২৮৪০ কোটির উন্নয়ন প্রকল্পে বদলে যাবে ঢাবির চিত্র
Printed Edition
- আবাসিক ভবন নির্মাণে বরাদ্দ ৯৭৪ কোটি টাকা
- অ্যাকাডেমিক ভবনের জন্য বরাদ্দ ৬৫৬ কোটি টাকা
- প্রকল্পের মেয়াদ পাঁচ বছর
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) শিক্ষার্থীদের অ্যাকাডেমিক ও আবাসিক সুবিধা বাড়াতে প্রায় দুই হাজার ৮৪০ কোটি টাকার একটি বৃহৎ উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)। প্রকল্পের আওতায় প্রায় ৮ হাজার শিক্ষার্থীর আবাসন ব্যবস্থা বৃদ্ধি পাবে। গত ২৭ জুলাই রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত একনেক বৈঠকে এই প্রকল্প অনুমোদন পায়। পাঁচ বছর মেয়াদি এ প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ চলতি বছর শুরু হয়ে ২০৩০ সালের জুনে শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। প্রকল্প পুরোপুরি বাস্তবায়িত হলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের রূপ পালটে যাবে।
গতকাল বুধবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের আবদুল মতি ভার্চুয়াল ক্লাসরুমে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে প্রকল্পের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. সায়মা হক বিদিশা, প্রক্টর সহযোগী অধ্যাপক সাইফুদ্দীন আহমদ, ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার মুনসী শামস উদ্দিন আহম্মদ, হিসাব পরিচালক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম এবং পরিকল্পনা ও উন্নয়ন অফিসের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক মোহাম্মদ জাবেদ আলম মৃধা।
অধ্যাপক জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী জানান, প্রকল্পটির আওতায় নির্মিত হবে ছয়টি অ্যাকাডেমিক ভবন। ছাত্রীদের জন্য পাঁচ হাজার ১০০ আসনের চারটি হল এবং ছাত্রদের জন্য দুই হাজার ৬০০ আসনের পাঁচটি হল নির্মিত হবে। শিক্ষার্থীদের সাথে সংশ্লিষ্ট হাউজ টিউটরদের জন্য নির্মিত হবে ৯টি ভবন। এ ছাড়া শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের জন্য আলাদা দু’টি আবাসিক ভবন এবং প্রশাসনিক ও অন্যান্য কাজে ব্যবহারের জন্য আরো পাঁচটি ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা এই প্রকল্পটিতে রয়েছে।
প্রকল্পের বড় অংশ যাবে আবাসিক ভবন নির্মাণে
একনেক অনুমোদিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অধিকতর উন্নয়ন প্রকল্পের সবচেয়ে বড় অংশ ব্যয় ধরা হয়েছে আবাসিক ভবন নির্মাণে ৯৭৩ কোটি ৮৮ লাখ টাকা, যা প্রকল্পের মোট ব্যয়ের ৩৪.৩৬ শতাংশ। এই খাতে ছাত্রীদের আবাসন সঙ্কট নিরসনে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসবে।
ওই প্রকল্পে বিশ্ববিদ্যালয়ের শাহনেওয়াজ হোস্টেল ভেঙে সেখানে ১৫ তলা ফাউন্ডেশনের ওপর ১৫ তলা একটি নতুন হল নির্মিত হবে, যাতে এক হাজার ছাত্রী থাকার সুযোগ পাবে। পাশাপাশি থাকবে ২০টি ফ্ল্যাটবিশিষ্ট একটি ১১তলা হাউজ টিউটর কোয়ার্টার। শামসুন নাহার হলের অভ্যন্তরে দু’টি ব্লকে (১০ তলা ও ৬ তলা) ৬০০ আসনের সম্প্রসারণ ভবন নির্মাণের পাশাপাশি নির্মিত হবে একটি ১১তলা হাউজ টিউটর ভবন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের লেদার ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি ইনস্টিটিউট এলাকায় দু’টি নতুন ব্লকে (১১ ও ৮ তলা) ৫০০ ছাত্রী ধারণক্ষমতাসম্পন্ন হল গড়ে তোলা হবে। বাংলাদেশ-কুয়েত মৈত্রী হলে ১০ তলা একটি সম্প্রসারণ ভবন এবং হাউজ টিউটরদের জন্য থাকবে ১১তলা কোয়ার্টার।
