দেশের মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষাব্যবস্থায় ৯৪ শতাংশ শিক্ষার্থী পড়াশোনা করে বেসরকারি পর্যায়ে। তাদের মধ্যে বেশির ভাগ শিক্ষার্থী পড়াশোনা করে এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোতে। এসব এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগের গুরু দায়িত্ব পালন করছে এনটিআরসিএ। বাংলাদেশের প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থায় বেসরকারি পর্যায়ের শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়াগুলোর মধ্যে অন্যতম মাধ্যম হলো এনটিআরসি নিবন্ধনপ্রক্রিয়া।
এনটিআরসিএ প্রতিষ্ঠিতর পর থেকে পর্যন্ত ১৭টি শিক্ষক নিবন্ধনপ্রক্রিয়া শেষ করে ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধনপ্রক্রিয়া শেষের দ্বারপ্রান্তে প্রতিষ্ঠানটি। তবে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং এনটিআরসিএর কার্যক্রমে সমন্বয়হীনতা কিছু ক্ষেত্রে লক্ষণীয়।
এনটিআরসিএ ২০০৫ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে ২০১৮ সালে এসে গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগপ্রক্রিয়া শুরু করে। এর আগেও বেশ কিছু শিক্ষক নিবন্ধনপ্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করা হয়। আগে শুধু পরীক্ষা নিয়ে সনদ দেয়া ছিল এর মূল কাজ। নিয়োগপ্রক্রিয়া ছিল সম্পূর্ণভাবে ব্যবস্থাপনা কমিটির ওপর। এনটিআরসিএর যুগান্তকারী পদক্ষেপ হলো গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগ। কিন্তু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ও শিক্ষার্থীদের চাহিদা সবার আগে এনটিআরসিএ পূরণ করতে পারছে বলে প্রতীয়মান হচ্ছে না। এর অন্যতম কারণ হলো প্রক্রিয়াগুলোর মধ্যে দীর্ঘসূত্রতা এবং তারণ্য-নির্ভর ইচ্ছাশক্তির অভাব। কারণ একটি নিয়োগপ্রক্রিয়া শেষ করতে প্রায় তিন বছরের মতো সময় লেগে যাচ্ছে। এটি কোনো যুক্তিতে গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।
এনটিআরসিএ বিভিন্ন সময় নানা ধরনের কলাকৌশল নিয়ে শিক্ষার্থীদের তাদের ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত করছে বলে প্রাথমিকভাবে প্রতীয়মান হচ্ছে। যদিও হাইকোর্টের রিটের পরিপ্রেক্ষিতে এনটিআরসিএকে কৌশল অবলম্বন করতে হয়েছে। যেমন একটি নিবন্ধন সনদের মেয়াদ তিন বছর করে দিয়েছেন হাইকোর্ট।
নিবন্ধন সনদের মেয়াদ বেঁধে দেয়ায় অনেক শিক্ষার্থী পঞ্চম গণবিজ্ঞপ্তিতে আবেদন করতে পারেননি বয়স থাকলেও। আর করোনা-পরবর্তী সময়ে সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা সম্প্রতি বাড়ানো হলেও এনটিআরসিএর মাধ্যমে নিয়োগ প্রার্থীদের ক্ষেত্রে বয়স কেন বাড়ানো হলো না এখন পর্যন্ত। এগুলো কি সমন্বয়হীনতা নয়! বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তির জন্য এনটিআরসিএ প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ ফাইল আকারে প্রধান উপদেষ্টার দফতরে দিয়েছেন। কিন্তু সরকারের উচ্চপর্যায়ে থেকে এ বিষয়ে আজো কোনো পদক্ষেপ নিয়েছে বলে মনে হয়নি না। বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তির জন্য