খুলনায় শোকসভায় বক্তারা

খালেদা জিয়া ছিলেন গণতন্ত্রের বাতিঘর

Printed Edition

নয়া দিগন্ত ডেস্ক

তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার স্মরণে খুলনা মহানগর বিএনপির উদ্যোগে গতকাল নগরীর শহীদ হাদিস পার্কে এক নাগরিক শোক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে আলোচকরা বলেন, আজ আমরা দাঁড়িয়ে আছি এক গভীর বেদনাবিধুর মুহূর্তে। এই শোক কেবল একজন মানুষের বিদায়ের শোক নয়, এটি একটি যুগের অবসান, একটি সংগ্রামী অধ্যায়ের সমাপ্তি, একটি আপসহীন কণ্ঠের নীরব হয়ে যাওয়া।

তারা বলেন, দেশনেত্রী খালেদা জিয়া ছিলেন বাংলাদেশের গণতন্ত্রের বাতিঘর। আজ সেই বাতিঘরের আলো নিভে গেছে; কিন্তু তার দেখানো পথ কোনো দিন হারিয়ে যাবে না। ইতিহাস তাকে স্মরণ রাখবে আপসহীন নেতৃত্ব, অদম্য সাহস, ত্যাগ ও জনগণের অধিকারের এক অবিস্মরণীয় প্রতীক হিসেবে। তিনি নিজের জীবন দিয়ে একজন সাধারণ গৃহিণী থেকে রাষ্ট্রনায়কে পরিণত হওয়ার অনন্য ইতিহাস রচনা করে গেছেন। ক্ষমতার মোহে রাজনীতিতে আসেননি; ইতিহাসের নির্মম ডাকেই তাকে নেতৃত্বের ভার কাঁধে তুলে নিতে হয়েছিল। স্বামী শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে নির্মমভাবে হারানোর শোক তাকে ভেঙে দেয়নি, বরং সেই শোককে শক্তিতে রূপান্তর করে হয়ে উঠেছিলেন নিপীড়িত মানুষের আশ্রয়স্থল ও গণতন্ত্রকামী মানুষের ভরসার নাম।

শোক সভায় বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির তথ্য বিষয়ক সম্পাদক ও খুলনা-৪ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী আজিজুল বারী হেলাল, সাবেক এমপি ও খুলনা-২ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু বক্তব্য রাখেন।

খুলনা মহানগর বিএনপির সভাপতি ও জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট শফিকুল আলম মনার সভাপতিত্বে শোক সভায় শোক প্রস্তাব পাঠ করেন মহানগর সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন। মহানগর ওলামাদলের আহ্বায়ক মাওলানা আবু নাঈমের পবিত্র কুরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে শুরু হওয়া শোক সভায় আরো বক্তব্য রাখেন খুলনা সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র মনিরুজ্জামান মনি, খুলনা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান মন্টু, ড্যাব খুলনার সভাপতি ডা: রফিকুল হক বাবলু, খুলনা প্রেস ক্লাবের আহ্বায়ক এনামুল হক, মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন খুলনার সভাপতি রাশিদুল ইসলাম প্রমুখ। শোক সভা শেষে খালেদা জিয়ার রূহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া করা হয়।