তা ছাড়া ছাত্রদের জন্য শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হলের টিনসেড ভবন ভেঙে দু’টি ব্লকে (১২ ও ৮ তলা) ১৩০০ ছাত্রের আবাসন ব্যবস্থা করা হবে। মাস্টারদা সূর্যসেন হলের উত্তর ভাগে ১১তলার সম্প্রসারণ ভবনে থাকবেন ১১০০ ছাত্র। ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ হলে ১৫ ও ছয়তলা দু’টি ব্লকে এক হাজার ২০০ ছাত্রের আবাসনের ব্যবস্থা থাকবে। হাজী মুহম্মদ মুহসীন হলে দু’টি ব্লকে (১২ ও ৬ তলা) এক হাজার এবং ড. কুদরত-ই-খুদা হলে তিনটি ব্লকে (১০, ৮ ও ৫ তলা) ৫০০ ছাত্রের জন্য সম্প্রসারণ ভবন নির্মাণ করা হবে। প্রতিটি ছাত্র ও ছাত্রী হলের সাথে ২০টি ফ্ল্যাটবিশিষ্ট ১১তলা একটি করে হাউজ টিউটর কোয়ার্টার নির্মাণ হওয়ার বিষয়ে উল্লেখ করা হয়েছে।
ওই প্রকল্পের আওতায় শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের জন্য নির্মিতব্য ৩২টি আবাসিক ভবনের জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে ১০০৮ কোটি টাকা। সূর্যসেন ও মুহসীন হলের প্রভোস্ট বাংলো ভেঙে সেখানে দু’তলা ফাউন্ডেশনের ওপর প্রো-ভিসির জন্য দু’তলা একটি বাংলো নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। দক্ষিণ ফুলার রোড এলাকার ১২ ও ১৩ নম্বর ভবন ভেঙে ১১২টি ফ্ল্যাটবিশিষ্ট একটি ১৫তলা ভবন নির্মিত হবে।
অ্যাকাডমিক ভবনে যা থাকছে
প্রকল্পে অ্যাকাডেমিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ৮টি অ্যাকাডেমিক ভবন নির্মাণ করা হবে। ওই ভবনগুলো নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে ৬৫৬ কোটি টাকা, যা প্রকল্প ব্যয়ের প্রায় ২৩ শতাংশ। এর মধ্যে রয়েছে কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সম্প্রসারণ ভবন ভেঙে ১৩ ও সাততলা দু’টি ব্লকে নতুন ভবন, আইএসআরটি ও ফার্মেসি বিভাগের জন্য ১১তলা ভবন, উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগে তিনতলা ভবন, চারুকলা অনুষদের পুরোনো ভবন ভেঙে ছয়তলা অ্যাকাডেমিক ভবন এবং বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের পুরনো ভবন ভেঙে ১১তলা এমবিএ টাওয়ার নির্মাণ করা হবে । প্রেস ভবন ও পুলিশ ফাঁড়ি ভেঙে দু’টি ব্লকে (১২ ও ৬ তলা) প্রেস কাম অ্যাকাডেমিক ভবনও নির্মিত হবে।
প্রকল্পের অন্যান্য প্রধান ভবনগুলোর মধ্যে প্রশাসনিক ভবন, জিমনেশিয়াম, কেন্দ্রীয় মসজিদ, মেডিক্যাল সেন্টার ও ডাকসু ভবন নির্মাণেও রয়েছে বড়সড় পরিকল্পনা। প্রশাসনিক ভবনের উত্তর-পশ্চিম পাশে ২১ তলা ও দক্ষিণ-পূর্ব পাশে পাঁচতলা ভবন নির্মিত হবে। শিববাড়ি এলাকায় পুরনো ভবন ভেঙে ছয়তলা শহীদ বুদ্ধিজীবী ডা: মোহাম্মদ মোর্তজা মেডিক্যাল সেন্টার নির্মিত হবে।
