ড. প্রিয়াঙ্কা গোপের সভাপতিত্বে ‘সঙ্গীত উৎসব ২০২৬’
Printed Edition
বিনোদন প্রতিবেদক
ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ে সঙ্গীত বিভাগ প্রতিষ্ঠার পর থেকেই প্রতি বছর নিয়মিতভাবে উদযাপিত হয়ে আসছে ‘সঙ্গীত উৎসব’। সেই ধারাবাহিকতায় বিভাগের বর্তমান চেয়ারপারসন ও এই প্রজন্মের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত শ্রোতাপ্রিয় সঙ্গীতশিল্পী ড. প্রিয়াঙ্কা গোপের সভাপতিত্বে গতকাল ১৯ জানুয়ারি সোমবার বিকেল ৩টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত ‘সঙ্গীত উৎসব ২০২৬’ অনুষ্ঠিত হয়। এ প্রসঙ্গে ড. প্রিয়াঙ্কা গোপ জানান এবারের উৎসবের বিষয় নির্ধারিত হয়েছিল ‘চির বিস্ময় আমি বিশ^ বিধাত্রীর’ : সুরবৈচিত্র ও ভাবনার প্রাসঙ্গিকতায় কাজী নজরুল ইসলাম’। ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ের ছাত্র শিক্ষক কেন্দ্র মিলনায়তনে আয়োজিত এই উৎসবে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক নিয়াজ আহমদ খান, পিএইচডি। উৎসবে সঙ্গীত বিভাগের শিক্ষক শিক্ষার্থী ও দেশবরেণ্য শিল্পীরা নজরুল সঙ্গীত পরিবেশন করবেন। এর পাশাপাশি গুণীজনদের সম্মাননা প্রদান, নীলুফার ইয়াসমীন স্মারক বৃত্তি প্রদান, মো: শহিদুল ইসলাম স্মারক বৃত্তি প্রদান, সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার পুরস্কার প্রদান করা হয়েছে। বিকেল ৩টায় প্রদীপ প্রজ্বলন ও উদ্বোধনী সঙ্গীতের মধ্যদিয়ে উৎসব শুরু হয়। বিকেল ৪টায় নজরুলের গান, নৃত্য, কবিতা ও পাঠ-এর আসর সম্পন্ন হবে। রাত ১০টার মধ্যে ধন্যবাদ জ্ঞাপন ও জাতীয় সঙ্গীতের মধ্যদিয়ে প্রিয়াঙ্কা গোপের সভাপতিত্বে দ্বিতীয়বারের মতো এই উৎসব শেষ হয়। অনুষ্ঠানে ফাতেমা তুজ জোহরা, খায়রুল আনাম শাকিল, টিটু মুন্সী, মৃদুলা সমাদ্দার, দীপা দাশসহ বিভাগের প্রাক্তন শিক্ষার্থী, নৃত্যকলা বিভাগ, থিয়েটার অ্যান্ড পারফরর্ম্যান্স স্টাডিজ বিভাগ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গীত বিভাগ ও বিভাগের সম্মানিত শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা সঙ্গীত পরিবেশন, কবিতা আবৃত্তি, গজল পরিবেশন করেন। প্রিয়াঙ্কা গোপ বলেন,‘গত বছর লোক সঙ্গীত নিয়ে উৎসব করেছি, এই বছর নজরুল সঙ্গীত নিয়ে। অস্থির একটা সময়ে এমন উৎসব করার মধ্যেও শিক্ষার্থীরা প্রবল আগ্রহ নিয়ে কাজ করেছে। শিক্ষক এবং অন্যান্য কলাকুশলীরা দিন রাত অনেক শ্রম দিয়েছেন। গত বছর বিভাগের ইউটিউব চ্যানেলে (ডিপার্টম্যান্ট অব মিউজিক, ইউনিভার্সিটি অব ঢাকা) চালু করা হয়েছিল যেখানে শিক্ষকদের একটি গান প্রকাশ করা হবে। যদিও প্রতি বছর দুই দিনব্যাপী উৎসব অনুষ্ঠিত হয়; কিন্তু এ বছর আর্থিক জোগান স্বল্পতা এবং দেশের সার্বিক পরিস্থিতি সবমিলিয়ে একদিনেই এই উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। তবুও আনন্দ লাগছে, কারণ এই উৎসবের জন্য সারা বছর সবাই অধীর আগ্রহে অপেক্ষায় থাকেন।’
উৎসব উপলক্ষে একটি রঙিন স্মরণিকাও প্রকাশিত হয়েছে।