প্রথম থেকে ১৫তম শিক্ষক নিবন্ধনকারীরা আবেদন করলেও সে প্রচেষ্টা অনেকাংশে সফল হচ্ছে বলে মনে হয় না। ফলে নিবন্ধন সনদ থাকলেও এবং প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় চাহিদা দেয়া সত্ত্বেও শিক্ষক সঙ্কট দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হচ্ছে। এগুলো সমাধানের পথ হতে পারে আবেদনকারীদের বয়সসীমা শিথিল করে অর্থাৎ দুই থেকে তিন বছর বাড়িয়ে যেমন বয়স ৩৭-৩৮ করে এনটিআরসির বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তি দিয়ে প্রথম থেকে ১৫তম নিবন্ধনদারীদের নিয়োগের মাধ্যমে শিক্ষক সঙ্কট ও বেকার সমস্যা কিছুটা হলেও দূর করা। এর জন্য সরকারের নির্বাহী আদেশ একান্তভাবে আবশ্যকীয়। কারণ শুধু নির্বাহী আদেশের ফলে এনটিআরসিএ বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে পারবে।
এনটিআরসিএর সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে এক লাখ এক হাজার ১৪২টি সহকারী শিক্ষক ও প্রভাষকদের শূন্য পদ রয়েছে। এসব শূন্যপদ ক্রমান্বয়ে বাড়ছে। অর্থাৎ প্রতিনিয়ত শিক্ষকদের অবসরে যাওয়ায় শূন্য পদের সংখ্যা বাড়তে থাকবে। এরমধ্যে কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের প্রতিষ্ঠানসমূহে ৫৪ হাজার ৭২৮টি পদ শূন্য রয়েছে। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের প্রতিষ্ঠানসমূহে ৪৬ হাজার ৪১৪টি পদ শূন্য রয়েছে। এতগুলো শূন্য পদ রয়েছে কেবল প্রথম থেকে ১৫তম শিক্ষক নিবন্ধনকারীরা পঞ্চম গণবিজ্ঞপ্তিতে আবেদন করতে পারেননি বলে।
অন্যদিকে, ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধনে লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন ৮৩ হাজার ৮৬৫ জন। ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধনের মৌখিক পরীক্ষা চলমান। এর উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শিক্ষার্থী লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পরও ভাইভা পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করছেন না। ফলে নানা জটিলতায় ষষ্ঠ গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হলেও শিক্ষক সঙ্কট দূর হবে না। সেই সাথে বেকার সমস্যাও প্রবল হবে। এসব থেকে উত্তরণে একমাত্র পথ হলো সরকারের নির্বাহী আদেশে বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করা।
আবার প্রথম থেকে ১৫তম নিবন্ধন দারিদ্যের সংখ্যাও খুব বেশি না। বয়সসীমা ৩৭-৩৮ বেঁধে দিলে কিংবা দুই বছর বাড়িয়ে দিয়ে আবেদনের সুযোগ দিলে ১৫ হাজার থেকে সর্বোচ্চ ২০ হাজার নিবন্ধনধারী শিক্ষক পাওয়া যাবে। তাই সঙ্গত কারণে সংশ্লিষ্ট সবাইকে উপলব্ধি করতে হবে যে, বিগত বাকশালী ও ফ্যাসিস্টদের সময় বিভিন্ন কলাকৌশল করে তাদের পছন্দের প্রার্থীদের চাকরি দেয়া হতো। ফলে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক নিবন্ধনধারী চাকরির সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়। প্রথম থেকে ১৫তম শিক্ষক নিবন্ধনধারীদের মানবিক দিক বিবেচনা করে বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ সময়ের দাবিতে পরিণত হয়েছে। এ বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টা ও শিক্ষা উপদেষ্টাকে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে।
