মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সেনা বৃদ্ধি নিজেদের রক্ষার্থেই : রুবিও

Printed Edition

রয়টার্স

মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি বাড়ানোর মূল উদ্দেশ্য হলো সম্ভাব্য হুমকি থেকে মার্কিন বাহিনীকে রক্ষা করা, ইরানে আসন্ন হামলার কোনো ইঙ্গিত দেয়া নয়। স্লোভাকিয়ার প্রধানমন্ত্রী রবার্ট ফিকোর সাথে এক সংবাদ সম্মেলনে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বিষয়টি স্পষ্ট করেছেন। রোববার সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি বলেন, ‘আমরা এই অঞ্চলে অবস্থান নিয়েছি একটি সাধারণ কারণে। আর তা হলো আমরা বুঝতে পারছি যে, সেখানে আমাদের বাহিনীর ওপর হুমকি আসতে পারে।’

তিনি আরো যুক্ত করেন, ওয়াশিংটন তাদের বাহিনীকে রক্ষা করার জন্য পর্যাপ্ত সক্ষমতা নিশ্চিত করতে চায়, যদি ‘খোদা না করুক’ তেমন কোনো পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। ইরানে হামলা বা দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে সরানোর আগে ট্রাম্প প্রশাসন কংগ্রেসের সাথে পরামর্শ করবে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে রুবিও জানান, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কূটনীতি এবং আলোচনার মাধ্যমে সমাধান পছন্দ করেন।

ইরানের সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া সম্পর্কে রুবিও বলেন, ‘আমরা এমন লোকজনের সাথে কাজ করছি যারা নিখাদ ধর্মতত্ত্বের ভিত্তিতে রাজনৈতিক ও ভূ-রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নেয় এবং এটি একটি জটিল বিষয়।’ তিনি আরো বলেন, ‘ইরানের সাথে কেউ কখনো সফল চুক্তি করতে পারেনি, তবে আমরা চেষ্টা করব।’

এর আগে গত জুনে কংগ্রেসের অনুমোদন বা শীর্ষ ডেমোক্র্যাট নেতাদের অবহিত না করেই ইরানে হামলা চালিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। তখন কিছু আইনপ্রণেতা আপত্তি জানিয়ে বলেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্রের ওপর কোনো আসন্ন হুমকি না থাকা সত্ত্বেও ওই হামলা চালানো হয়েছিল। মধ্যপ্রাচ্যে সক্রিয় বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং জ্যারেড কুশনার বর্তমানে ‘গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের’ জন্য সফর করছেন বলে উল্লেখ করেন রুবিও। কংগ্রেসকে যুক্ত করার বিষয়ে মার্কিন আইন মেনে চলার প্রতিশ্রুতি দিয়ে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘তবে এখন আমরা সেসব (হামলা) নিয়ে কথা বলছি না। আমরা আলোচনার বিষয়ে কথা বলছি।’