বাংলাদেশের প্রায় সাড়ে তিন লাখ মসজিদের যেকোনো একটিতে প্রবেশ করলে এমন একজন মানুষ খুঁজে পাওয়া যাবে না, যিনি তার সম্প্রদায়ের অন্যতম প্রভাবশালী অথচ একই সাথে ঝুঁকিপূর্ণ একটি দায়িত্ব পালন করছেন। অথচ এত গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনকারী মানুষটির জীবিকা অনেক ক্ষেত্রে নির্ভর করে কয়েকজন স্থানীয় মসজিদ কমিটি সদস্যের সদিচ্ছা ও সিদ্ধান্তে।
দেশের মসজিদগুলোর মধ্যে মাত্র কয়েকটি ছাড়া বেশির ভাগ সামাজিক কমিটির মাধ্যমে পরিচালিত হয়। এসব কমিটি মসজিদের আর্থিক সক্ষমতা, স্থানীয় বাস্তবতা ও নিজেদের সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে ইমামের পারিশ্রমিক নির্ধারণ করে। ফলে ইমামের মতো গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় নেতৃত্বের দায়িত্ব পালনকারী ব্যক্তির আয় অনেক ক্ষেত্রে সুগঠিত কাঠামো বা নির্ধারিত নীতিমালার পরিবর্তে স্থানীয় ব্যবস্থাপনার ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ে। তিন শ’ ইমামের ওপর পরিচালিত একটি সমীক্ষায় দেখা গেছে, দুই-তৃতীয়াংশ ইমাম শুধু মৌখিক সমঝোতার ভিত্তিতে দায়িত্ব পালন করেন। অর্থাৎ তাদের সাথে নেই কোনো লিখিত চুক্তি, নেই নির্দিষ্ট দায়িত্ব ও পারিশ্রমিকের সুস্পষ্ট শর্ত, এমনকি সমস্যা সৃষ্টি হলে প্রতিকার পাওয়ার কার্যকর কোনো প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থাও নেই (আইজেআরএসআই সমীক্ষা, ২০২৪)।
একজন ইমাম, যাকে কোনো সুস্পষ্ট নীতিমালা, প্রাতিষ্ঠানিক সুরক্ষা বা জবাবদিহিমূলক প্রক্রিয়া ছাড়া মসজিদ কমিটির সিদ্ধান্তে সহজে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেয়া যায়, তিনি অনেক ক্ষেত্রে একজন স্বাধীন ধর্মীয় শিক্ষক হিসেবে পূর্ণ ভূমিকা পালনের সুযোগ পান না। তার পেশাগত নিরাপত্তা তখন কয়েকজন ব্যক্তির সন্তুষ্টি ও অনুমোদনের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ে। এ বাস্তবতায় যখন কোনো ধর্মীয় বা নৈতিক বক্তব্য প্রভাবশালী কারো স্বার্থের পরিপন্থী হওয়ার আশঙ্কা তৈরি করে, তখন অনেকে নীরব থাকা নিরাপদ মনে করেন। ফলে যাদের দায়িত্ব সত্য বলা, নৈতিক দিকনির্দেশনা দেয়া এবং প্রয়োজনে সংশোধনের আহ্বান জানানো— তাদের জীবিকা অনেক সময় সেই ব্যক্তিদের সদিচ্ছার ওপর নির্ভর করে, যাদের সামনে তাকে সত্য ও ন্যায়ের কথা বলতে হয়। তাই কোনো কোনো ইমামের দ্বিধা বা অতিরিক্ত নির্ভরশীলতার পেছনে শুধু ব্যক্তিগত দুর্বলতা নয়, বরং বিদ্যমান কাঠামোগত বাস্তবতা বিবেচনায় নেয়া প্রয়োজন। দীর্ঘস্থায়ী অনিশ্চয়তা সাধারণত স্বাধীনতা ও সাহস তৈরি করে না; বরং তা নির্ভরশীলতা, নীরবতা ও পেশাগত অস্থিরতার পরিবেশ তৈরি করে।
