শব্দদূষণ রোধে জনসচেতনতা ও সামাজিক আন্দোলনের বিকল্প নেই : পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী

Printed Edition

পরিবেশ অধিদফতর কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন ‘শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত ও অংশীদারিত্বমূলক প্রকল্প’-এর উদ্যোগে সারা দেশে ‘আন্তর্জাতিক শব্দসচেতনতা দিবস ২০২৬’ উদযাপিত হয়েছে। এ বছর দিবসটির মূল প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ঢাকাসহ ৬৪টি জেলায় আলোচনা সভা, শোভাযাত্রা এবং একযোগে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়।

দিবসটি উপলক্ষে আজ পরিবেশ অধিদফতরের অডিটোরিয়ামে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম, এমপি। তিনি বলেন, ‘শব্দদূষণ একটি অদৃশ্য ঘাতক যা জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করছে। দৃশ্যমান দূষণকে আমরা গুরুত্ব দিলেও শব্দদূষণকে এড়িয়ে চলি, যা ঠিক নয়। প্রাণ-প্রকৃতি বাঁচাতে এবং শব্দদূষণ কমাতে সাধারণ মানুষের সচেতনতা ও দায়িত্বশীল হওয়া জরুরি।’ প্রতিমন্ত্রী ১৮টি সামাজিক ও পরিবেশবাদী সংগঠনের প্রতিনিধিদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সচেতনতা তৈরির আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের সচিব (রুটিন দায়িত্ব) মোহাম্মদ নাভিদ শফিউল্লাহ বলেন, শব্দদূষণ আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে যা শ্রবণশক্তি নষ্টসহ নানা জটিল রোগ সৃষ্টি করছে। এটি নিয়ন্ত্রণে সম্মিলিত প্রচেষ্টার বিকল্প নেই।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মো: আনিছুর রহমান সভায় জানান, শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ বিধিমালা ২০২৫-এর আওতায় ট্রাফিক পুলিশ এ পর্যন্ত ১৭ হাজার মামলা এবং দুই কোটি টাকা জরিমানা আদায় করেছে। পরিবেশ অধিদফতরের মহাপরিচালক ড. নুরুন নাহার শব্দদূষণমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রকল্পাধীন প্রশিক্ষণ ও ক্যাম্পেইন কার্যক্রমে সবার সহযোগিতা কামনা করেন।

অনুষ্ঠানে বিআরটিএ-র চেয়ারম্যান, মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং বাপা, বেলা, প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশনসহ বিভিন্ন পরিবেশবাদী সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। দিবসটি উপলক্ষে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে ব্যানার-ফেস্টুন সাঁটানো ছাড়াও জাতীয় দৈনিকে সচেতনতামূলক বিজ্ঞাপন প্রকাশ করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তি।