কেন গেম টাইম কম পেয়েছিলেন ডেক্লান সুুলিভান

Printed Edition

ক্রীড়া প্রতিবেদক

অনূর্ধ্ব-২০ সাফে চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ দলে তিন প্রবাসী ছিলেন। এদের মধ্যে রোনান সুলিভান নিয়মিতই খেলেছেন। পাকিস্তানের বিপক্ষে দুই গোল করেছেন। ভারতের বিপক্ষে সমতাসূচক গোলের জোগানদাতা। আর ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে শেষ টাইব্রেকার শটে গোল করে দলকে শিরোপা পাইয়ে দেন। এই যুক্তরাষ্ট্র্র প্রবাসী সব ম্যাচে খেললেও তার ভাই ডেক্লান সুলিভান সেমিফাইনাল ও ফাইনালে বদলি হিসেবে খেলার সুযোগ পান। অপর প্রবাসী ইব্রাহিম নেওয়াজকে মাঠেই নামানো হয়নি। কেন তাদের এই অবস্থা। অনূর্ধ্ব-২০ দলের সাথে সম্পৃক্ত কোচিং স্টাফদের একজন জানান, যোগ্যতা ও দক্ষতায় কোনো কমতি নেই অন্য দুইজনের। তবে তাদের ফিটনেস ঘাটতি ছিল। তাই ডেক্লানকে অল্পসময়ের জন্য সুযোগ দেয়া হলেও নেওয়াজকে মাঠেই নামানো যায়নি। ওই কোচের মতে, হামজা চৌধুরী ইংলিশ লিগের খেলোয়াড়। তাদের ফিটনেস লেভেলটা অন্য পর্যায়ের। তিনি তিন দিন আগে ক্যাম্পে এসেও খেলে ফেলতে পারেন। ডেক্লান, ইব্রাহিম নেওয়াজরা সেই পর্যায়ের নয়। ওরা ফিটনেসে পিছিয়ে। তাছাড়া যে স্থানীয় ফুটবলারটি মাসের পর মাস ক্যাম্পে থেকে ফিটনেসে এগিয়ে থাকছে, মানেও কাছাকাছি, তাকেতো বাদ দেয়া যায় না।’

চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ দলকে পরশু রাতে সংর্ধ্বনায় রেডিয়েন্ট ফার্মার পক্ষ থেকে এক লাখ টাকা করে পুরস্কার দেয়া হয়েছে। সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকেও ৫০ হাজার টাকা করে দেয়ার ঘোষণা।