টাঙ্গাইল-৬ আসনে বিএনপির জয় ৫ জনের জামানত বাজেয়াপ্ত

Printed Edition
bangla-2
টাঙ্গাইল-৬ আসনে বিএনপির জয় ৫ জনের জামানত বাজেয়াপ্ত

মো: তারিকুল ইসলাম, নাগরপুর (টাঙ্গাইল)

জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে টাঙ্গাইল-৬ (নাগরপুর-দেলদুয়ার) আসনে সাতজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও ভোটের ফলাফলে পাঁচ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। নির্বাচনী বিধি অনুযায়ী নির্ধারিত ন্যূনতম ভোট না পাওয়ায় তাদের জামানত হারাতে হয়।

এ আসনে মোট ভোটার ছিলেন চার লাখ ৬৮ হাজার ৭৬ জন। এর মধ্যে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন দুই লাখ ৮৩ হাজার ৪৭১ জন, যা মোট ভোটারের ৬০ দশমিক ৫৬ শতাংশ। নির্বাচনে পাঁচ হাজার ৭২৫টি ভোট বাতিল হয়। ফলে মোট বৈধ ভোটের সংখ্যা দাঁড়ায় দুই লাখ ৭৭ হাজার ৭৪৬টি।

গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে এক লাখ ৮২ হাজার ৬০১টি এবং ‘না’ ভোট পড়েছে ৬৯ হাজার ১৫৮টি। নির্বাচনী আইন অনুযায়ী, প্রদত্ত মোট ভোটের আট ভাগের এক ভাগের কম ভোট পেলে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। সে হিসেবে এ আসনে জামানত রক্ষায় ন্যূনতম ৩৪ হাজার ৭১৮ ভোট পাওয়ার বাধ্যবাধকতা ছিল।

দুই উপজেলা ও পোস্টাল ভোটের ফলাফল যুক্ত করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত প্রার্থী মো: রবিউল আওয়াল লাভলু (ধানের শীষ) এক লাখ ৫০ হাজার ৯৫২ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী ডা: এ কে এম আব্দুল হামিদ (দাঁড়িপাল্লা) পেয়েছেন ৯১ হাজার ৯১৪ ভোট।

জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা শরীফা হক স্বাক্ষরিত চূড়ান্ত ফলাফলে জামানত হারানো প্রার্থীদের তালিকায় রয়েছেন ইসলামী আন্দোলনের মো: আখিনুর মিয়া (হাতপাখা) পেয়েছেন ১২ হাজার ৬৮ ভোট, স্বতন্ত্র প্রার্থী মো: জুয়েল সরকার (হরিণ) পেয়েছেন ১৫ হাজার ১৬১ ভোট, জাতীয় পার্টির (জেপি) তারেক শামস খান (বাইসাইকেল) পেয়েছেন তিন হাজার ৪৮৯ ভোট, স্বতন্ত্র প্রার্থী মুহাম্মদ আশরাফুল ইসলাম (মোরগ) পেয়েছেন দুই হাজার ৯৯৬ ভোট এবং জাতীয় পার্টির মোহাম্মদ মামুনুর রহিম (লাঙ্গল) পেয়েছেন এক হাজার ১৬৬ ভোট।

নির্বাচনের ফলাফল পর্যালোচনায় দেখা যায়, বিজয়ী প্রার্থীর সাথে অন্যান্য প্রার্থীদের ভোটের ব্যবধান উল্লেখযোগ্য হওয়ায় টাঙ্গাইল-৬ আসনে এবারের নির্বাচন একতরফা রূপ নিয়েছে।