বিশ্ববিদ্যালয়ে বিদ্যমান মসজিদুল জামিয়া (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সেট্রাল মসজিদ) পাঁচতলা ফাউন্ডেশনের ওপর নির্মিত হবে এবং ডাকসু ভবনের স্থানে হবে ১৩তলা একটি মাল্টিপারপাস ভবন। জিমনেশিয়ামের প্রি-ইঞ্জিনিয়ারড ভবনের অসমাপ্ত কাজো এই প্রকল্পের আওতায় শেষ করা হবে বলে জানানো হয়।
এ ছাড়াও প্রকল্পে অবকাঠামোগত উন্নয়নের মধ্যে রয়েছে দুই হাজার ৮৪০ মিটার দীর্ঘ ড্রেনেজ ব্যবস্থা উন্নয়ন, ২৫৬টি ওয়েস্টবিন স্থাপন, চারটি জলাধার সংস্কার ও সৌন্দর্যবর্ধন, রোড নেটওয়ার্ক ও সার্ভিস লাইন নির্মাণ (এক লাখ ৭৯ হাজার ৬৭৯ বর্গমিটার) এবং শারীরিক শিক্ষাকেন্দ্র ও বাস পার্কিং সুবিধার জন্য বরাদ্দ ৫৭০ কোটি টাকা। আগুন প্রতিরোধে স্থাপন করা হবে দু’টি অগ্নিনির্বাপক হাইড্রেন্ট সিস্টেম, এতে ব্যয় ধরা হয়েছে তিন কোটি টাকা।
বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক আধুনিকীকরণের অংশ হিসেবে ৩৯০টি বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম (যেমন সাব-স্টেশন, এয়ার কুলার, লিফট, জেনারেটর, সাউন্ড সিস্টেম) ক্রয়ে ব্যয় ধরা হয়েছে ২৭৩ কোটি টাকা। রান্নার সরঞ্জামসহ মোট এক লাখ পাঁচ হাজার ৬২১টি আসবাবপত্র কেনা হবে, যার জন্য ব্যয় হবে ১৮৩ কোটি টাকা। প্রকল্প বাস্তবায়নে পাঁচটি পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের জন্য বরাদ্দ ১০ কোটি ছয় লাখ টাকা রাখা হয়েছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিকতর উন্নয়ন প্রকল্পটি সাম্প্রতিককালের মধ্যে সবচেয়ে বড় অ্যাকাডেমিক উদ্যোগ। এই প্রকল্পটি জনগণের করের টাকায় বাস্তবায়িত হবে এবং আমরা একে জাতির পক্ষ থেকে আমাদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ উপহার হিসেবে বিবেচনা করছি। জাতির প্রতি আমাদের দায়বদ্ধতা রয়েছে এবং সেই দায়বদ্ধতা থেকেই আমরা এই অর্থের সর্বোত্তম ব্যবহারে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
তিনি আরো বলেন, এই প্রকল্পটি মূলত অ্যাকাডেমিক সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যেই গ্রহণ করা হয়েছে। এর আওতায় যে ভবনগুলো নির্মিত হবে, তার প্রায় সব ক’টিই শিক্ষাদান ও গবেষণার কাজে ব্যবহৃত হবে। পাশাপাশি ব্রিটিশ মডেল অনুসরণ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে একটি পূর্ণাঙ্গ আবাসিক বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের কার্যক্রমও এই প্রকল্পের মাধ্যমে দৃশ্যমান হবে।
ভিসি আরো জানান, এই প্রকল্পের আওতায় নির্মিত গবেষণাকেন্দ্র, ল্যাব এবং অন্যান্য ফ্যাসিলিটি সমাজের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। এগুলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচালনায় থাকলেও অনুমতির ভিত্তিতে বাইরের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও গবেষকরা ব্যবহার করতে পারবেন। একই সাথে ক্যাম্পাসে সবুজায়ন এবং পরিবেশ সংরক্ষণ বৃদ্ধির বিষয়েও প্রকল্পের মাধ্যমে বিশেষ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, প্রকল্প বাস্তবায়নের বিভিন্ন স্তরে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে আমরা কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিয়েছি। সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান থাকবে আপনারা পরামর্শ দিয়ে এ ব্যাপারে সহায়তা করবেন।
