জাকিরের ১৬তম সেঞ্চুরি ৬ হাজার রান
Printed Edition
ক্রীড়া প্রতিবেদক
শিরোপার নিষ্পতির শেষ রাউন্ডে জমে ওঠা জাতীয় ক্রিকেট লিগে সিলেট বিভাগের স্বপ্নটা বাঁচিয়ে রেখেছেন জাকির হাসান। তার সেঞ্চুরিতে বরিশালের করা ৩১২ রানের জবাব দিচ্ছে সিলেট। ১৬তম সেঞ্চুরির পাশাপাশি ছয় হাজার রান পূর্ণ করেন জাকির। দ্বিতীয় দিন শেষে পাঁচ উইকেটে ২১৪ রান করেছে দলটি। এখনো ৯৮ রানে পিছিয়ে তারা। ৯ উইকেটে ২৬৯ রান নিয়ে দ্বিতীয় দিনের খেলা শুরু করে বরিশাল। শেষ উইকেট জুটিতে রুয়েল মিয়ার সাথে ৪৩ রানের জুটি গড়েন সোহাগ গাজী। ৭০ বলে ৬৮ রানের ইনিংস খেলে দলকে চ্যালেঞ্জিং সংগ্রহ এনে দেন তিনি।
এরপর ৪৭ রানের মধ্যে চার উইকেট হারায় সিলেট। মুবিন আহমেদ দিশান দুই, আসাদুল্লাহ আল গালিব পাঁচ, অমিত হাসান পাঁচ এবং মুশফিকুর রহীম আট রানে ফিরেন। এরপর ১১৩ রানের জুটি গড়েন জাকির হাসান এবং আশরাফুল হাসান। ৪১ রান করা আশরাফুলকে বোল্ড করে এই জুটি ভাঙেন ইফতিখার হোসেন ইফতি। তারপর তোফায়েল আহমেদকে নিয়ে জুটি গড়েন জাকির। ১৮৪ বলে ১৩০ রানে অপরাজিত আছেন জাকির। সাথী তোফায়েল আছেন ২৯ বলে ১৫ রান নিয়ে।
সানজামুলের ৫ উইকেট
দিনের আরেক ম্যাচে রাজশাহীর করা ২১৯ রানের জবাবে ১৩৭ রানে অলআউট হয়েছে ময়মনসিংহ। ফের ব্যাটিংয়ে নেমে ছয় উইকেটে ২১০ রান করেছে রাজশাহী। দলটির লিড ২৯২ রানের। দুই উইকেটে ৭৩ রান নিয়ে দিন শুরু করে ময়মনসিংহ। কিন্তু সানজামুল ইসলামের বোলিংয়ের সামনে দাঁড়াতেই পারেনি দলটি। মাত্র ১৮ রান খরচায় পাঁচ উইকেট নেন সানজামুল। ময়মনসিংহের হয়ে সর্বোচ্চ ৩৭ রান করেন খালিদ হাসান। ফের ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতে সুবিধা করতে পারেনি রাজশাহী। ৩৬ রানে তিন এবং ৮৪ রানের মধ্যে চার উইকেট হারায় দলটি। মোহাম্মদ রহিম ৪৭ শাহরিয়ার শুভ্র ৩০ রানে অপরাজিত আছেন।
ফলোঅনের শঙ্কায় চট্টগ্রাম
মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ঢাকার বিপক্ষে ফলোঅনের শঙ্কায় চট্টগ্রাম। তিন সেঞ্চুরিতে ৫৪১ রানে ছয় উইকেট হারিয়ে প্রথম ইনিংস ঘোষণা করে ঢাকা। আনিসুল ইসলাম (১৮৬ রান) ও মার্শাল আইয়ুবের (১৬৫ রান) পর তিন অঙ্কের ম্যাজিক ফিগার স্পর্শ করেন আশিকুর রহমান শিবলি। জবাবে ৯৪ রানে ছয় উইকেট হারিয়েছে চট্টগ্রাম। ৪৩ রান করেছেন ইরফান শুক্কুর। ফলোঅন এড়াতে আরো ২৯৮ রান করতে হবে চট্টগ্রামকে।
সফর আলীর ৫ উইকেট
বগুড়ার শহীদ চাঁন্দু স্টেডিয়ামে রংপুরের বিপক্ষে ১৭৫ রানের লিড নিয়েছে খুলনা। প্রথম ইনিংসে তাদের করা ৩০৮ রানের জবাবে ১৭৪ রানে অলআউট হয় রংপুর। ৪৪ রান করেন আলাউদ্দিন বাবু। ৭৮ রানে পাঁচ উইকেট নেন সফর আলী। দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ৪১ রানে পাঁচ উইকেট হারিয়ে বিপর্যয়ে খুলনা।