অধিকার হলো রাষ্ট্র ও সমাজ স্বীকৃত এবং সংরক্ষিত স্বত্ব যা ব্যক্তি ভোগ করতে পারে। সমাজ ও রাষ্ট্রস্বীকৃত নীতিগত সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার বিধানই হলো নাগরিক অধিকার। অধ্যাপক লাস্কি বলেন, ‘Rights are those Conditions of Social Life Without Who is no Man can seek, In general, to be himself, at his best’। অধিকার হচ্ছে সমাজজীবনের সেসব শর্ত যা ছাড়া ব্যক্তি তার ব্যক্তিত্বের পূর্ণ বিকাশ ঘটাতে পারে না। অধ্যাপক বার্নারও লাস্কির সংজ্ঞা সমর্থন করেন। কোনো অধিকারই অধিকার নয়, যদি না সমাজ, সরকার ও রাষ্ট্র তার স্বীকৃতি দেয়। দৃশ্যমানভাবে পৃথিবীর সব রাষ্ট্র নাগরিকের অধিকার সংরক্ষণের প্রতিশ্রুতি দেয়। রাষ্ট্রের আনুষ্ঠানিক ঘোষণায়, সংবিধানে এবং আইনে অধিকারের নিশ্চয়তা বিধান করা হয়।
বাংলাদেশের জনগণের জন্য ‘সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচার’ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ১০ এপ্রিল ১৯৭১ স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র প্রকাশ করা হয়। পরবর্তীকালে রচিত সংবিধানের তৃতীয়ভাগে মৌলিক অধিকারের বিস্তারিত বর্ণনা দেয়া হয়। সংবিধানের ২৬ অনুচ্ছেদ থেকে ৪৭(ক) অনুচ্ছেদ পর্যন্ত এই অধিকারমালা বিস্তৃত। ড. কামাল হোসেন একজন আইনজ্ঞ এবং নাগরিক অধিকারের প্রবক্তা হওয়ার কারণে সুস্পষ্ট ও সুনির্দিষ্টভাবে সংবিধানে মানবাধিকারের বিষয়াবলি চিহ্নিত করেন। বাস্তবিক অর্থে সংবিধানের এসব শর্ত নাগরিক সাধারণের কোনো উপকারে আসেনি। কথায় বলে, কাজীর গরু কেতাবে আছে- গোয়ালে নেই।
অধিকার গণতন্ত্রের অপরিহার্য অংশ। ব্যক্তি যদি গণতান্ত্রিক মন-মানসিকতার না হয়, তাহলে অন্যের অধিকার সে নিশ্চিত করতে পারে না। আর কর্তৃত্বের সর্বাংশ যদি হয় তার উপর নির্ভরশীল, যদি তাকে জবাবদিহি না করতে হয় তাহলে সে হয়ে দাঁড়ায় একজন শেখ হাসিনা। শেখ সাহেব আমিত্বের ভাষায় কথা বলতেন। পার্লামেন্টে দাঁড়িয়ে বিপ্লবী সিরাজ শিকদারকে হত্যার ঔদ্ধত্য প্রকাশ করেছিলেন। বিরোধী শক্তি তথা জাসদের মোকাবেলায় তার নিজের ভাষায় ‘লাল ঘোড়া দাবড়ে দিয়েছিলেন’। অবশেষে বাকশাল ঘোষণা করে সব অধিকার ও স্বাধীনতা অস্বীকার করেছিলেন। ঘোষিত হয়েছিল এক নেতা এক দেশ বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ। নাজিবাদ বা ফ্যাসিবাদের সমধর্মী এই স্লোগান আওয়ামী লীগের অস্থি-মজ্জায়, রগে-রক্তে ও অণু-পরমাণুতে সংক্রমিত ছিল। তার ইতিহাস অন্তত এই প্রজন্মকে বলে বোঝাতে হবে না। তারা নাগরিক সাধারণের সব অধিকার হরণ করেছিল। সংবিধানে বর্ণিত আইনের দৃষ্টিতে সমতা, বৈষম্য নিরসনের অঙ্গীকার, সরকারি নিয়োগ লাভে সুযোগের সমতা এবং আইনের আশ্রয় লাভের অধিকার অস্বীকার করেছিল। তারা চলাফেরার স্বাধীনতা হরণ করেছিল। সমাবেশের স্বাধীনতা কেড়ে নিয়েছিল। সংগঠনের স্বাধীনতা রদ করেছিল। চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা তথা বাক-স্বাধীনতা যারা নিশ্চিত করতে চেয়েছে তাদের উপর নিপীড়ন-নির্যাতনের খড়গ নেমে এসেছিল।
