নবজাতককে নিয়ে ভোটকেন্দ্রে স্বামী-স্ত্রী

Printed Edition

নিজস্ব প্রতিবেদক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট দিতে ধানমন্ডির ১৭ এলাকা থেকে মাত্র এক মাস তিন দিনের নবজাতককে নিয়ে আসেন মো: সাব্বির ও তার স্ত্রী। গতকাল ঢাকা-১০ আসনের ঢাকা কলেজ কেন্দ্রে ভোট দিতে আসেন এ দম্পত্তি। মো: সাব্বির বলেন, দীর্ঘদিন পর ভোট দেয়ার জন্য আমি ও স্ত্রী নবজাতক সন্তানকে নিয়ে চলে আসি। আমার স্ত্রী ভোট দিতে ভেতরে গেছে; তাই সন্তানকে কোলে নিয়ে আমি বাইরে অপেক্ষা করছি। আমার স্ত্রী ভোট দিয়ে আসলে তারপর আমি যাবো।

তিনি আরো বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর আমরা ভোট দিতে পারিনি। তাই আমার সন্তানকে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলের নির্বাচনের সাক্ষী হিসেবে রাখতে চাই। আমরা ভোট দিতে আসছি সন্তানের ভালোর জন্য। আমাদের সময় তো অনেকটা পার হয়ে গেছে। আমরা দেশের ভালো চাই কারণ তাদের ভবিষ্যৎ যেন ভালো থাকে।

জীবনের শেষ ভোট দিতে চান তিনি

প্রায় ৯০ বছর বয়সী ফরিদ উদ্দিন ছেলের কাঁধে ভর করে ঢাকা-১০ আসনের নিউ মডেল ডিগ্রি কলেজ কেন্দ্রে জীবনের শেষ ভোট দিতে আসেন। ঠিকমতো হাঁটতে পারে না। তিনি বলেন, গত ১৫ বছর ভোট দিতে পারিনি। স্বৈরাচার শেখ হাসিনা আমাদেরকে ভোট থেকে বঞ্চিত করে রেখেছিল। তাই যেহেতু বেঁচে আছি জীবনের শেষ ভোটটা দিয়ে যেতে চাই।

হ্যাঁ ভোট গোপনে দিবো কেন

দুপুর দুইটা। ঢাকা-৯ আসনের ভোটকেন্দ্র দক্ষিণ বাসাবো সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। দুই নারী ভোটার নির্বাচনী স্লিপ নিতে গেলেন শাপলা কলির প্রার্থীর বুথ থেকে। কিন্তু ধানের শীষের কর্মীরা জোর করে তাদের ধানের শীষের স্লিপ হাতে ধরিয়ে দেন। এরপর ভোট দিতে ঢুকলেন ৩৫/৪০ বছর বয়সী এক ব্যক্তি। পোলিং অফিসারের কাছ থেকে ব্যালট নিলেন তিনি। একটি হ্যাঁ-না ব্যালট। অপরটি সংসদ নির্বাচনের প্রার্থীদের ব্যালট। ওই ব্যক্তি গোপন কক্ষে না গিয়েই পোলিং অফিসারের সামনেই হ্যাঁ ব্যালটে সিল মারেন। কেন গোপন কক্ষে না গিয়ে প্রকাশ্যে সিল মারা? ওই ব্যক্তির জবাব ‘হ্যাঁ ভোট গোপনে দিতে হবে কেন। এটাতো প্রকাশ্যে দেয়ার বিষয়।’ অবশ্য প্রার্থীর প্রতীকে সিলটি তিনি গোপন স্থানেই দিয়েছেন।