ভেনিজুয়েলা উপকূলে দ্বিতীয় তেল ট্যাংকার জব্দ যুক্তরাষ্ট্রের
Printed Edition
বিবিসি
ভেনিজুয়েলা থেকে ছেড়ে আসা একটি তেল ট্যাংকার ক্যারিবীয় সাগরের আন্তর্জাতিক জলসীমা থেকে জব্দ করেছে মার্কিন কোস্টগার্ড, গত শনিবার জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি। চলতি মাসে এই নিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো ভেনিজুয়েলার উপকূল থেকে তেলবাহী ট্যাংকার জব্দ করল যুক্তরাষ্ট্র।
গত মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, তিনি ভেনিজুয়েলা থেকে ছেড়ে আসা ও দেশটির নৌসীমায় প্রবেশ করতে যাওয়া নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা তেল ট্যাংকারগুলো ‘অবরোধ’ করার আদেশ দিয়েছেন। ট্রাম্পের এই নির্দেশনার পর মার্কিন কোস্টগার্ড ভেনিজুয়েলা উপকূল থেকে এই তেল ট্যাংকারটি জব্দ করল। এর আগে ১০ ডিসেম্বর একই উপকূল থেকে আরেকটি তেল ট্যাংকার জব্দ করে মার্কিন কোস্টগার্ড। ভেনিজুয়েলা তেল ট্যাংকার জব্দের সর্বশেষ এই ঘটনার নিন্দা জানিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের ট্যাংকার জব্দের ঘটনাটিকে ‘চুরি ও অপহরণ’ বলে বর্ণনা করেছে তারা।
এর আগে ভেনিজুয়েলা অভিযোগ করেছিল, যুক্তরাষ্ট্র তাদের সম্পদ চুরি করার চেষ্টা করছে। এক বিবৃতিতে ভেনিজুয়েলা সরকার বলেছে, ‘এই কাজগুলো শাস্তির বাইরে থাকবে না।’ তারা এ নিয়ে জাতিসঙ্ঘ নিরাপত্তা পরিষদে এবং ‘অন্যান্য বহুপক্ষীয় সংস্থা এবং বিশ্বের সরকারগুলোর কাছে’ অভিযোগ জানাবে বলে জানিয়েছে। প্রথম ট্যাংকার জব্দের মতো এবারো মার্কিন কোস্টগার্ড অভিযানের নেতৃত্ব দিয়েছে। একটি স্পেশালাইজড ট্যাকটিক্যাল টিম জাহাজটিতে উঠে সেটি জব্দ করে। এ সময় ট্যাংকারটি আন্তর্জাতিক জলসীমায় ছিল। যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি মন্ত্রী ক্রিস্টি নোম তার মন্ত্রণালয়ের অধীন কোস্টগার্ডের এই অভিযানের একটি ভিডিও এক্স এ শেয়ার করেছেন।
এই পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘২০ ডিসেম্বরের ভোরে আগের এই পদক্ষেপে মার্কিন কোস্টগার্ড যুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় একটি তেল ট্যাংকার আটক করেছে যেটি শেষবার ভেনিজুয়েলায় নোঙর করেছিল।’ তিনি ঘটনার সাত মিনিটের একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন। তাতে দেখা যায় পাশে ‘সেঞ্চুরিজ’ নাম লেখা একটি জাহাজের ডেকে মার্কিন হেলিকপ্টারগুলো নামছে। নোম আরো লিখেছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র এই অঞ্চলে মাদক সন্ত্রাসে তহবিল জোগাতে ব্যবহার করা নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা তেলের অবৈধ চালান অনুসরণ করা অব্যাহত রাখবে। আমরা তোমাদের খুঁজে বের করব আর থামাব।’