ঝালকাঠির ২টি আসনে ১৪ জন জামানত হারালেন

Printed Edition

ঝালকাঠি প্রতিনিধি

ঝালকাঠি জেলার দুইটি সংসদীয় আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা ১৮ জন প্রার্থীর মধ্যে নির্ধারিত ভোটের হার অর্জনে ব্যর্থ হওয়ায় ১৪ জনের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। প্রদত্ত মোট বৈধ ভোটের এক-অষ্টমাংশ বা ১২ দশমিক ৫ শতাংশের কম ভোট পেলে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর জামানত সরকারি কোষাগারে চলে যায়।

ঝালকাঠি-২ (নলছিটি-ঝালকাঠি সদর) আসনে মোট বৈধ ভোট পড়েছে ২ লাখ ২১ হাজার ২৬৪টি। সেই হিসেবে জামানত রক্ষায় ন্যূনতম প্রয়োজন ছিল ২৭ হাজার ৬৫৮ ভোট। তবে ছয়জন প্রার্থী এ সীমা অতিক্রম করতে পারেননি। এ আসনে জামানত হারানো প্রার্থীরা হলেন- ন্যাশনাল পিপলস পার্টির (এনপিপি) ফোরকান হোসেন (১২৭ ভোট), জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) মাসুদ পারভেজ (১০৫ ভোট), স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. নুরুদ্দীন সরদার (৭৭ ভোট), গণঅধিকার পরিষদের মো. মাহমুদুল ইসলাম সাগর (১২২ ভোট), স্বতন্ত্র প্রার্থী সৈয়দ রাজ্জাক আলী (৩ হাজার ১২৫ ভোট) এবং ইসলামী আন্দোলনের মুহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম সিরাজী (২৪ হাজার ৫৪৩ ভোট)।

অপরদিকে এ আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত প্রার্থী ইসরাত সুলতানা ইলেন ভুট্টো ১ লাখ ১৩ হাজার ৯১৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী এস এম নেয়ামুল করিম পেয়েছেন ৭০ হাজার ৫৫৬ ভোট।

ঝালকাঠি-১ (রাজাপুর-কাঠালিয়া) আসনে মোট ভোট পড়েছে ১ লাখ ২৯ হাজার ৪৪টি। এ আসনে জামানত রক্ষায় ন্যূনতম প্রয়োজন ছিল ১৬ হাজার ১৩১ ভোট। এই সীমার নিচে ভোট পাওয়ায় আট প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়।

জামানত হারানো প্রার্থীরা হলেন- ইসলামী আন্দোলনের মাওলানা ইব্রাহিম আল হাদী, স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার মইন আলম ফিরোজী, জাতীয় পার্টির মো. কামরুজ্জামান খান, জনতার দলের মো. জসিম উদ্দিন তালুকদার, জাতীয় পার্টির (জেপি) মো. রুবেল হাওলাদার, গণঅধিকার পরিষদের মো. শাহাদাৎ হোসেন, স্বতন্ত্র প্রার্থী মেজর (অব.) মো. সাবির আহমেদ এবং জেএসডির মো. সোহরাব হোসেন।