সরকার ২০০৬ সালে মসজিদ পরিচালনাসংক্রান্ত নির্দেশিকা জারি করেছিল। পরবর্তীতে আরো সুসংগঠিতভাবে ‘মসজিদ ব্যবস্থাপনা নীতি ২০২৫’-এ গ্রেডভিত্তিক একটি বেতন কাঠামোর প্রস্তাব করা হয়— যেখানে জ্যেষ্ঠ পেশ ইমামদের জন্য গ্রেড ৫, ইমামদের জন্য গ্রেড ৯সহ বিভিন্ন স্তর নির্ধারণের কথা বলা হয়েছে। তবে মূল সমস্যা হলো— এসব নীতি মূলত বেসরকারি মসজিদ কমিটিগুলোর জন্য নির্দেশনামূলক; এগুলো বাস্তবায়নে বাধ্যতামূলক ক্ষমতা রাখে না। ফলে কোনো কমিটি যদি নির্ধারিত কাঠামো অনুসরণ না করে, তাকে কার্যকরভাবে জবাবদিহির আওতায় আনার ব্যবস্থা সীমিত। অতএব, শুধু একটি বেতন কাঠামো প্রণয়ন যথেষ্ট নয়। যে কাঠামো বাস্তব প্রয়োগের নিশ্চয়তা দিতে পারে না, তা সংস্কারের পরিবর্তে একটি সুপারিশ হিসেবে থেকে যায়। প্রয়োজন— এমন একটি কার্যকর ব্যবস্থা, যা নির্ধারিত কাঠামো বাস্তবায়ন করবে। ইমামের জীবিকা ও মর্যাদাকে একক কোনো কমিটির ইচ্ছাধীনতা থেকে সুরক্ষা দেবে।
তুরস্ক এ ক্ষেত্রে একটি উল্লেখযোগ্য উদাহরণ। সেখানে ইমামরা সরকারি কর্মচারী হিসেবে জাতীয় পর্যায়ের ধর্মবিষয়ক অধিদফতরের অধীনে নিয়োগ, প্রশিক্ষণ, বেতন, পদোন্নতি ও পেনশন সুবিধা পেয়ে থাকেন। ফলে কোনো স্থানীয় মসজিদ কমিটি একজন ইমামের জীবিকা বা চাকরির নিরাপত্তার একমাত্র নিয়ন্ত্রক নয়; কারণ নিয়োগকর্তা স্থানীয় মসজিদ কমিটি নয়। এটি স্থানীয় নির্ভরতার সমস্যার একটি কার্যকর সমাধান। তবে এ ব্যবস্থার কিছু সীমাবদ্ধতা আছে। যে প্রতিষ্ঠান ইমামদের বেতন ও প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ পরিচালনা করে, তারা অনেক ক্ষেত্রে ধর্মীয় বক্তব্যেও প্রভাব বিস্তার করতে পারে। তুরস্কে জুমার খুতবার বিষয়বস্তু রাষ্ট্রীয়ভাবে সরবরাহ করা হয়। অভিযোগ আছে, এতে কখনো ধর্মীয় মঞ্চ রাজনৈতিক প্রভাবের অধীন হয়ে পড়তে পারে। অতএব, স্থানীয় কমিটির ওপর নির্ভরশীলতার পরিবর্তে সরকারি প্রতিষ্ঠানের ওপর সম্পূর্ণ নির্ভরশীলতাও আদর্শ সমাধান নয়। চ্যালেঞ্জ হলো, এমন একটি ভারসাম্যপূর্ণ কাঠামো তৈরি করা, যেখানে ইমামের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে। তার ধর্মীয় স্বাধীনতা ও নৈতিক ভূমিকা অক্ষুণ্ন থাকবে। পাশাপাশি কয়েক লাখ ইমামকে সরাসরি সরকারি ব্যবস্থার আওতায় আনা যেকোনো রাষ্ট্রীয় বাজেটের জন্য বড় আর্থিক চাপ হতে পারে।
সিঙ্গাপুর তুলনামূলকভাবে একটি ভারসাম্যপূর্ণ সমাধানের উদাহরণ উপস্থাপন করেছে। সেখানে একটি আইনগতভাবে প্রতিষ্ঠিত ইসলামিক পরিষদ মসজিদগুলোর ব্যবস্থাপনা তদারকি করে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো— আর্থিক ব্যবস্থাপনা কেন্দ্রীয়ভাবে পরিচালনা করে (এমইউআইএস)। মসজিদের ইমাম ও অন্য কর্মীদের বেতন দেয়া হয় সম্মিলিত তহবিল থেকে; যার একটি অংশ জাতীয় বেতন ব্যবস্থার মাধ্যমে প্রত্যেক কর্মজীবী মুসলমানের কাছ থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংগৃহীত ক্ষুদ্র অনুদান এবং আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ পেশাগতভাবে পরিচালিত ওয়াকফ তহবিলের বিনিয়োগ আয় থেকে আসে (ওয়াক্ফ ম্যাসিয়ারাকাট সিঙ্গাপুরা)। ফলে ইমামের বেতন কোনো নির্দিষ্ট মসজিদের চাঁদা সংগ্রহ বা স্থানীয় কমিটির সদিচ্ছার ওপর