আবরার ফাহাদ চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতার সেই প্রতীক যাকে জীবন দিয়ে অধিকার ও দেশপ্রেমের মাশুল দিতে হয়েছে। আওয়ামী দুঃশাসনের বছরগুলোতে এরকম অসংখ্য আবরার ফাহাদকে প্রাণ দিতে হয়েছে। আয়নাঘর তার নিকৃষ্ট নমুনা। বন্দুকযুদ্ধের নাটক সাজিয়ে বিরোধী শক্তিকে নির্মূল করার ঘৃণ্য প্রয়াস নেয়া হয়েছে। পাশ্চাত্য প্রভুদের অনুগ্রহ লাভের জন্য জঙ্গি দমনের নামে প্লট সাজিয়ে নিরীহ ও ধার্মিক মানুষদের হত্যা করা হয়েছে। এ গল্পের শেষ নেই। আওয়ামী শাসনে শুধু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকেই অত্যাচারের বাহন হিসেবে গড়ে তুলেনি; তারা তাদের আওয়ামী ক্যাডারদের দ্বারা গোটা বাংলাদেশকে বৃহৎ একটি কারাগারে রূপান্তরের প্রক্রিয়া শুরু করেছিল। কোথায় কোন অজোপাড়াগাঁয়ের কিশোর তাকে গালি দিয়েছে, তারা তাকে জেলে ভরেছে। গ্রামের কোনো সাধারণ মানুষ আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে উষ্মা প্রকাশ করেছে, তাকে তারা নাস্তানাবুদ করেছে। দেশের সাধারণ মানুষের যেমন কোনো অধিকার ছিল না, তেমনি ছিল না আবরার ফাহাদের। গ্রাম-গঞ্জে, শহর-নগরে এমনকি অলি-গলিতে পাহারা বসিয়েছিল আওয়ামী ঘাতকরা। আন্দোলনের সময়গুলোতে পঞ্চগড় কিংবা পটুয়াখালী থেকে আসা কোনো নিরীহ নাগরিক হোটেলে নিরাপদ ছিল না। গাজীপুর কিংবা সাভার থেকে আসা মানুষ তল্লাশির মুখে পড়েছে মহানগরীর প্রবেশপথগুলোতে। সামগ্রিকভাবে নাগরিক সাধারণ ছিল অধিকারশূন্য।
এই অধিকারশূন্য বাংলাদেশ নামক মরুভূমিতে মরূদ্যান ছিল যেন আবরার ফাহাদ। তার নির্মম মৃত্যুর পর যেসব ঘটনাবলি প্রকাশিত হয়েছে তাতে দেখা যায়, তিনি কোনো বিশেষ রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন না। তবে সচেতন নাগরিক হিসেবে খবর রাখতেন দেশ ও বিদেশের। তার বুকভরা দেশপ্রেম ছিল। তার হৃদয়ে মানুষের জন্য ভালোবাসা ছিল। প্রতিবাদের সাহস ছিল। নীরবে-নিভৃতে সে প্রতিবাদের ভাষা একরকম অপ্রকাশই ছিল। কিন্তু ফ্যাসিবাদ বা নাজিবাদের ধারায় গড়ে ওঠা ছাত্রলীগের সোনার ছেলেরা শেয়ালের মতো চোখ রাখত। আবরার ফাহাদের প্রকাশিত কিংবা অপ্রকাশিত ফেসবুকের ভাষা তাদের ক্রোধের কারণ হলো। তার ফেসবুকের ভাষাটি ছিল এরকম :
১. ১৯৪৭-এ দেশভাগের পর দেশের পশ্চিমাংশে কোনো সমুদ্রবন্দর ছিল না। তৎকালীন সরকার ছয় মাসের জন্য কলকাতা বন্দর ব্যবহারের জন্য ভারতের কাছে অনুরোধ করল। কিন্তু দাদারা নিজেদের রাস্তা নিজেদের মাপার পরামর্শ দিয়েছিল। বাধ্য হয়ে দুর্ভিক্ষ দমনে উদ্বোধনের আগেই মোংলা বন্দর খুলে দেয়া হয়েছিল। ভাগ্যের নির্মম পরিহাস আজ ইন্ডিয়াকে সে মোংলা বন্দর ব্যবহারের জন্য হাত পাততে হচ্ছে।
২. কাবেরি নদীর পানি ছাড়াছাড়ি নিয়ে কানাড়ি আর তামিলদের কামড়াকামড়ি কয়েক বছর আগে শিরোনাম হয়েছিল। যে দেশের এক রাজ্যই অন্যকে পানি দিতে চায় না, সেখানে আমরা বিনিময় ছাড়া দিনে দেড় লাখ কিউবিক মিটার পানি দেবো।