ভিসি অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান শিক্ষা উপদেষ্টা, পরিকল্পনা উপদেষ্টা, অর্থ বিভাগ, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) এবং প্রকল্পসংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, আমরা এটিকে একটি মাস্টারপ্ল্যানের সূচনা হিসেবে দেখছি। আশা করি, এই প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে আগামী এক থেকে দেড় দশকের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক কাক্সিক্ষত চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হবে।
নিয়াজ আহমদ খান জানান, প্রকল্পটি শুধু অবকাঠামোগত উন্নয়ন নয়, বরং এটি একটি অ্যাকাডেমিক ক্যাপাসিটি বিল্ডিং প্রকল্প। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসন সঙ্কট নিরসনে এটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ, যেটি বাস্তবায়িত হলে শিক্ষার্থীদের জন্য ১৮ শতাংশ অতিরিক্ত আবাসনের সুযোগ সৃষ্টি হবে। এই হলগুলোর ডিজাইনে পড়াশোনার পরিবেশ বজায় রাখার বিষয়টি গুরুত্বসহ বিবেচনা করা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. সায়মা হক বিদিশা বলেন, আজকের এই সংবাদ সম্মেলন কেবল একটি আনুষ্ঠানিকতা নয়, এটি আমাদের কৃতজ্ঞতা প্রকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপলক্ষও বটে। এই অবকাঠামোগত উন্নয়ন প্রকল্পটি আমাদের বহুদিনের চাহিদা ছিল এবং এটি এখন বাস্তবায়নের পথে।
তিনি বলেন, অবকাঠামো যেমন প্রয়োজন তেমনি গবেষণার জন্যও টেকসই অর্থায়ন অত্যন্ত জরুরি। আমাদের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা যাতে সাবলীলভাবে গবেষণার কাজ চালিয়ে যেতে পারেন সে জন্য আরো সহায়তা প্রয়োজন। এই ক্ষেত্রে তিনি অ্যালমনাইদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
এ সময় কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এম জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের ফলে ক্যাম্পাসের ওপেন স্পেস বা উন্মুক্ত জায়গা হ্রাস পাবে না বরং গ্রিন স্পেস প্রায় ৮ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে- এটি পরিবেশবান্ধব ও পরিকল্পিত একটি প্রকল্প। তিনি বলেন, আমরা প্রকল্প বাস্তবায়নের পুরো সময়জুড়ে দায়িত্বে না-ও থাকতে পারি। কিন্তু এ টাকাগুলো যেন অপচয় না হয়, সে জন্য সাংবাদিক সমাজকেই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে হবে। আপনারা চোখ-কান খোলা রাখবেন। যেটা করা দরকার- সেটাই করবেন। সাংবাদিকদের প্রতি অনুরোধ জানিয়ে কোষাধ্যক্ষ বলেন, আপনারা প্রকল্প শেষ না হওয়া পর্যন্ত এই প্রক্রিয়ার সাথে সক্রিয়ভাবে যুক্ত থাকবেন। গণমাধ্যমের পক্ষ থেকে অব্যাহত নজরদারি প্রকল্প বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করবে।
কোষাধ্যক্ষ আরো জানান, প্রতি ছয় মাস পরপর আমার দফতর থেকে এই প্রকল্পের অগ্রগতি সম্পর্কে সাংবাদিকদের উদ্দেশে নিয়মিত ব্রিফিংয়ের আয়োজন করা হবে।