নির্ভরশীল থাকে না। একটি বড়, স্থিতিশীল ও পরিকল্পিত তহবিল থেকে পারিশ্রমিক দেয়া হয়। এতে স্থানীয় কমিটির হাতে আর্থিক নিয়ন্ত্রণের একচেটিয়া ক্ষমতা থাকে না। ইমামের সাথে দর-কষাকষির সম্পর্ক তৈরি হয় না। তবে, এটি কোনো নতুন ধারণা নয়; বরং ইসলামী ঐতিহ্যের বাইতুল মাল ও ওয়াকফ ব্যবস্থার আধুনিক রূপায়ণ। আধুনিক আর্থিক ব্যবস্থাপনা ও জবাবদিহির কাঠামোর মাধ্যমে সেই ধারণা নতুনভাবে কার্যকর করা হয়েছে।
মরক্কো এই ব্যবস্থার সাথে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান যুক্ত করেছে— সনদপত্র ও পেশাগত স্বীকৃতি। সেখানে সরকার স্বীকৃত একটি নির্ধারিত পাঠ্যক্রমের মাধ্যমে ইমামদের প্রশিক্ষণ দেয় এবং সফলভাবে সম্পন্নকারীদের যোগ্য পেশাজীবী হিসেবে সনদ দেয়। ফলে একজন সনদপ্রাপ্ত ইমাম একটি স্বীকৃত পেশাগত পরিচয় বহন করেন; যা শুধু একটি নির্দিষ্ট মসজিদ বা কমিটির সাথে সম্পর্কের ওপর নির্ভরশীল নয়। কোনো কমিটির সাথে মতবিরোধ বা অন্যায্য আচরণের পরিস্থিতি তৈরি হলেও অন্য মসজিদে দায়িত্ব পালনের সুযোগ পেতে পারেন। কারণ, তার মর্যাদার ভিত্তি কোনো ব্যক্তির অনুগ্রহ নয়; বরং যোগ্যতা, প্রশিক্ষণ ও পেশাগত স্বীকৃতি। সনদপ্রথা শুধু ইমামের মর্যাদা বাড়াবে না, ন্যূনতম বেতন বা অন্যান্য পেশাগত মানদণ্ড বাস্তবায়নেও কার্যকর ভূমিকা রাখে। তখন এসব নীতির পেছনে থাকে একটি স্বীকৃত ও জবাবদিহিমূলক পেশাগত কাঠামো, যা বাস্তব প্রয়োগ নিশ্চিত করতে পারে।
ইন্দোনেশিয়া— একটি বৃহৎ, জনবহুল, গণতান্ত্রিক ও মুসলিম-সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ, যার সামাজিক বাস্তবতা আমাদের সাথে অনেকাংশে সাদৃশ্যপূর্ণ— দেখিয়েছে যে, প্রত্যেক ইমামকে সরাসরি রাষ্ট্রীয় কর্মচারী না করেও একটি জাতীয় ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় জাকাত ও ওয়াকফ ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠানের সাথে সমন্বয় করে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে (জার্নাল অব ইসলামিক ইকোনমিক্স লারিবা)। তবে এ ধরনের বড় আকারের ধর্মীয় তহবিল ব্যবস্থাপনায় একটি গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতাও আছে। যখন বিপুল পরিমাণ অর্থ একত্রিত ও পরিচালিত হয়, তখন শক্তিশালী নিরীক্ষা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির ব্যবস্থা না থাকলে অপব্যবহারের ঝুঁকি থাকে। কিছু গবেষণায় ইঙ্গিত করা হয়েছে, যথাযথ নিয়ন্ত্রণ ও পর্যবেক্ষণ না থাকলে এ ধরনের তহবিলের একটি অংশ কিছু হিসাব অনুযায়ী প্রায় পাঁচ শতাংশ পর্যন্ত অনিয়ম বা প্রতারণার ঝুঁকিতে পড়তে পারে। তাই কার্যকর ব্যবস্থা গড়ে তুলতে শুধু তহবিল সংগ্রহ যথেষ্ট নয়; বরং শুরু থেকে স্বচ্ছ ব্যবস্থাপনা, নিয়মিত নিরীক্ষা এবং শক্তিশালী জবাবদিহি নিশ্চিত করা অপরিহার্য।
