মেডিক্যালে ভর্তির সুযোগ পেলেন যমজ দুই বোন
ময়মনসিংহ অফিস
একসাথে জন্ম, একসাথে বেড়ে ওঠা। উচ্চমাধ্যমিক শ্রেণী পর্যন্ত পড়ালেখাও করেছেন একসাথে। এবার মেডিক্যাল কলেজে ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন যমজ দুই বোন। তবে দুই বোন সুযোগ পেয়েছেন দুই মেডিক্যাল কলেজে।
ফাবিহা জামান মিহা ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজে। লামিসা জামান লিহা সুযোগ পেয়েছেন নেত্রকোনা মেডিক্যাল কলেজে। তারা নান্দাইল উপজেলার ভাটি সাভার গ্রামের ডা: কামরুজ্জামান মানিক ও কলেজ শিক তসলিমা বেগম লাভলীর সন্তান।
জানা গেছে, মিহা ও লিহা ময়মনসিংহ শহরের ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজে পড়ালেখা করেছেন। ২০২৩ সালে এসএসসি পরীায় দুইজনই গোল্ডেন এ প্লাস পেয়ে উত্তীর্ণ হন। ২০২৫ সালের এইচএসসি পরীায়ও গোল্ডেন এ প্লাস পান তারা। উভয় পরীাতেই মেধাবৃত্তি পেয়েছেন।
তাদের বাবা ডা: কামরুজ্জামান মানিক ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের অর্থোপেডিক সার্জারি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক। মা তসলিমা বেগম লাভলী ময়মনসিংহের নাসিরাবাদ কলেজের রসায়ন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান। বর্তমানে তারা ময়মনসিংহের বাউন্ডারি রোডে বসবাস করছেন।
যমজ দুই বোনের একসাথে মেডিক্যাল কলেজে পড়ার সুযোগ পাওয়ার খবরটি এলাকায় চমক সৃষ্টি করেছে। তাদের এই সাফল্যে পরিবার, স্বজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে আনন্দের বন্যা বয়ে যাচ্ছে। দুই বোন একই সাথে মেডিক্যাল কলেজে ভর্তির সুযোগ পাওয়ার অনুভূতি প্রসঙ্গে জানতে চাইলে মিহা ও লিহা জানান, চিকিৎসক হয়ে দেশের গরিব-দুঃখী মানুষের সেবা করতে চান তারা। মেয়েদের এই সাফল্যে মা তসলিমা বেগম লাভলী বলেন, তারা যেন মানবিক চিকিৎসক হতে পারে সেজন্য সবার কাছে দোয়া চান। ডা: কামরুজ্জামান মানিক জানান, তাঁর দুই মেয়ের এই সাফল্য শুধু তাদের পরিবারের নয়, পুরো নান্দাইলবাসীর। তাদের এই সাফল্য আশপাশের শিার্থীদের অনুপ্রেরণা জোগাবে। দুই মেয়ের জন্য সবার কাছে দোয়া চেয়ে তিনি বলেন, তারা যেন সাফল্যের সাথে পড়ালেখা করে চিকিৎসক হয়ে দেশ ও জাতির সেবায় নিজেদের নিয়োজিত করতে পারে। মেয়েদের এই সাফল্যে তাদের শিক ও মায়ের অবদানই বেশি বলে জানান তিনি।