৩. কয়েক বছর আগে নিজেদের সম্পদ রক্ষার দোহাই দিয়ে উত্তর ভারত কয়লা-পাথর রফতানি বন্ধ করেছে, অথচ আমরা তাদের গ্যাস দেবো। যেখানে গ্যাসের অভাবে নিজেদের কারখানা বন্ধ করা লাগে, সেখানে নিজের সম্পদ দিয়ে বন্ধুর বাতি জ্বালাব। হয়তো এ সুখের খোঁজেই কবি লিখেছেনÑ পরের কারণে স্বার্থ দিয়া বলি, এ জীবন মন সকলি দাও, তার মতো সুখ কোথাও কি আছে, আপনার কথা ভুলিয়া যাও।
মেধাবী আবরার ফাহাদের ওই স্ট্যাটাস প্রমাণ করে, তিনি ছিলেন দেশপ্রেমে প্রদীপ্ত এক বীর তরুণ। আর তার জ্ঞানের পরিধি যেকোনো সচেতন মানুষকে আপ্লুত করবে। আমাদের মতো শিক্ষকরাও এত খবর রাখি না, যত খবর দিয়ে তিনি স্ট্যাটাসটি পূর্ণ করেছেন। আর সেটিই কাল হয়েছে তার।
বুয়েটের তড়িৎ ও ইলেকট্র্রনিক প্রকৌশল বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ ৬ অক্টোবর ২০১৯ রাতে শেরেবাংলা হলের ২০১১ নম্বর কক্ষে নির্মমভাবে নির্যাতিত হয়ে নিহত হন। তিনি ১০১১ নম্বর কক্ষে থাকতেন এবং ছুটি শেষে হলে ফিরেছিলেন। বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেদী হাসান রবিন মেসেঞ্জার গ্রুপে আবরারকে মারধরের নির্দেশ দেন। ৬ অক্টোবর রাতে তাকে ২০১১ নম্বর কক্ষে ডেকে নিয়ে মোবাইল ও ল্যাপটপ চেক করা হয়। এরপর ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা তাকে নির্মমভাবে মারধর করে। ইফতি মোশাররফ, অনিক সরকার, মেফতাহুল ইসলাম জিওন, মুজাহিদুর রহমানসহ অনেকে স্ট্যাম্প, স্কিপিং রোপ ও চড়-থাপ্পড় দিয়ে আবরারকে অনবরত আঘাত করতে থাকে। রাত ১১টার দিকে মারধরের মাত্রা বেড়ে যায়। আবরার অসুস্থ হয়ে পড়লে প্রথমে তাকে কক্ষে রাখা হয় এবং পরে ২০০৫ নম্বর কক্ষে নেয়া হয়। বমি ও শ্বাসকষ্ট হলেও তাকে হাসপাতালে নেয়া হয়নি। রাত ৩টার দিকে পুলিশ শেরেবাংলা হলের নিচতলা থেকে তার লাশ উদ্ধার করে। ক্লোজসার্কিট ক্যামেরার ফুটেজে দেখা যায়, আবরারকে টেনে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে এবং হত্যাকাণ্ডের পর বুয়েট ছাত্র কল্যাণ পরিষদের পরিচালক অধ্যাপক মিজানুর রহমান ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন। আবরারের মোবাইল ও ল্যাপটপ ছাত্রলীগ নেতাদের কাছে থাকায় পরিবার প্রথমে কোনো খবর পায়নি। হত্যাকাণ্ডের পর শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ছাত্রলীগ নেতারা আবরারকে ‘শিবিরকর্মী’ হিসেবে পুলিশের হাতে তুলে দেয়ার চেষ্টা করে এবং ঘটনা ধামাচাপা দিতে লাশ গুমেরও পরিকল্পনা করে।
আওয়ামী শাসনামল বিচারহীনতার জন্য বিখ্যাত ছিল। বিশ্বজিৎ হত্যার পর বিবিসি আমাকে জিজ্ঞাসা করেছিল, এর বিচার হবে কি না? আমি বলেছিলাম নিশ্চয়ই না। উপস্থিত মন্ত্রী কামরুল হাসান বলেছিলেন, অবশ্যই বিচার হবে। এখন দেখা যাচ্ছে সে বিচারের রায় হয়েছে বটে, তবে ছাত্রলীগের সোনার ছেলেদের শাস্তি হয়নি। বাংলাদেশের হাইকোর্ট পুরান ঢাকায় ছাত্রলীগের হাতে নিহত দর্জি দোকানের কর্মী বিশ্বজিৎ দাস হত্যা মামলায় ছাত্রলীগের ছয় নেতাকর্মীকে মৃত্যুদণ্ড থেকে রেহাই দিয়েছেন। তবে মোট