বিষাক্ত বালাইনাশকের ছোবলে খাদ্যনিরাপত্তা

লাগাম টানতে কঠোর হওয়ার তাগিদ বিশেষজ্ঞদের

কাওসার আজম
Printed Edition

  • ক্যান্সার-কিডনি ঝুঁকি বাড়ার পাশাপাশি রফতানি বাজার হারানোর শঙ্কা
  • বন্দরে বসছে ভারী ধাতু পরীক্ষার ল্যাব

দেশের সামগ্রিক খাদ্যাভ্যাস ও কৃষি ব্যবস্থাপনায় এক নীরব বিপর্যয় ডেকে আনছে অতিরিক্ত ও অনিয়ন্ত্রিত রাসায়নিক বালাইনাশকের ব্যবহার। নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা এখন শুধু কৃষি উৎপাদনের বিষয় নয়; এটি জনস্বাস্থ্য, পরিবেশ, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য এবং দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের অস্তিত্বের সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত। এক দিকে দেশে ক্যান্সার, কিডনি রোগ ও ডায়াবেটিসের মতো অসংক্রামক রোগের প্রকোপ উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে, অন্য দিকে কৃষিপণ্যে অতিরিক্ত বালাইনাশকের অবশিষ্টাংশের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারেও বাংলাদেশের রফতানি সম্ভাবনা নতুন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনিয়ন্ত্রিত ও অতিরিক্ত রাসায়নিক বালাইনাশকের ব্যবহার এখন দেশের কৃষি ব্যবস্থাপনায় এক নীরব বিপর্যয়ে রূপ নিয়েছে। এই বাস্তবতায় খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করা, কৃষিপণ্যের আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা ধরে রাখা এবং জনস্বাস্থ্য রক্ষায় আইন সংস্কার, গবেষণাগারের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং কঠোর মান নিয়ন্ত্রণের বিকল্প নেই।

এমন প্রেক্ষাপটে সম্প্রতি বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের (বিএআরসি) কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠিত ‘বালাইনাশক কারিগরি উপদেষ্টা কমিটি’ (পিটাক)-এর ৯৩তম (বিশেষ) সভায় দেশের শীর্ষস্থানীয় বিজ্ঞানী, গবেষক, নীতিনির্ধারক ও কৃষি খাতের অংশীজনরা বালাইনাশকের ক্ষতিকর প্রভাব নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। সভায় স্পষ্টভাবে জানানো হয়, বিদ্যমান আইনি সীমাবদ্ধতা দূর করে, আন্তর্জাতিক মানের পরীক্ষাগার গড়ে তুলে এবং কার্যকর নজরদারি নিশ্চিত করা না গেলে দেশের জনস্বাস্থ্য যেমন মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে, তেমনি আন্তর্জাতিক বাজারেও বাংলাদেশের কৃষিপণ্যের গ্রহণযোগ্যতা ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

সভার শুরুতেই বিএআরসির নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং পিটাকের সভাপতি ড. মো: আবদুছ ছালাম সংবিধানের ১৫ ও ১৮(১) অনুচ্ছেদের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, ‘জনগণকে নিরাপদ খাদ্য সরবরাহ করা রাষ্ট্রের অন্যতম প্রাথমিক দায়িত্ব। এ ছাড়া বাংলাদেশ ‘কুনমিং-মন্ট্রিয়ল গ্লোবাল বায়োডাইভারসিটি ফ্রেমওয়ার্ক’-এর অনুস্বাক্ষরকারী দেশ। জাতীয় জীববৈচিত্র্য কর্মপরিকল্পনা মেনে ২০৩০ সালের মধ্যে দেশে ২৫ শতাংশ বিপজ্জনক বালাইনাশক ধাপে ধাপে কমিয়ে আনার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।’

