কারিগরি ত্রুটিতে জকসুর ভোট গণনা ব্যাহত

Printed Edition
first-2
জকসু নির্বাচনে একটি ভোটকেন্দ্রের সামনে শিক্ষার্থীদের দীর্ঘ লাইন : নয়া দিগন্ত

জবি সংবাদদাতা

কারিগরি ত্রুটির কারণে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জকসু) নির্বাচনের ভোট গণনা ব্যাহত হয়েছে। মঙ্গলবার রাতে ভোট গণনার স্থান কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষে জকসুর নির্বাচন কমিশনার আনিসুর রহমান এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, আমরা টেকনিক্যাল কারণে ভোট গণনা বন্ধ রেখেছি। আপনারা জানেন, প্রথম থেকেই আমরা নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করছি। ভোটের গণনায় হান্ড্রেড পার্সেন্ট স্বচ্ছতা এবং এটা নিশ্চিত করার জন্য আমরা দুটি মেশিন এখানে নিয়ে এসেছি দুটি কোম্পানির। টেকনিক্যাল কারণে আমাদের এ ভোট গণনা আমরা বন্ধ করেছি। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে নির্বাচন কমিশন ভিপি এবং জিএস ক্যান্ডিডেটদের নিয়ে বৈঠক করে।

এর আগে নির্বাচন কমিশনার শহীদুল ইসলাম রাত ৯টার দিকে জানান, দুটি মেশিনে দুই রকম ফলাফল দিচ্ছে। দুটি মেশিনে যেন অভিন্ন রেজাল্ট আসে, সে চেষ্টা করা হচ্ছে।

গতকাল সকাল ৯টায় শুরু হয়ে বেলা ৩টা পর্যন্ত জকসু ও হল সংসদ নির্বাচনের ৩৯টি কেন্দ্রের ১৭৮টি বুথে ভোট গ্রহণ করা হয়। তবে নির্ধারিত সময়ের পরও বেশ কয়েকটি বিভাগের কেন্দ্রে ভোটারদের দীর্ঘ লাইন দেখা যায়। এসব ভোটারও ভোট দিয়েছেন। নির্বাচনে ভোট পড়েছে প্রায় ৬৫ শতাংশ।

নির্বাচন কমিশন থেকে পাওয়া তথ্য মতে, বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় সংসদের জন্য ২১টি পদে ১৫৭ জন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের একমাত্র ছাত্রী হলের সংসদের ১৩টি পদে ৩৩ জনসহ মোট ৩৪টি পদের বিপরীতে ১৯০ জনকে চূড়ান্ত প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

জকসু নির্বাচন কমিশনের তথ্য বলছে, নির্বাচনে মোট ভোটার ১৬ হাজার ৬৬৫ জন। এতে মোট চারটি প্যানেলে প্রার্থীরা অংশ নিচ্ছেন। সেগুলো হলো ছাত্রদল, ছাত্র অধিকার পরিষদ ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের সমন্বয়ে গঠিত ‘ঐক্যবদ্ধ নির্ভীক জবিয়ান’, ইসলামী ছাত্রশিবির-সমর্থিত ‘অদম্য জবিয়ান ঐক্য’, বাম জোট-সমর্থিত ‘মওলানা ভাসানী ব্রিগেড’ এবং জাতীয় ছাত্রশক্তি-সমর্থিত প্যানেল ‘ঐক্যবদ্ধ জবিয়ান’।

এ ছাড়া স্বতন্ত্রভাবেও নির্বাচনে বেশ কয়েকজন প্রার্থী অংশ নিয়েছেন। নির্বাচনে ভিপি (সহ-সভাপতি) পদে লড়ছেন ১২ জন, জিএস (সাধারণ সম্পাদক) পদে ৯ জন আর এজিএস (সহ-সাধারণ সম্পাদক) পদে লড়ছেন ৮ জন।