শান্তিপূর্ণ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনকে সমর্থন করে ইইউ

সিইসির সাথে ঊৈাশ

Printed Edition

বিশেষ সংবাদদাতা

ইউরোপীয় ইউনিয়ন সময়মতো, শান্তিপূর্ণ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনকে সমর্থন করে। এ ধরনের নির্বাচন বাংলাদেশের জন্য তার গণতান্ত্রিক যাত্রাপথে নতুনভাবে গল্প বলার এক বড় সুযোগ বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশস্থ ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)-এর রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার। তিনি বলেন, এখন সেই সময়, যখন ঢাকা প্রমাণ করতে পারে যে বৈশ্বিক গণতান্ত্রিক পশ্চাৎ যাত্রার প্রবণতা উল্টে দেয়ার সক্ষমতা বাংলাদেশের আছে।

আগারগাঁওস্থ নির্বাচন ভবনে গতকাল মঙ্গলবার প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিনের সাথে বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের সাথে কথা বলেন। দলে ছিলেন ডেপুটি হেড অব ডেলিগেশন বাইবা জরিনা, রাজনৈতিক বিষয়ে ফার্স্ট সেক্রেটারি সেবাস্তিয়ান রিগার-ব্রাউন এবং ইউরোপীয় কমিশনের নীতিনির্ধারণী কর্মকর্তা জুলেস সাইটজ।

এক প্রশ্নের জবাবে মিলার বলেন, দেশের সব অংশীজনের উচিত বহু বছর পর প্রথম অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের সম্ভাবনার দিকে খুব গুরুত্ব সহকারে মনযোগ দেয়া। তিনি বলেন, আমি যে বার্তাটি দিতে চাই তা হলো এটি এই দেশের জন্য সেই মুহূর্ত, যখন দেশটি দেখাতে পারে যে, গণতন্ত্রের পশ্চাৎ যাত্রা রুখে দেয়ার প্রবণতায় বাংলাদেশ ব্যতিক্রম।

ইইউ রাষ্ট্রদূত বলেন, এটি এমন একটি সময়, যখন দেশটি প্রচলিত ধারা বদলে দিতে পারে, আন্তর্জাতিক অংশীদারদের কাছে নিজেদের ভাবমূর্তি নতুন করে তৈরি করতে পারে এবং দেখাতে পারে যে নির্বাচনটি যথাযথ ও পেশাদারভাবে আয়োজন করতে সক্ষম।

নির্বাচনের সামগ্রিক পরিস্থিতি এবং সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজনের জন্য নির্বাচন কমিশন (ইসি) যে পদক্ষেপ নিচ্ছে, সে বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি খুবই আশাবাদী।

স্বাধীন ও সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে তিনি বলেন, বাংলাদেশে এমন একটি প্রজন্ম আছে, যারা পূর্বের নির্বাচনে অংশ নেয়নি। অর্থাৎ আপনারা এমন একটি সম্পূর্ণ প্রজন্ম, বা আরো বেশি মানুষ পেয়েছেন, যারা কখনো ভোট দেয়নি।

এটি একটি চ্যালেঞ্জ হবে। কারণ, মানুষকে জানতে হবে নির্বাচনের দিন বা গণভোটের দিন কিভাবে ভোট প্রদান করতে হয়, কী করতে হয়।