ওপর গাছ পড়ে সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত সংযোগ পুনরুদ্ধারে দিন-রাত কাজ চলছে।

অন্য দিকে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর চান্দিনা, দেবিদ্বার, মুরাদনগর ও বরুড়াতেও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে। গত মঙ্গলবার সকালে এসব এলাকার অনেক গ্রাহক প্রায় আট ঘণ্টা বিদ্যুৎহীন ছিলেন। বিকেলে জাতীয় গ্রিডের প্রধান সংযোগ সংস্কারের পর আংশিক সরবরাহ চালু হয়। বিদ্যুৎ বিভ্রাটে মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত এসএসসি পরীক্ষার্থীদেরও দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে। কয়েকটি কেন্দ্রে চার্জার লাইট ও মোমবাতির আলোতে পরীক্ষা নেয়ার খবর পাওয়া গেছে।

বরুড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান রনি জানান, বিভিন্ন এলাকায় গাছ পড়ে সড়ক ও বিদ্যুৎ লাইনের ক্ষতি হয়েছে। অপসারণ ও মেরামতে কাজ চলছে।