বাফুফেকে তিন মাঠ দেয়ার প্রতিশ্রুতি ক্রীড়া মন্ত্রীর
Printed Edition
ক্রীড়া প্রতিবেদক
‘বিশেষ করে ফিফা অনুদানের আওতায় আমাদের ফুটবল ফেডারেশন কিছু ভেনু বরাদ্দের অনুরোধ করেছিল। আলোচনার পর সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে, আমরা চুক্তির মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে তিনটি মাঠ বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনকে (বাফুফে) হস্তান্তর করব। কমলাপুর স্টেডিয়াম, সিলেট জেলা স্টেডিয়াম ও চট্টগ্রাম স্টেডিয়াম’, গতকাল জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের সভাকক্ষে বাফুফে কর্মকর্তাদের সাথে অনুষ্ঠিত এক সভা শেষে কথাগুলো বলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।
সাংবাদিক ও ফেডারেশনগুলোর পর এবার এককভাবে বাফুফের সাথে বসলেন তিনি। দুপুর সাড়ে ১২টায় শুরু হওয়া এই বৈঠকে বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়ালের সাথে সহসভাপতি এবং অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। ফেডারেশনের প্রতিনিধিরা মন্ত্রীর কাছে বেশ কিছু দাবি তুলে ধরেন, যার মধ্যে ফুটবলের জন্য ‘ডেডিকেটেড’ বা নির্দিষ্ট ভেনুর বিষয়টি প্রধান দাবি ছিল। বৈঠকের পর কথা বলতে গিয়ে আমিনুল হক জানান, আলোচনা মূলত ফুটবলের ভবিষ্যৎ এবং এই ক্রীড়ার বর্তমান গতিকে কিভাবে আরো এগিয়ে নেয়া যায়, তা নিয়েই হয়েছে। হামজা চৌধুরীসহ বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত বেশ কয়েকজন ফুটবলার এখন আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করছেন, যা জাতীয় দলকে ঘিরে একটি নতুন আশার সঞ্চার করেছে।
বাফুফের সহসভাপতি ফাহাদ করিম এই বৈঠককে অত্যন্ত ইতিবাচক হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, ‘এই বৈঠকের পর আমি ব্যক্তিগতভাবে অত্যন্ত অনুপ্রাণিত ও উৎসাহিত। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, আমাদের নতুন অভিভাবকের নেতৃত্বে, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় নিশ্চিতভাবেই এই মেয়াদে আমরা একটি ফুটবলবান্ধব স্টেডিয়াম পাবো।’
সব শুনে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বলেন, ‘আমি ফুটবল থেকে এসেছি মানে এই নয় যে আমরা কেবল ফুটবলের কথাই ভাবব। একটি যথাযথ সমাজ গড়ে তুলতে হলে সার্বিক খেলাধুলারই বিকাশ প্রয়োজন। একটি সুস্থ পরিবেশ থাকতে হবে। আমরা সবাই একই ক্রীড়া পরিবারের অংশ। সবাই চাই প্রতিটি খেলার যথাযথ বিকাশ হোক।’