জাপানি সহায়তায় বর্জ্য থেকে ১২ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হবে : চসিক মেয়র
Printed Edition
চট্টগ্রাম ব্যুরো
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) সংগৃহীত বর্জ্য পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির মাধ্যমে বিদ্যুতে রূপান্তর করে ১২ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের উদ্যোগ নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন মেয়র ডা: শাহাদাত হোসেন।
‘চট্টগ্রাম শহরে বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্প’র সম্ভাব্যতা সমীক্ষা প্রতিবেদন উপস্থাপনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মেয়র এ ঘোষণা দেন। সোমবার নগরীর একটি হোটেলে এই সভার আয়োজন করা হয়।
চসিক মেয়র বলেন, চট্টগ্রামকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যসম্মত নগর হিসেবে গড়ে তুলতে হলে আধুনিক ও সমন্বিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনার বিকল্প নেই। আমরা বর্জ্যকে বোঝা হিসেবে নয়, সম্পদ হিসেবে দেখতে চাই। জাপানের সহায়তায় পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি ব্যবহার করে বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের যে সম্ভাবনা সমীক্ষায় উঠে এসেছে, তা বাস্তায়নে সিটি করপোরেশন দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।
সমীক্ষা অনুযায়ী প্রস্তাবিত প্ল্যান্টের দৈনিক প্রক্রিয়াকরণ সক্ষমতা হবে এক হাজার টন বর্জ্য, বার্ষিক ৩৩০ দিন পরিচালনার ভিত্তিতে প্রকল্পটি ২৫ বছর পরিচালিত হবে। প্রকল্পের বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা হবে ১৫.১ মেগাওয়াট (গ্র) এবং ১২.৬ মেগাওয়াট (নেট), যা জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা সম্ভব হবে ।
২০২৫ সালের হালনাগাদ সমীক্ষায় প্রস্তাবিত জি-টু-জি সহযোগিতা মডেলে জাপানের জেসিএম (জয়েন্ট ক্রেডিটিং মেকানিজম) সহায়তায় ভর্তুকির সুযোগ রয়েছে ।
প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে নগরের ল্যান্ডফিলে যাওয়া বর্জ্যরে পরিমাণ ৭০ থেকে ৯০ শতাংশ পর্যন্ত কমানো সম্ভব হবে, ফলে ল্যান্ডফিলের আয়ু বাড়বে এবং পরিবেশ দূষণ হ্রাস পাবে ।
সভায় জাপানের পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের বিশেষ উপদেষ্টা ইজি কোগা, জে এফ ই ইঞ্জিনিয়ারিং-এর গেন তাকাহাশি, কেন্টা ওহাশি ও ভাস্কর সাহা উপস্থিত ছিলেন। চসিকের পক্ষ থেকে প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, প্রধান প্রকৌশলী আনিসুর রহমান, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (পুর) আবু সাদাত তৈয়ব, নির্বাহী প্রকৌশলী নাসির উদ্দিন রিফাত, ম্যালেরিয়া ও মশক নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা মো: শরফুল ইসলাম মাহি, সহকারী প্রকৌশলী রুবেল চন্দ্র দাশ, সজীব রেজা হক, ইমরান হোছাইন খোকা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।