তিনি বিবিএস ও বিআইডিএসের তথ্য তুলে ধরে জানান, দেশে বর্তমানে ৬৫ থেকে ৭৫ শতাংশ মানুষের মৃত্যু হচ্ছে অসংক্রামক রোগে। দরিদ্র পরিবারগুলো তাদের মোট ব্যয়ের প্রায় ১১ শতাংশ (গড়ে ৩,৪৫৪ টাকা) খরচ করতে বাধ্য হচ্ছে শুধু চিকিৎসা খাতে। দূষিত খাদ্যের কারণে বিশ্বজুড়ে যে বৈশ্বিক সঙ্কট সৃষ্টি হয়েছে, তা প্রতিরোধে বাংলাদেশে টেকসই কৃষি উন্নয়নের বিকল্প নেই।

সভার কার্যপরিধি ও মূল এজেন্ডা উপস্থাপনকালে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উদ্ভিদ সংরক্ষণ উইংয়ের পরিচালক ও পিটাকের সদস্যসচিব ড. নাহিদা আমীন উল্লেখ করেন যে, জলবায়ু পরিবর্তন ও নতুন রোগ-বালাইয়ের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় বালাইনাশকের মান নিয়ন্ত্রণ ও ঝুঁকি মূল্যায়ন সময়োপযোগী করা অত্যন্ত জরুরি।

উদ্ভিদ সংরক্ষণ উইংয়ের উপপরিচালক (বালাইনাশক মান নিয়ন্ত্রণ) কাজী শফিকুল ইসলাম দেশের বালাইনাশক ব্যবহারের ভয়াবহ পরিসংখ্যান তুলে ধরেন। তিনি জানান, ১৯৫৬ সালে মাত্র তিন মেট্রিক টন কীটনাশক আমদানির মাধ্যমে যে যাত্রার সূচনা হয়েছিল, ২০০৮ সালে তা সর্বোচ্চ ৪৮ হাজার ৬৯০ মেট্রিক টনে পৌঁছায় এবং ২০২৪ সালেও এর ব্যবহার প্রায় ৪০ হাজার ৩০০ মেট্রিক টনে দাঁড়িয়েছে।

তিনি জানান, বর্তমানে দেশে ৩২৭টি অণুর (গড়ষবপঁষব) বিপরীতে ৯০১টি ফরমুলেশনের আওতায় ৭ হাজার ৪০৫টি ব্র্যান্ড নিবন্ধিত রয়েছে। জাতিসঙ্ঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) জরিপ অনুযায়ী, বাংলাদেশে এখনো ১৭টি অতি ঝুঁকিপূর্ণ বালাইনাশক (ঐঐচং) ব্যবহৃত হচ্ছে। যার অধীনে ১ হাজার ৭৪১টি ব্র্যান্ড বাজারজাত করা হচ্ছে। কাজী শফিকুল ইসলাম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, বিদ্যমান ‘বালাইনাশক আইন ২০১৮’ ও ‘বালাইনাশক বিধিমালা ১৯৮৫ (সংশোধিত ২০১০)’ অনুযায়ী পরিদর্শকদের অনিয়মের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক জরিমানা করার কোনো মোবাইল কোর্ট বা আইনি এখতিয়ার নেই। উপরন্তু দেশে প্রবেশ করা আমদানিকৃত বালাইনাশকে ভারী ধাতুর দূষণ পরীক্ষার পর্যাপ্ত আন্তর্জাতিক প্রটোকল বা মাইক্রোবিয়াল পরীক্ষার ব্যবস্থা গবেষণাগারগুলোতে নেই।

শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদ রোগতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক নোমান ফারুক জোর দিয়ে বলেন, বালাইনাশক নিবন্ধনে পরিবেশগত ছাড়পত্র এবং ফিশ টক্সিসিটি রিপোর্টের পাশাপাশি সর্বোচ্চ অবশিষ্টাংশের মাত্রা (গজখ) পরীক্ষা করা বাধ্যতামূলক। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড মেনে বালাইনাশকের লেবেলে বিপদ চিহ্ন, মাটির অণুজীব, জলজ প্রাণী ও উপকারী পোকার ওপর প্রভাব স্পষ্ট অক্ষরে উল্লেখ থাকতে হবে। বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বারি) মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ও কীটতত্ত্ব প্রধান ড. নির্মল কুমার দত্ত আশঙ্কাজনক তথ্য তুলে ধরেন। তিনি জানান, তাদের স্বীকৃত ল্যাবে (চঅখ) গত ৫ বছরে পরীক্ষা করা সবজির ১০ শতাংশ এবং ফলের ৪ শতাংশ নমুনায় বিপজ্জনক মাত্রায় বালাইনাশকের অবশিষ্টাংশ পাওয়া গেছে। অথচ দেশে নিবন্ধিত ৩২৭টি কেমিক্যাল অণুর বিপরীতে তাদের মাত্র ৭০টি পরীক্ষা করার সক্ষমতা আছে। তিনি স্পিনোসেডের (ঝঢ়রহড়ংধফ) মতো কম ঝুঁকিপূর্ণ আধুনিক কীটনাশকের দাম কৃষকের নাগালের মধ্যে আনার আহ্বান জানান।

শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কীটতত্ত্ব বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এস এম মিজানুর রহমান ও বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সাঈফুল্লাহ একমত পোষণ করে বলেন, বায়ো-পেস্টিসাইড, বোটানিক্যালস ও স্থানীয় মাইক্রোবিয়াল (উপকারী ছত্রাক, ব্যাকটেরিয়া) উৎপাদনের জন্য দ্রুতগতির (ঋধংঃ-ঃৎধপশ) পৃথক নিবন্ধন বিধিমালা প্রয়োজন। খালি বিষাক্ত পাত্র পরিবেশসম্মতভাবে ধ্বংস করতে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের (চচচ) ওপর গুরুত্ব দেন তারা।

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব সিদ্ধার্থ শংকর কুণ্ডু জানান, ‘স্টকহোম কনভেনশন’ অনুযায়ী পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে ইনফরমাল ট্রেড বা চোরাপথে যাতে নিষিদ্ধ ১৮টি জৈব দূষক প্রবেশ করতে না পারে, সেজন্য সীমান্ত এলাকায় নজরদারি দ্বিগুণ করতে হবে। বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের পরিচালক আতিকুর রহমান মজুমদার বলেন, খাদ্য উৎপাদন থেকে রফতানি পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের সম্পৃক্ততা থাকা জরুরি। আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে তিনি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের ‘প্ল্যান্ট কোয়ারেন্টাইন উইং’ শক্তিশালী করা এবং পিটাক কমিটিতে তাদের সংস্থাকে পূর্ণাঙ্গ সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানান।

বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউটের পরিচালক ড. মো: ইসমাইল হোসেন জানান, আন্তর্জাতিক বাজারে ‘লো কার্বন’ ও জৈব চা উৎপাদনে ব্রাকন প্যারাসিটয়েড (ইৎধপড়হ চধৎধংরঃড়রফ) বা উপকারী ছত্রাক দিয়ে বালাই দমন সফল হচ্ছে। তবে সস্তায় আগাছা দমনে ব্যবহৃত ক্ষতিকর ‘প্যারা কোয়াট’ ও ‘গ্লাইফোসেট’-এর নিয়ন্ত্রিত ব্যবহার নিশ্চিত করা দরকার।

অন্য দিকে বালাইনাশক আমদানিকারক ও ব্যবসায়ীদের সংগঠন বাংলাদেশ ক্রপ প্রোটিন অ্যাসোসিয়েশনের (বিসিপিএ) সভাপতি এম সাইদুজ্জামান বিশ্ববাজারের যুক্তি তুলে ধরে বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়াসহ প্রায় ৭০টি দেশে এখনো গ্লাইফোসেট ব্যবহৃত হচ্ছে এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন ২০৩৩ সাল পর্যন্ত এর মেয়াদ বাড়িয়েছে। বালাইনাশকের ওপর ঢালাও দোষ না চাপিয়ে রাসায়নিক সার ও অন্যান্য কী উৎসে ভারী ধাতু রয়েছে, তা গবেষণার মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া দরকার।’

