কূটনীতির মাধ্যমে ইরানে অস্থিরতার অবসান ঘটবে : এরদোগান
Printed Edition
আনাদোলু
তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান ইরানের চলমান অস্থিরতাকে তেহরানের জন্য একটি নতুন পরীক্ষা হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি সতর্ক করে বলেছেন, এ অঞ্চলকে বিশৃঙ্খলার দিকে ঠেলে দেবে এমন যেকোনো উদ্যোগের বিরুদ্ধে তুরস্ক দৃঢ়ভাবে দাঁড়াবে। সোমবার মন্ত্রিসভার সাপ্তাহিক বৈঠকের পর টেলিভিশনে সম্প্রচারিত এক ভাষণে তিনি এ কথা জানান।
এরদোগান বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি যে, সংলাপ এবং কূটনীতিকে অগ্রাধিকার দেয়ার নীতির মাধ্যমে আমাদের ইরানি ভাইয়েরা আল্লাহর দয়ায় এ অস্থির সময়কাল অতিক্রম করবে।’ ইরানে চলমান সাম্প্রতিক বিক্ষোভ নিয়ে এটিই এরদোগানের প্রথম আনুষ্ঠানিক মন্তব্য। এ প্রসঙ্গে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘ইসরাইলি হামলার পর আমাদের প্রতিবেশী ইরান এখন এমন একটি নতুন পরীক্ষার মুখোমুখি হচ্ছে, যা তার সামাজিক শান্তি ও স্থিতিশীলতাকে লক্ষ্য করে পরিচালিত হচ্ছে।’
তিনি আরো বলেন, ‘ইরানের রাস্তাঘাটে যা ঘটানোর চেষ্টা করা হচ্ছে, তা আমরা সবাই পর্যবেক্ষণ করছি। আমাদের নীতি শান্তি ও স্থিতিশীলতাকেন্দ্রিক হওয়ায়, আমরা এমন যেকোনো উদ্যোগের বিরুদ্ধে অবস্থান অব্যাহত রাখব যা আমাদের অঞ্চলকে অনিশ্চয়তার দিকে টেনে নিয়ে যায়।’ এর আগে গত সপ্তাহে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান জানিয়েছিলেন, ইরানের বিরুদ্ধে যেকোনো সামরিক অভিযানের বিরোধিতা করে আঙ্কারা।
উল্লেখ্য, অর্থনৈতিক অসন্তোষের কারণে গত ২৮ ডিসেম্বর ইরানে বিক্ষোভ শুরু হয়। পরবর্তীতে এ বিক্ষোভ সরকার পতনের আন্দোলনে রূপ নেয়। বিক্ষোভ তীব্র আকার ধারণ করলে গত ৮ জানুয়ারি ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ করে দেয় সরকার। এরপর সরকারি বাহিনীর সাথে বিক্ষোভকারীদের ব্যাপক সহিংসতার ঘটনা ঘটে। ইরানি কর্তৃপক্ষ এ বিক্ষোভের জন্য যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরাইলকে দায়ী করেছে।