পানামাকে হারিয়েই গ্রুপ সেরা ইংল্যান্ড

Printed Edition

ক্রীড়া প্রতিবেদক নিউ ইর্য়ক থেকে

এই ম্যাট লাইপ স্টেডিয়ামেই আগের ম্যাচে চারবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন জার্মানিকে ২-১ এ হারিয়েছিল ইকুয়েডর। তাই অনেকেই ভেবেছিল পানামাও চমক দেখাবে ইংল্যান্ডের বিপেক্ষ। কারণ সেই একই ভেন্যুতে খেলছে পানামা। ইকুয়েডরের মতো তারাও স্প্যানিশ ভাষায় কথা বলে। জার্মানির মতো ইংল্যান্ডও সাবেক বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন। যদিও তা একবার। নিউ ইর্য়ক নিউজার্সি স্টেডিয়ামে অবশ্য পানামা আর কুলিয়ে উঠতে পারেনি। প্রথমার্ধে তারা ঠেকিয়ে রেখেছিল ইংলিশদের। কিন্তু বিরতির পর দুই বড় তারকা জুড বেলিংহ্যাম ও হ্যারি কেনের গোলে ২-০তে জয়। এতে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হিসেবেই নক আউটে গেল ১৯৬৬ এর বিশ্বকাপ জয়ীরা। আর মধ্য আমেরিকান দেশটিকে বিদায় নিতে হলো খালি হাতেই। নামের ভারিক্কি আর শক্তির মানদন্ডে পানামার চেয়ে অনেক এগিয়ে ইংল্যান্ড। অথচ এই ছোট্ট দেশটির বিপক্ষে গোল পেতে কষ্টই হচ্ছিল ইংলান্ডের। পুরো প্রথমার্ধে কোনো গোলই করতে পারেনি। দলটি এর আগে ঘানার বিপক্ষেও জিততে ব্যর্থ হয়েছিল। পানামার প্রতিরোধে মনে হচ্ছিল এই ম্যাচেও পয়েন্ট হারাবে টমাস টুখেলের দল। ম্যাচের শুরুর দিকে রাশফোর্ডের শট কর্নার করেন পানামার গোলরক্ষক। কাউন্টার অ্যাটাকে খেলা পানামা ২৬ মিনিটে গোলের সুযোগ পেয়েছিল। তবে তাদের রদ্রিগেজের শট ইংলিশ কিপার পিকফোর্ড ঠেকিয়ে দেয়ায় রক্ষা।

ম্যাচের ৬২ মিনিটে জুড বেলিংহাম দীর্ঘস্থায়ী অচলাবস্থা ভেঙে ইংল্যান্ডকে এগিয়ে দেন। তবে বেলিংহ্যাম ওই অবস্থায় বাম পায়ের ভলিতে গোল করেন। এরপর পাঁচ মিনিট বাদে বেলিংহ্যামের বাড়ানো ক্রসে হ্যারি কেন হেড করে দলের ব্যবধান দ্বিগুণ করেন।

এটি ছিল ইংল্যান্ড অধিনায়কের ১১তম বিশ্বকাপ গোল। যার মাধ্যমে তিনি গ্যারি লিনেকারকে ছাড়িয়ে গেলেন। সে সাথে এটি ছিল ১১৭টি ম্যাচে তার ৮২তম গোল।