হিলি দিয়ে ৯০ টন পেঁয়াজ প্রবেশ, কমল দাম

Printed Edition

সাদাকাত আলী খান দিনাজপুর

দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারতীয় ৯০ টন পেঁয়াজ বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। ফলে ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানির পর দিনাজপুরসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে পেঁয়াজের দাম কমতে শুরু করেছে। এ দিকে ভারতীয় পেঁয়াজ আমদানি শুরু হওয়ায় ভারতের শিবিরে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছে। ভারতীয় মজুমদাররা পেঁয়াজের দাম পাওয়ায় আনন্দিত।

গত ৩১ আগস্ট থেকে বাংলাদেশে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ ছিল। প্রায় তিন মাস বন্ধ থাকায় দেশে পেঁয়াজের দাম বাড়লেও ভারতীয় পেঁয়াজের বাজারে মারাত্মক ধস নামে।। গুদামে শত শত টন পেঁয়াজ পচে নষ্ট হয় বলে ভারতীয় ব্যবসায়ীরা জানান। দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে গত রোববার থেকে আবারো পেঁয়াজ আমদানি শুরু হয়েছে। হিলি স্থলবন্দরের আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান মেসার্স রকি এন্টারপ্রাইজ ভারত থেকে এই পেঁয়াজ আমদানি করে। প্রথম দুই দিনে ৯০ টন পেঁয়াজ হিলি স্থল বন্দরে ঢুকেছে। এই চালানে ১২০ টন পেঁয়াজ দেশে আমদানি করা হবে বলে জানা গেছে। হিলি স্থলবন্দর দিয়ে প্রতি মৌসুমে চার থেকে পাঁচ হাজার টন পেঁয়াজ আমদানি করা হয়। দেশী পেঁয়াজ বাজারে উঠতে শুরু করলে এবং বাজার স্বাভাবিক থাকলে আমদানির প্রয়োজন হবে না বলে সরকারি সূত্র জানায়।

হিলি স্থলবন্দরের আমদানিকারকরা জানান, ভারত থেকে আমদানি বন্ধ থাকায় দেশের বাজারে পর্যায়ক্রমে মসলাজাতীয় পণ্য পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধি পায়। গত দুই তিন মাস থেকে থেকে দিনাজপুরসহ দেশের বিভিন্ন বাজারে পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ১৩০ থেকে ১৫০ টাকায়। ফলে পেঁয়াজের দাম নিয়ে ভোক্তাদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। তারা আরো জানান, দেশে পেঁয়াজের দামের অস্থিরতা ঠেকাতে এবং সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সরকার আমদানি করার সিদ্ধান্ত নেয়। আমদানি শুরু হওয়ায় দিনাজপুরসহ দেশের বিভিন্ন বাজারে পেঁয়াজের দাম কমতে শুরু করে। ফলে কেজিতে অন্তত ৩০ থেকে ৪০ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে পেঁয়াজ। হিলি স্থলবন্দর কাস্টমস রাজস্ব কর্মকর্তা এম জামান বাঁধন জানান, গত রোববার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে এই বন্দর দিয়ে ভারত থেকে পেঁয়াজবাহী ট্রাক দেশে প্রবেশ করে। দেশের বাজারে আমদানিকৃত পেঁয়াজগুলো দ্রত পৌঁছতে পারে, সে জন্য খালাসের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। গত আগস্ট মাসের ৩১ তারিখ থেকে হিলি দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ ছিল। সরকার নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়ায় রোববার থেকে আবারও পেঁয়াজের আমদানি শুরু হয়েছে।