চিকিৎসক হয়েও ডা: আবিদ জাফর সাংস্কৃতিক আন্দোলন এগিয়ে নিয়ে গেছেন

Printed Edition
3rd-2
ডা: আবিদ জাফর স্মরণে ন্যাশনাল ডক্টরস ফোরাম দোয়া ও আলোচনা সভার আয়োজন করে : নয়া দিগন্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) সাবেক চিফ মেডিক্যাল অফিসার, বিশিষ্ট নাট্য নির্দেশক, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ডা: আবু হেনা আবিদ জাফর চিকিৎসক হয়েও সাংস্কৃতিক আন্দোলনকে এগিয়ে নিয়ে গেছেন। তিনি মনে করতেন, সংস্কৃতি জগতেও ইসলামকে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। গতকাল ন্যাশনাল ডক্টরস ফোরামের (এনডিএফ) বাংলামোটরের কার্যালয়ে ডা: আবিদ জাফরের স্মরণে দোয়া ও আলোচনা সভায় শতাধিক চিকিৎসক উপস্থিত ছিলেন। এনডিএফর সভাপতি অধ্যাপক ডা: মো: নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এনডিএফের ডা: একেএম ওয়ালীউল্লাহ, অধ্যাপক ডা: এনএ কামরুল আহসান, অধ্যাপক ডা: সাজিদ আব্দুল খালেক প্রমুখ। ডা: আবিদ জাফরের জীবনী নিয়ে আলোচনা করেন আলোচনা করেন ডা: এস এম খালিদুজ্জামান, অধ্যাপক ডা: শফিউর রহমান, ডা: মো: তোফাজ্জল হোসেন, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের ঢাকা মহানগরীর নেতা মো: মঞ্জুর আলম, ডা: মারুফ শাহরিয়ার, ডা: এমজি ফারুক, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মাহবুবুর রহমান প্রমুখ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন এনডিএফের জেনারেল সেক্রেটারি অধ্যাপক ডা: মাহমুদ হোসেন।

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের অধ্যাপক ডা: শফিউর রহমান বলেন, ১৭তম বিসিএসে পাইকগাছায় পোস্টিং হয়েছিল ডা: আবিদের। কিন্তু সরকারি চাকরি তাকে টানেনি। তিনি সেই চাকরি ছেড়ে চিকিৎসা পেশার পাশাপাশি নাটকসহ সাংস্কৃতিক আন্দোলনকে সংগঠিত করেছেন। ক্রিসেন্ট গ্যাস্ট্রোলিভার হাসপাতালের চাকরি ছেড়ে বুয়েটের চিফ মেডিকেল অফিসার হিসেবে যোগ দিলেও শেষ দিকে এসে সেই চাকরি হারান। এনডিএফ নেতা ডা: মো: তোফাজ্জল হোসেন বলেন, স্যার সলিমুল্লাহ মেডিক্যাল কলেজের ১২ ব্যাচের স্টুডেন্ট ছিলেন ডা: আবু হেনা আবিদ জাফর। আমি তাকে সব সময় ডাক্তারি ছাড়াও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে ভূমিকা পালন করতে দেখেছি। শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের ঢাকা মহানগরীর নেতা মো: মঞ্জুর আলম বলেন, ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজের ছাত্র অবস্থায় তিনি ইসলামী আন্দোলনের সাথে জড়িত ছিলেন। ক্যাডেট কলেজেও তিনি সংস্কৃতি ও নাট্যাঙ্গনে কাজ করেছেন। ক্যাডেট কলেজে পড়াকালেই তিনি শিবিরের সাথী শপথ নিয়েছিলেন।