গবাদিপশুর এলএসডি চিকিৎসার গাইডলাইন প্রণয়ন বাকৃবির

Printed Edition
3rd-2
গবাদিপশুর এলএসডি চিকিৎসার গাইডলাইনসহ অতিথিরা : নয়া দিগন্ত

বাকৃবি সংবাদদাতা

লাম্পি স্কিন ডিজিজ (এলএসডি) বা গুটি রোগে আক্রান্ত গবাদিপশুর চিকিৎসা ও নিয়ন্ত্রণ কৌশল বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসা গাইডলাইন (বই) তৈরি হয়েছে। বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) প্যাথলজি বিভাগ ওই পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসা নির্দেশনা তৈরি করেছে।

প্রাণিসম্পদ ও ডেইরি উন্নয়ন প্রকল্পের (এলডিডিপি) আর্থিক সহায়তায় এবং ইনভেস্টিগেশন অব লাম্পি স্কিন ডিজিজ (এলএসডি) অ্যাফেক্টেড হার্ডস অ্যান্ড ফরমুলেশনস কন্ট্রোল স্ট্র্যাটেজিস শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় এই চিকিৎসা নির্দেশনা তৈরি করা হয়েছে।

এই প্রকল্পের প্রধান গবেষক হিসেবে ছিলেন বাকৃবির প্যাথলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. রোখসানা পারভীন।

এলএসডি চিকিৎসার এই গাইডলাইন বই গত ১৩ জানুয়ারি প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হয়েছে, যা গতকাল তিনি নিজেই নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, এলএসডি একটি ভাইরাসজনিত রোগ হওয়ায় প্রতিরোধের পাশাপাশি আক্রান্ত পশুর কার্যকর চিকিৎসা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের চাহিদা অনুযায়ী তাদের পূর্ববর্তী সংক্ষিপ্ত নির্দেশনাকে পরিমার্জন করে সম্পূর্ণ চিকিৎসা নির্দেশনাটি তৈরি করা হয়েছে। এই সম্পূর্ণ চিকিৎসা নির্দেশনাটি তৈরি হওয়ায় সব ভেটেরিনারি চিকিৎসক প্রমাণ ভিত্তিক চিকিৎসা দিতে সক্ষম হবেন, যা আগে ছিল না।

তিনি আরো বলেন, এর আগে মাঠ পর্যায়ে এলএসডি রোগের চিকিৎসার জন্য পরিপূর্ণ কোনো ধরনের নির্দেশনা ছিল না। আমাদের পরিপূর্ণ চিকিৎসা নির্দেশনা দিয়ে মাঠ পর্যায়ে সব ভেটেরিনারি চিকিৎসক একইভাবে চিকিৎসা করতে সক্ষম হবেন এবং রোগের শুরুতে চিকিৎসা শুরু করলে চামড়ার গুণগত মানও রক্ষা পাবে।

রাজধানীর খামারবাড়িতে প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের সম্মেলন কক্ষে এলএসডি চিকিৎসা নির্দেশনা হস্তান্তর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের মহাপরিচালক ড. মো: আবু সুফিয়ান, বাকৃবি প্যাথলজি বিভাগের প্রফেসর ড. মো: মকবুল হোসেন, প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের পরিচালক (প্রশাসন) ডা: মো: বয়জার রহমান, পরিচালক (সম্প্রসারণ) ডা: বেগম শামসুন্নাহার আহম্মদ, পরিচালক (উৎপাদন) ড. এ বি এম খালেকুজ্জামান এবং উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা (এল আর) ও পিএইচডি শিক্ষার্থী ডা: ইসরাত জেরিন।