আচরণবিধি পরিপালন ম্যাজিস্ট্র্রেট নিয়োগ হবে
তফসিল ঘোষণার দুই দিনের মধ্যে প্রচারসামগ্রী সরানোর নির্দেশ
Printed Edition
বিশেষ সংবাদদাতা
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর ৪৮ ঘণ্টা বা দুই দিনের মধ্যে রাজনৈতিক দল ও তাদের প্রার্থীদের সব ধরনের প্রচারসামগ্রী (পোস্টার, ব্যানার) সরানো না হলে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব:) আবুল ফজল মো: সানাউল্লাহ। তিনি বলেন, না সরালে নির্বাচনী আচরণবিধির আওতায় যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। পাশাপাশি আচরণবিধি প্রতিপালন নিশ্চিত করতে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। প্রতি উপজেলায় দুইজন করে ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করবেন।
রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ১০তম কমিশন সভা শেষে আনুষ্ঠানিক ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান কমিশনার সানাউল্লাহ। তিনি বলেন, ‘যেদিন তফসিল ঘোষণা হবে, সেদিন থেকেই ৪৮ ঘণ্টার সময় দেয়া হবে সব ধরনের প্রচারসামগ্রী সরিয়ে ফেলার জন্য। রাজনৈতিক দলগুলো এরই মধ্যে যেসব ব্যানার পোস্টার টাঙিয়েছে, সেগুলোও সরাতে হবে। না সরালে আচরণবিধির অধীনে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’
পোস্টার নিয়ে ইসির পদক্ষেপ সম্পর্কে প্রশ্ন করলে সানাউল্লাহ বলেন, ‘তফসিল ঘোষণার দিন থেকেই কার্যকর ভূমিকা আপনারা দেখতে পাবেন। আমরা রাজনৈতিক দলগুলোকে ৪৮ ঘণ্টা সময় দেবো। এরপরও যদি কেউ প্রচারসামগ্রী না সরায়, আচরণবিধির আওতায় যা প্রয়োজন তাই করা হবে।’
আবুল ফজল আরো বলেন, ‘আচরণবিধি প্রতিপালন ও নিশ্চিতকরণের জন্য আমরা এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। তফসিল ঘোষণার পরের দিন থেকেই প্রতি উপজেলা বা থানায় দুজন করে ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্বে থাকবেন। নির্বাচনের আগের শেষ পাঁচ দিনে-অর্থাৎ ভোটের তিন দিন আগে, ভোটের দিন এবং ভোটের পরের দিন- এই সংখ্যা আরো বাড়ানো হবে।’
তিনি জানান, নির্বাচনী এলাকায় অনুদান, ত্রাণ ইত্যাদি বিতরণে যে নিষেধাজ্ঞা থাকে, তার সংশ্লিষ্ট পরিপত্র যথাসময়ে জারি করা হবে। তবে বয়স্কভাতা বা অন্যান্য সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির ওপর কোনো বাধা থাকবে না। বিভিন্ন ধরনের পরিপত্র প্রাথমিকভাবে পর্যালোচনা করা হয়েছে এবং সেগুলো নিয়মমাফিক জারি করা হবে বলেও জানান তিনি।