সারা দেশে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস খাওয়ানো শুরু
Printed Edition
নয়া দিগন্ত ডেস্ক
জাতীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে গতকাল রোববার দেশের বিভিন্ন স্থানে আনুষ্ঠানিকভাবে শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর কার্যক্রম শুরু হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সিটি করপোরেশন ও স্বাস্থ্য বিভাগের উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে ৬ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদেরকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তারা শিশুর রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি, দৃষ্টিশক্তি সুরক্ষা এবং সুস্থভাবে শারীরিক ও মানসিক বিকাশে ভিটামিন ‘এ’-এর গুরুত্ব তুলে ধরে অভিভাবকদের আহ্বান জানানো হয়েছে তাদের শিশুদেরকে নিকটস্থ কেন্দ্রে নিয়ে আসার জন্য।
রাজশাহী ব্যুরো জানায়, রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো: মাহফুজুর রহমান রিটন নগর ভবনে শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাইয়ে ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করেন। মহানগরীতে ৬-১১ মাস বয়সী নয় হাজার ১১৩ জন এবং ১২-৫৯ মাস বয়সী ৫৭ হাজার ২৮২ জন শিশুসহ মোট ৬৬ হাজার ৩৯৫ জন শিশুকে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ জন্য ৩০টি ওয়ার্ডে ৩৮৪টি কেন্দ্র স্থাপন করা হয়, যেখানে ৭৬৮ জন স্বেচ্ছাসেবক দায়িত্ব পালন করছেন। প্রশাসক বলেন, কোনো শিশু যেন এ কর্মসূচির বাইরে না থাকে, সে বিষয়ে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।
খুলনা ব্যুরো জানায়, খালিশপুর কলেজিয়েট গার্লস স্কুলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে খুলনা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করেন। তিনি বলেন, শিশুর সুস্থ বিকাশে মাতৃদুগ্ধ, নিয়মিত টিকাদান এবং ভিটামিন ‘এ’ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
মহানগরীতে মোট এক লাখ আট হাজার ৯৫২ জন শিশুকে একটি করে নীল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল এবং একটি করে লাল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। এর মধ্যে ৬-১১ মাস বয়সী শিশুর সংখ্যা ১২ হাজার ৩৩৭ জন এবং ১২-৫৯ মাস বয়সী শিশুর সংখ্যা ৯৬ হাজার ৬৫৫ জন। এবারে সিটি করপোরেশনের ৩১টি ওয়ার্ডে মোট এক হাজর চার শত ২০ জন ভলেন্টিয়ার, ওয়ার্ড ভিক্তিক কেন্দ্র সংখ্যা ৫৮০টি, মোট কেন্দ্র সংখ্যা ৭১০টি, মোবাইল কেন্দ্র ৮০টি, এনজিও পরিচালিত কেন্দ্র ৫০টি এবং ৬২ জন সুপারভাইজার কাজ করছে।
ফেনী অফিস জানায়, ফেনী সদর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জেলা প্রশাসক মনিরা হক ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করেন। জেলায় এক হাজার ১৩৮টি কেন্দ্রে দুই লাখ ৫৩ হাজার ৪৮৫ শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত পরিচালিত এ কর্মসূচিতে ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী ৩০ হাজার ৪৭৩ জন এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী দুই লাখ ২৩ হাজার ১২ জন শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।