বৈঠকে কৃষি এবং মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেন, ‘সরকারের প্রধান লক্ষ্য হলো কৃষিকে ‘ইন্ডাস্ট্রিয়াল স্কেল’-এ রূপান্তর করে রফতানিমুখী করা। তবে এর প্রথম শর্তই হলো খাদ্যের মান ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।’ বলেন, ঢেঁড়শের মতো দ্রুত বর্ধনশীল সবজি সংগ্রহের মাত্র তিন-চার দিন আগে বালাইনাশক স্প্রে করা হয়। বাজারে কার্যকর ও দ্রুত অবক্ষয়যোগ্য নিরাপদ বালাইনাশক না থাকায় কৃষকদের পক্ষে ‘প্রি-হারভেস্ট ইন্টারভাল’ (চঐও) বা অবশিষ্টাংশের ক্ষতিকর মেয়াদ পার হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করা সম্ভব হয় না। এর ফলে বিষাক্ত খাদ্যই ভোক্তার পাতে চলে যাচ্ছে।’ মন্ত্রী স্পষ্ট জানান, শুধু আমদানিকৃত উপাদানের কার্যকারিতা দেখে নিবন্ধন দিলেই চলবে না; মাটি, পানি, বায়ু ও মানবস্বাস্থ্যের ওপর এর দীর্ঘমেয়াদি প্রতিক্রিয়া পরীক্ষা করা বাধ্যতামূলক করতে হবে। বন্দরগুলোতে আমদানিকৃত পণ্য খালাসের আগেই ভারী ধাতু ও ভেজাল পরীক্ষার কড়া নির্দেশ দেন তিনি।

দীর্ঘ দিন পর পিটাকের এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা শেষে সভায় সর্বসম্মতিক্রমে ১০টি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। সিদ্ধান্তগুলো হলো- বিশ্বমানের নীতি পর্যালোচনা করে দ্রুত সমন্বিত ও যুগোপযোগী বালাইনাশক বিধিমালা প্রণয়ন, ‘খসড়া বালাইনাশক বিধিমালা-২০২৬’ পর্যালোচনায় বিশেষজ্ঞ টেকনিক্যাল রিভিউ কমিটি গঠন, নিয়মিত পিটাক সভা আয়োজন, জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হাইলি হ্যাজার্ডাস পেস্টিসাইডস (ঐঐচং) ধাপে ধাপে বাজার থেকে প্রত্যাহার, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের মাধ্যমে খুচরা বালাইনাশকের দোকান পরিদর্শন ও কৃষকদের সঠিক মাত্রায় ব্যবহার নিশ্চিত করা, ফল ও সবজি সংগ্রহে প্রি-হারভেস্ট ইন্টারভাল (চঐও) কঠোরভাবে মনিটরিং, আমদানিকৃত বালাইনাশক দেশে প্রবেশের আগেই বন্দরে আন্তর্জাতিক মানের পরীক্ষাগার স্থাপন ও ভারী ধাতু পরীক্ষা বাধ্যতামূলক করা, দ্রুত অবক্ষয়যোগ্য পরিবেশবান্ধব জৈব বালাইনাশকের নিবন্ধন সহজ করা এবং সমন্বিত বালাই ব্যবস্থাপনা (ওচগ) সম্প্রসারণ, নতুন নিবন্ধনের ক্ষেত্রে কার্যকারিতার পাশাপাশি মাটি, পানি, বায়ু, অণুজীব ও মানবস্বাস্থ্যের ওপর ক্ষতিকর প্রভাবের পূর্ণাঙ্গ পরীক্ষা বাধ্যতামূলক করা এবং কেন্দ্রীয় বালাইনাশক গবেষণাগারের আধুনিকায়নের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জনের লক্ষ্যে আঞ্চলিক পরীক্ষাগার স্থাপন।

সভায় উপস্থাপিত তথ্য ও আলোচনায় স্পষ্ট হয়েছে, দেশের কৃষি এখন এমন এক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে যেখানে উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করাই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। অতি ঝুঁকিপূর্ণ বালাইনাশক নিয়ন্ত্রণ, আইন সংস্কার, গবেষণাগারের সক্ষমতা বৃদ্ধি, পরিবেশবান্ধব জৈব বালাইনাশকের প্রসার এবং কঠোর তদারকি নিশ্চিত করা না গেলে দেশের মানুষের স্বাস্থ্যঝুঁকি যেমন বাড়বে, তেমনি আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের কৃষিপণ্যের সুনামও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।