এসব অভিজ্ঞতা একত্রে বিবেচনা করলে বাংলাদেশের জন্য একটি বাস্তবসম্মত ও কার্যকর প্রস্তাবের রূপরেখা স্পষ্ট হয়ে ওঠে। এর অর্থ এ নয় যে, ইমামদের সম্পূর্ণভাবে রাষ্ট্রীয় কর্মসংস্থানের আওতায় আনতে হবে; বরং এমন একটি ভারসাম্যপূর্ণ ব্যবস্থা গড়ে তোলা লক্ষ্য হওয়া উচিত, যার জন্য পূর্ণ রাষ্ট্রীয় নিয়োগ কাঠামো অপরিহার্য নয়। এর কেন্দ্রবিন্দু হওয়া উচিত একটি জাতীয় ইমাম কল্যাণ ও ওয়াকফ তহবিল— যা জাকাত, পেশাগতভাবে পরিচালিত ওয়াকফ সম্পদ এবং সরকারি সহায়তায় গঠিত হবে; এ তহবিল থেকে ইমামদের বেতন দেয়া হবে। যখন ইমামের পারিশ্রমিক সরাসরি স্থানীয় কমিটির পরিবর্তে স্বচ্ছ ও প্রাতিষ্ঠানিক তহবিল থেকে আসবে, তখন কমিটির আর্থিক নিয়ন্ত্রণ ও দর-কষাকষির সুযোগ স্বাভাবিকভাবে কমে যাবে।
এই তহবিলের সাথে তিনটি সহায়ক ব্যবস্থা যুক্ত করা প্রয়োজন। প্রথমত, লিখিত চুক্তি বাধ্যতামূলক করা, যাতে বিপুলসংখ্যক ইমাম কেবল মৌখিক সমঝোতার ভিত্তিতে দায়িত্ব পালন না করেন। দ্বিতীয়ত, জাতীয় সনদ ব্যবস্থা চালু করা, যাতে ইমামের যোগ্যতার স্বীকৃতি স্থানান্তরযোগ্য হয়। নির্ধারিত ন্যূনতম বেতন কাঠামো কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা যায়। তৃতীয়ত, নিয়োগ, বেতন প্রদান ও দায়িত্ব অব্যাহতির ক্ষমতার মধ্যে স্পষ্ট বিভাজন নিশ্চিত করা, যাতে কোনো একটি কমিটির হাতে একই সাথে অর্থনৈতিক নিয়ন্ত্রণ ও প্রশাসনিক চাপ প্রয়োগের একক ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত না হয়।
এ ধরনের যেকোনো পরিকল্পনা গ্রহণে দু’টি বিষয় সততার সাথে বিবেচনায় রাখা দরকার। প্রথমত, এর জন্য বাস্তব অর্থনৈতিক ব্যয় প্রয়োজন হবে; তাই শুধু সরকারি বাজেটের ওপর নির্ভর না করে সম্মিলিত ধর্মীয় অনুদান, জাকাত ও ওয়াকফ সম্পদের সুশৃঙ্খল ব্যবস্থাপনাও এর ভিত্তি করতে হবে। দ্বিতীয়ত, কঠোর, স্বচ্ছ ও নিয়মিত প্রকাশিত নিরীক্ষা ব্যবস্থা ছাড়া একটি জাতীয় তহবিল দুর্নীতি দূর করার পরিবর্তে কেবল তার অবস্থান পরিবর্তন করতে পারে। তবে উভয় চ্যালেঞ্জ কার্যকর পরিকল্পনা, জবাবদিহি ও প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থাপনায় মোকাবেলা করা সম্ভব। তাই এসব সম্ভাব্য ঝুঁকি সংস্কারের পথে বাধা নয়; বরং একটি টেকসই ব্যবস্থা গড়ে তোলায় প্রয়োজনীয় সতর্কতা। যে ধর্মীয় শিক্ষক নিজের বেতন ও দায়িত্বের নিরাপত্তা নিয়ে অনিশ্চয়তায় থাকেন, তার পক্ষে সবসময় নির্ভয়ে সত্য কথা বলা বা নৈতিক অবস্থান নেয়া কঠিন। আমরা যদি এমন ইমাম চাই, যারা স্বাধীনভাবে শিক্ষা দেবেন, ন্যায় ও কল্যাণের কথা বলবেন এবং পক্ষপাতহীনভাবে সমাজের সেবা করবেন— অবশ্যই এমনটা চাওয়া উচিত। তাহলে তাদের এমন একটি আয় ও পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে, যা কোনো সীমিত সংখ্যক প্রভাবশালী ব্যক্তির সন্তুষ্টির ওপর নির্ভরশীল নয়। কারণ কেবল একটি গেজেট বা নীতিমালা যথেষ্ট নয়; প্রয়োজন এমন একটি কার্যকর ব্যবস্থা, যা সেই নীতিকে বাস্তবে রূপ দেবে। ইমামের মর্যাদা ও স্বাধীনতা সুরক্ষা দেবে।
লেখক : অধ্যাপক, ফাইন্যান্স, ইউনিভার্সিটি অব নিউ অরলিয়েন্স