আট আসামির মধ্যে বাদবাকি দু’জনের মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়েছে। উল্লেøখ্য, তারা পলাতক রয়েছে। আবরার ফাহাদ সে ক্ষেত্রে ভাগ্যবান! বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ হত্যা মামলায় ২০ জনের মৃত্যুদণ্ড ও পাঁচজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বহাল রেখে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। তাদের মধ্যে তিনজন পলাতক। তাদের মধ্যে একজন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মুনতাসির আল জেমি গত ৬ আগস্ট ২০২৪ গাজীপুরের হাইসিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারের দেয়াল ভেঙে পালিয়ে যান বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ জানায় কারা কর্তৃপক্ষ।
আবরার হত্যার প্রকৃত বিচার সম্ভব হয়েছে জুলাই বিপ্লবের অনিবার্যতায়। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের যে স্পিরিট ছিল, আবরার ফাহাদ সেই চেতনা ও আদর্শের পূর্বসূরি। এরকম অসংখ্য আবরার ফাহাদের খবর বেখবরই রয়ে গেছে। মাঝখানে বলে নেয়া ভালো, বিগত ১৭ বছরের সেই সব আবরার ফাহাদদের খুঁজে বের করা উচিত, যারা মাতৃভূমির স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করার জন্য চোখ দিয়েছে, হৃৎপিণ্ড ঝাঁজরা করে দিয়েছে এবং পঙ্গু হয়েছে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার বারবার এদের স্বীকৃতির কথা বলেছে। সুতরাং আমাদের এটুকু অঙ্গীকার হোক, আমরা তাদের ভুলব না। শুধু সাম্প্রতিককালের শহীদদের কথা বলছি না। গত ১৭ বছরে আওয়ামী অনাচার-অত্যাচারে যারা যেভাবেই নিপীড়ন-নির্যাতনের শিকার হয়েছে তাদের নিয়ে একটি শ্বেতপত্র অন্তর্বর্তীকালীন সরকার প্রকাশ করতে পারে।
সবচেয়ে বড় কথা, আবরারের যে স্বপ্ন ছিল স্বাধীন ও সার্বভৌম, বাংলাদেশের সে অঙ্গীকার আমাদের পূরণ করতে হবে। ইতোমধ্যে মোংলা বন্দর ব্যবহারে প্রতিবেশীকে যদি অবাধ অধিকার দেয়া হয়ে থাকে, তা নাকচ করা হোক। পানিবণ্টনের ব্যাপারে আবরার ফাহাদ যে উপলব্ধি নিয়ে চিরবিদায় নিয়েছেন, আমাদের সমস্ত শক্তি দিয়ে তার প্রতিকার করা হোক। তিস্তার পানিবণ্টনের ব্যাপারে এত কিছুর পরও কোনো চুক্তিতে আসা সম্ভব হয়নি। পদ্মা নদীর পানিবণ্টনের চুক্তির মেয়াদ শেষ হবে ২০২৬ সালে। ৫৪টি অভিন্ন নদীর পানিবণ্টনের বিষয়টি অমীমাংসিতই রয়ে গেছে। পানি চুক্তির বিষয়টি সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে আলোচিত হোক সে রকম অঙ্গীকার ব্যক্ত করতে পারলেই কেবল আবরার ফাহাদের শাহাদতের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা হবে। সর্বোপরি এই সময়ে ভারত যে ক্রমশ আগ্রাসনের আস্ফালন প্রদর্শন করছে, তার দাঁতভাঙা জবাব দেয়ার জন্য বাংলাদেশের মানুষকে প্রস্তুত হতে হবে। ‘যদি তুমি ভয় পাও তবে তুমি শেষ, যদি তুমি রুখে দাঁড়াও তবেই তুমি বাংলাদেশ।’
লেখক : অধ্যাপক (অব:), সরকার ও
রাজনীতি বিভাগ
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়