প্রভাবশালী ১০০ ব্যক্তির তালিকায় তারেক রহমান

Printed Edition
first-4
প্রভাবশালী ১০০ ব্যক্তির তালিকায় তারেক রহমান

নিজস্ব প্রতিবেদক

যুক্তরাষ্ট্রের সাময়িকী টাইম-এর প্রভাবশালী ১০০ তালিকায় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নাম স্থান পাওয়ায় এই সংবাদটি নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে পোস্ট করেছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন। পোস্টে তিনি বলেছেন, আজকের বৈশ্বিক স্বীকৃতি গণতন্ত্রের বিজয়, জনতার বিজয়, বাংলাদেশের বিজয়, আলহামদুলিল্লাহ।

পোস্টে তিনি বলেন, গভীর আনন্দ ও গৌরবের সঙ্গে অবহিত করছি যে, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ও গণমানুষের নেতা তারেক রহমান ঞওগঊ ১০০ গড়ংঃ ওহভষঁবহঃরধষ চবড়ঢ়ষব ড়ভ ২০২৬-এর বর্ণাঢ্য তালিকায় স্থান পেয়েছেন। বিশ্ববিখ্যাত সাময়িকী টাইম এই স্বীকৃতির মাধ্যমে তার দূরদর্শী নেতৃত্ব, সীমাহীন সাহসিকতা এবং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের পথে অসামান্য অবদানকে আন্তর্জাতিক পরিসরে স্বীকৃতি দিয়েছে। টাইম থেকে পাওয়া এই সম্মান আমাদের সকলের। এটি বাংলাদেশের প্রতিটি নাগরিকের, যারা বিশ্বাস করে গণতন্ত্র অপরাজিত, জনতার শক্তি কখনো হার মানে। আজকের বৈশ্বিক স্বীকৃতি গণতন্ত্রের বিজয়, জনতার বিজয়, বাংলাদেশের বিজয়, আলহামদুলিল্লাহ।

ঐতিহাসিক এই মুহূর্ত বাংলাদেশের জন্য গৌরব, আবেগ ও গণতান্ত্রিক মাইলফলক শিরোনামে মাহদী আমিন তার পোস্টে তারেক রহমানের নেতৃত্বের কথা তুলে ধরে লিখেছেন, একটি কঠিন সময়ে, যখন গণতন্ত্র ছিল অবরুদ্ধ, মানুষের ভোটের অধিকার ছিল না, বাকস্বাধীনতা ছিল না, তখন তারেক রহমান দৃঢ়তা, সাহস এবং অটল বিশ্বাস নিয়ে সামনে এগিয়ে এসেছেন। তিনি নেতৃত্ব দেয়ার পাশাপাশি আশা জাগিয়েছেন, মানুষের কণ্ঠস্বরকে শক্তি দিয়েছেন, নির্যাতিত মানুষের কণ্ঠস্বর হয়ে কথা বলেছেন। তার নেতৃত্বে বাংলাদেশ বহু লড়াই সংগ্রামের পথ পেরিয়ে আবারো গণতন্ত্রের পথে ফিরে এসেছে। অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, মানবাধিকারের সুরক্ষা এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় তার ভূমিকা আজ বিশ্বমঞ্চে স্বীকৃত। দীর্ঘ ১৭ বছর পর গত বছরের ২৫ ডিসেম্বর তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের বিষয়টি তুলে ধরে মাহদী আমিন লিখেছেন, স্মরণকালের শ্রেষ্ঠ স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের মধ্য দিয়ে তিনি (তারেক রহমান) দেশে ফিরেছেন, যে দিন ফিরেছেন সে দিনই তিনি বলেছিলেন ‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান’। একটি বৈষম্যহীন, অন্তর্ভুক্তিমূলক, সমন্বিত বাংলাদেশ গড়ে তোলার জন্য তিনি সেই পরিকল্পনা অনুযায়ী নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন। নির্বাচিত সরকারের বয়স দুই মাসেরও কম সময়ের মধ্যেই সরকার গুরুত্বপূর্ণ প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের পথে চমৎকারভাবে অগ্রসর হয়েছে।