মুরাদনগরে পঁেয়াজরে বীজ উৎপাদনে নতুন মাত্রা
Printed Edition
মুরাদনগর (কুমল্লিা) সংবাদদাতা
পঁেয়াজ বাংলাদশেরে মানুষরে দনৈন্দনি রান্নার অন্যতম প্রধান মসলা হলওে দশেরে কৃষকরা এখনো পঁেয়াজ বীজরে ক্ষত্রেে আমদানরি ওপর ব্যাপকভাবে নর্ভিরশীল। প্রতি বছর দশেে প্রায় ৩ দশমকি ৪ থকেে ৩ দশমকি ৭৯ মলিয়িন মট্রেকি টন পঁেয়াজ উৎপাদতি হলওে মোট বীজরে প্রায় ৮৭ শতাংশই আমদানি করতে হয় প্রতবিশেী দশে থকে।ে এই নর্ভিরতা কমাতে সরকারি উদ্যোগে কুমল্লিার মুরাদনগর উপজলোয় শুরু হয়ছেে পঁেয়াজরে বীজ উৎপাদনরে নতুন র্কাযক্রম।
বাংলাদশে টকেসই পুনরুদ্ধার জরুরি প্রস্তুতি ও প্রতক্রিয়িা প্রকল্প (ব-িস্ট্রং)-এর আওতায় প্রথমবাররে মতো মুরাদনগরে ‘কালো সোনা’ নামে পরচিতি পঁেয়াজ বীজ উৎপাদনরে উদ্যোগ নয়ো হয়ছে।ে উপজলোর কামাল্লা ইউনয়িনরে নোয়াগাঁও গ্রামরে প্রগতশিীল কৃষক ফাহমি ময়িা তাঁর ২৫ শতাংশ জমতিে পরীক্ষামূলকভাবে পঁেয়াজরে বীজ উৎপাদন করছনে।
উপজলো কৃষি অফসি সূত্র জানায়, এ চাষে কৃষকরে ব্যয় হতে পারে আনুমানকি ২৫ থকেে ৩০ হাজার টাকা। প্রতি শতাংশ জমতিে এক কজেি বীজ উৎপাদন সম্ভব হলে মোট উৎপাদন দাঁড়াবে প্রায় ২৫ কজে।ি বাজারে এসব বীজরে মূল্য বীজরে মান ও জাতভদেে প্রতি কজেি ৫ হাজার থকেে ১১ হাজার টাকা র্পযন্ত হতে পার।ে কৃষক ফাহমি ময়িা বলনে, কৃষি অফসিরে পরার্মশ ও সহায়তায় এই প্রথম পঁেয়াজরে বীজ উৎপাদনে হাত দয়িছে।ি সফল হলে ভালো লাভরে আশা করছি এবং ভবষ্যিতে বড় পরসিরে চাষ করার পরকিল্পনা রয়ছে।ে
উপজলো কৃষি র্কমর্কতা পাভলে খাঁন পাপ্পু জানান, কৃষককে প্রয়োজনীয় সব ধরনরে কারগিরি ও লজস্টিকি সহায়তা দয়ো হয়ছে।ে এই উদ্যোগ সফল হলে মুরাদনগর উপজলোয় পঁেয়াজ বীজরে ঘাটতি কমবে এবং আমদাননির্ভিরতা হ্রাসে এটি গুরুত্বর্পূণ ভূমকিা রাখব।ে