হেলথ ্িট্পস

কফি পানের সঠিক নিয়ম

Printed Edition

গরম হোক বা ঠাণ্ডা, পানীয় হিসেবে কফি অত্যন্ত উপাদেয়। কফির গুণও কম নয়। কফিতে থাকা ক্যাফিন স্নায়ুকে চাঙ্গা রাখতে সাহায্য করে। সঠিক কৌশলে পরিমিত কফি পানে ফ্যাটি লিভারের সমস্যাও নিয়ন্ত্রণে থাকে। মস্তিষ্কের স্বাস্থ্যরক্ষাতেও সহায়ক কফি।

তবে তা সত্ত্বেও কফি খেলে ক্ষতি হতে পারে, শুধু কয়েকটি ভুল উপকরণ য্ক্তু করার জন্য।

১। ঘন দুধ আর চিনির মিশেলে তৈরি ক্যাপুচিনো খেতে দারুণ। তবে এমন কফিতে চুমুক দিয়ে জিভের স্বাদ মিটলেও, চিনি শরীরের জন্য মোটেই ভাল নয়। বিশেষত ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টায় যারা আছেন বা যারা ডায়াবেটিক, তাদের জন্য চিনি বাদ দেয়াই ভালো।

২। মাখনের মিশেলেও কফি হয়। কালো কফি হোক বা দুধ কফি, একটু মাখন মিশিয়ে দিলেই স্বাদ বেড়ে যায় কয়েক গুণ। তবে ক্যালোরি নিয়ন্ত্রণে রাখতে হলে বা ফ্যাটি লিভার থাকলে এই ধরনের কফি ক্ষতিকর।

৩। কফির স্বাদ বৃদ্ধির জন্য অনেকেই কন্ডেন্সড মিল্ক ব্যবহার করেন। অতিরিক্ত চিনি দেয়া ঘন ক্রিমের মতো দুধ কফির স্বাদ বৃদ্ধি করলেও এই ভাবে কফি খাওয়া স্বাস্থ্যকর নয়। এতে ক্যালোরি যেমন বেড়ে যায়, তেমনই বদহজমেরও কারণ হতে পারে।

৪। কফিতে ক্রিম মিশিয়েও খাওয়ার চল আছে। স্বাদ বৃদ্ধির জন্যই এর ব্যবহার। ক্রিম মানেই অতিরিক্ত ফ্যাট। হজমের সমস্যা থাকলে ক্রিম চলবে না। আবার যারা স্থূলত্বের শিকার, তাদের জন্যও এই ভাবে কফি খাওয়া ক্ষতিকর।

৫। কফিতে মার্সমেলো দিয়ে খাওয়ারও চল আছে। যদিও তা ব্যক্তিগত স্বাদের ওপর নির্ভর করে। মার্সমেলোর মিষ্টত্ব এবং স্বাদের কারণে কফিতে বাড়তি ক্যালোরিও জুড়ে যায়।

কিভাবে কফি খাওয়া ভালো

দুধ-চিনি ছাড়া কফি খাওয়ায় সমস্যা নেই। তবে দিনে ২-৩ কাপের বেশি নয়। দুধ দেয়া কফি খেলেও চিনি যথাসম্ভব এড়িয়ে যাওয়া ভালো। স্বাদ বৃদ্ধিতে ছড়িয়ে দেয়া যায় কোকো পাউডার বা একটু ডার্ক চকোলেটের গুঁড়ো। প্রাণিজ দুধে অম্বল হলে ওট্স দুধ বা কাঠবাদামের দুধ ব্যবহার করা যেতে পারে। ইন্টারনেট।