আমাদের প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থায় মাধ্যমিক স্তরের বিষয়ে সরকারের উঁচু থেকে শুরু করে একেবারে নিম্নপর্যায় পর্যন্ত এক ধরনের উদাসীনতা লক্ষ করা যায়। অর্থাৎ সমন্বয়হীনতার প্রভাব পরিলক্ষিত হয় মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষাব্যবস্থার বেশির ভাগ ব্যবস্থাপনায়। যে কারণে মাধ্যমিক শিক্ষাব্যবস্থায় শিক্ষক সঙ্কট তীব্র থেকে তীব্রতার হচ্ছে। অর্থাৎ যে পর্যায়ে শিক্ষকরা অবসর গ্রহণ করছেন সে পর্যায়ে কিন্তু নতুন করে শিক্ষক নিয়োগ দেয়ায় দীর্ঘসূত্রতার প্রভাব থেকে মুক্ত হতে পারছে না। ফলে শিক্ষাব্যবস্থায় যে রকম এর বিরূপ প্রভাব পড়ছে তেমনিভাবে বেকার সমস্যা আরো তীব্র হচ্ছে।
এত সব সমস্যার মধ্যেও এনটিআরসির মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ। যেখানে শিক্ষক নিয়োগে কমিটির মাধ্যমে হলে লাখ লাখ টাকার বাণিজ্য হতো সেখানে টাকা ছাড়া এনটিআরসিএর কল্যাণে প্রকৃত মেধাবীরা শিক্ষাব্যবস্থায় আগ্রহী হয়ে উঠছেন। সরকারের নীতি-নির্ধারণী উঁচুপর্যায়ে যারা আছেন; তাদের উপলব্ধি করতে হবে প্রকৃত বাস্তবতা। নিয়ম-কানুন ও কলাকৌশল অনেক থাকতে পারে কিন্তু প্রথম থেকে ১৫তম নিবন্ধনধারীদের ক্ষেত্রে একটু সহানুভূতিশীল হলে রাষ্ট্রের ক্ষতি হবে না; বরং রাষ্ট্রের মানবিক দিকটি পূর্ণভাবে ফুটে উঠবে। কারণ ৫ আগস্ট-পরবর্তী বাংলাদেশে অনেক নতুন এবং যুগান্তকারী পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে। যেগুলো রাষ্ট্র ও জনগণের কল্যাণের জন্য নেয়া হচ্ছে।
সুতরাং অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় থেকে বিশেষ নির্দেশনার মাধ্যমে এনটিআরসিএ-কে বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশের ব্যবস্থা গ্রহণে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে নির্দেশনা দিলে শিক্ষক সঙ্কট যে রকম দূর হবে, তেমনিভাবে হতাশ হওয়া ১৫ থেকে ২০ হাজার বেকার তরুণ তাদের কর্মজীবন শুরু করতে পারবেন। শিক্ষা উপদেষ্টাকে এ বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে হবে। কারণ তিনিও একজন শিক্ষক। সেই হিসেবে শিক্ষকের গুরুত্ব ও পেশাদারিত্ব বজায় রাখার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষে গ্রহণ করবেন তিনি, এই প্রত্যাশা করা খুব বেশি কিছু নয়।
সর্বশেষ পঞ্চম গণবিজ্ঞপ্তিতে শূন্য পদের সংখ্যা ছিল ৯৬ হাজার ৭৩৬টি। কিন্তু শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের চূড়ান্তভাবে নিয়োগপ্রাপ্ত প্রার্থীর সংখ্যা মাত্র ১৯ হাজার ৫৮৬টি। এ জটিলতা সৃষ্টি হয়েছিল এনটিআরসিএর বিভিন্ন কলাকৌশলে। যেমন ইনডেক্সধারী কেউ আবেদন করতে পারবেন না। এটি অবশ্য ভালো পদক্ষেপ ছিল। কিন্তু বয়স ৩৫-এর নিচে থাকা সাপেক্ষে কোর্টের নির্দেশক্রমে নিবন্ধন সনদের মেয়াদ তিন বছর বেঁধে দেয়ায় এ বিরাটসংখ্যক শূন্য পদ রয়ে গেছে। এগুলো অবশ্যই বিগত ফ্যাসিবাদী সরকার বৈষম্য সৃষ্টি করেছিল। সুতরাং বাস্তবতা উপলব্ধি করে অনেকের কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশের প্রত্যাশা কি খুব বড় চাওয়া? কারণ বিগত ফ্যাসিস্ট হাসিনার আমলের অনেক নিয়ম-কানুন কিন্তু বিভিন্নভাবে বাতিল করা হচ্ছে। সুতরাং শিক্ষক নিয়োগের নির্দেশাবলি অন্তর্বর্তী সরকারের নির্বাহী আদেশে বাতিল করে বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করলে জাতির শিক্ষক সঙ্কট কিছুটা হলেও সমাধান হবে বলে আমাদের কাছে মনে হয়েছে। বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের আইন উপদেষ্টা এবং শিক্ষা উপদেষ্টা দু’জনেই শিক্ষক। সুতরাং তাদের কাছ থেকে প্রথম থেকে ১৫তম নিবন্ধনধারীরা এটুকু প্রত্যাশা করতে পারেন যে, অন্তত বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তির ব্যবস্থা করে ছাত্রছাত্রীদের কর্মসংস্থানে প্রবেশের সুযোগ করে দেবেন।
বাংলাদেশ বিনির্মাণে এমপিওভুক্ত স্কুল এবং কলেজের শিক্ষকরা কোনো অংশে কম ভূমিকা রাখবেন না। অথচ কোনো প্রতিষ্ঠানে যদি কোনো বিষয়ের শিক্ষক অবসরে যান তাহলে এনটিআরসিএর মাধ্যমে শিক্ষক পেতে দুই থেকে তিন বছরের একটি জটিলতায় পড়তে হয়। তাহলে ওই বিষয়ে পড়াশোনা চলবে কী করে! এসব বিষয়ে এনটিআরসিএর আরো যত্নশীল হতে হবে। যদিও সাম্প্রতিক সময়ে আগামী তিন বছরে যারা অবসরে যাবেন তাদের একটা তথ্য নিয়ে রেখেছে এনটিআরসিএ। এগুলো এনটিআরসিএ এর অবশ্য ভালো পদক্ষেপ। তবে শুধু তথ্য নিয়ে রাখলেই চলবে না, কার্যক্রমে গতিশীলতা আনতে হবে। তাই নতুন বাংলাদেশে যেন নতুন করে কোনো ধরনের বৈষম্য সৃষ্টি না হয়; সেদিকে এনটিআরসিএকে বিশেষ নজর রাখতে হবে। অন্তর্বর্তী সরকারের বিশেষ নির্দেশক্রমে এনটিআরসিএ যদি বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশের অনুমতি পায় তাহলে বৈষম্য কিছুটা হলেও দূর হবে।
যদি এনটিআরসিএর বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে প্রথম থেকে ১৫তম নিবন্ধনধারীদের মধ্যে থেকে ১৫-২০ হাজারের মতো শিক্ষক নিবন্ধনধারীর কর্মসংস্থানের সৃষ্টি করা যায়; তাহলে ১৫ থেকে ২০ হাজার পরিবার সচ্ছলভাবে চলার সুযোগ পাবে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট সবাইকে মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ রইল। আর যেসব কর্মকর্তা আইন উপদেষ্টা, শিক্ষা উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তির বিষয়ে যোগাযোগ রাখছেন তাদের প্রতি অনুরোধ রইল তারা যেন আন্তরিকতার সাথে বিষয়টি সংশ্লিষ্ট সবাইকে যৌক্তিকভাবে এবং তথ্য প্রমাণের ভিত্তিতে বাস্তবতার নিরিখে বিশ্লেষণ করে উপস্থাপন করবেন। সংশ্লিষ্ট সবাই বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তির বিষয়ে ইতিবাচক ধারণা নিয়ে বিচার-বিশ্লেষণ করে এটি প্রকাশের নির্দেশ দেবেন। এনটিআরসিএর বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে পারলে অন্তর্বর্তী সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের মতো এটিও একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ হবে।
আমরা চাই এনটিআরসিএ মানবিকতাপূর্ণ একটি প্রতিষ্ঠানে পরিণত হোক। সংশ্লিষ্ট সবার মধ্যে শুভ বুদ্ধির উদয় হোক।
লেখক : শিক্ষক
mahmuduljnu71@gmail.com