এয়ারবাস অংশীদারিত্ব ইইউর সাথে ঢাকার দীর্ঘমেয়াদি সম্পৃক্ততার ইঙ্গিত

Printed Edition
3rd-5
বিমান ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানমের (রিতা) সাথে ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত জ্যঁ মার্ক সেরে শার্লি সাক্ষাৎ করেন। এ সময় প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত উপস্থিত ছিলেন : পিআইডি

নয়া দিগন্ত ডেস্ক

বাংলাদেশে নিযুক্ত ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত জ্যঁ-মার্ক সেরে-শার্লি বলেছেন, এয়ারবাসের সাথে অংশীদারিত্ব ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সাথে দীর্ঘমেয়াদি বিমান চলাচল সহযোগিতায় বাংলাদেশের আগ্রহের প্রতিফলন।

গতকাল সোমবার ফরাসি দূতাবাসের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, তিনি আজ সচিবালয়ে বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম রীতার সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এ কথা বলেন।

বৈঠকে প্রতিমন্ত্রী এম রাশিদুজ্জামান মিল্লাতও উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে বেসামরিক বিমান চলাচল খাতে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা জোরদার এবং বিদ্যমান সম্পৃক্ততা সম্প্রসারণের সুযোগ নিয়ে আলোচনা হয়।

রাষ্ট্রদূত বলেন, এয়ারবাসের সাথে এই অংশীদারিত্ব শুধু বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বহরের সক্ষমতা বাড়াবে না, বরং বাংলাদেশের সামগ্রিক বিমান চলাচল খাতকেও শক্তিশালী করবে।

তিনি বলেন, ‘এটি বেসামরিক বিমান চলাচলের ক্ষেত্রে ইইউর সাথে দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারিত্বে যুক্ত হওয়ার বাংলাদেশের ইচ্ছাকে বাস্তবভাবে তুলে ধরবে।’

তিনি থ্যালেস ও বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (সিএএবি) মধ্যে চমৎকার সহযোগিতার কথা তুলে ধরেন, বিশেষ করে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উন্নয়ন এবং দেশের বিমান চলাচল ব্যবস্থাপনা (এয়ার ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট) ব্যবস্থার সফল রূপান্তরে।

ইউরোপীয় কোম্পানিগুলোর বৃহত্তর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে একটি সমতাভিত্তিক ও ন্যায্য প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ তৈরির ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন। এয়ারবাসের প্রসঙ্গে রাষ্ট্রদূত ইউরোপীয় এই কোম্পানির বাংলাদেশের বিমান চলাচল শিল্পের উন্নয়নে সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।

তিনি উল্লেখ করেন, দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মধ্যবর্তী কৌশলগত অবস্থানের কারণে বাংলাদেশ একটি আঞ্চলিক বিমান চলাচল কেন্দ্র হিসেবে গড়ে ওঠার উল্লেখযোগ্য সম্ভাবনা রাখে।

ফ্রান্স নতুন সরকারের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও বিমান চলাচল খাতে সহযোগিতা আরো জোরদার করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে।